ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আগামী সপ্তাহে রায়

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৩:৪০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১০০৪ বার পড়া হয়েছে

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আগামী সপ্তাহে রায়

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোঃ আমিনুল ইসলাম।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার রায় আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন হতে পারে। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। আগামী সপ্তাহের যে কোনো দিন রায় দেওয়া হবে বলে আমরা আশা করছি।’

এ সময় সাগর রুনি হত্যাকাণ্ডে পাওয়া ক্লু টাস্কফোর্সকে সরবরাহ করা হবে বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর। ‘জুলাই হত্যাকাণ্ডে উস্কানির ঘটনায় বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের সম্পৃক্ততা মিলেছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।’

এ ছাড়া চিফ প্রসিকিউটর দাবি করেন, ‘স্যাবোটাজ হতে পারে বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে তাই ট্রাইবুনালের সিকিউরিটি আগের চেয়ে বাড়ানো হয়েছে। প্রভাবশালী আসামীদের বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।’

এর আগে, ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষ হলে রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল।

মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফ ওরফে ওয়ালি আসিফ ইনান।

সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

এর আগে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই আদালত।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আগামী সপ্তাহে রায়

আপডেট সময় : ০৩:৪০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আগামী সপ্তাহে রায়

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোঃ আমিনুল ইসলাম।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার রায় আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন হতে পারে। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। আগামী সপ্তাহের যে কোনো দিন রায় দেওয়া হবে বলে আমরা আশা করছি।’

এ সময় সাগর রুনি হত্যাকাণ্ডে পাওয়া ক্লু টাস্কফোর্সকে সরবরাহ করা হবে বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর। ‘জুলাই হত্যাকাণ্ডে উস্কানির ঘটনায় বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের সম্পৃক্ততা মিলেছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।’

এ ছাড়া চিফ প্রসিকিউটর দাবি করেন, ‘স্যাবোটাজ হতে পারে বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে তাই ট্রাইবুনালের সিকিউরিটি আগের চেয়ে বাড়ানো হয়েছে। প্রভাবশালী আসামীদের বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।’

এর আগে, ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষ হলে রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল।

মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফ ওরফে ওয়ালি আসিফ ইনান।

সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

এর আগে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই আদালত।

আস্থা/এমএইচ