ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাঠমিস্ত্রি হত্যা মামলায় যুবককে মৃত্যুদণ্ড

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৬:২৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১২৪ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামে কাঠমিস্ত্রি হত্যা মামলায় করিম মিয়া (২৫) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ মো. আবদুল মান্নান এ রায় দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, কুড়িগ্রাম পৌরসভার ভেলাকোপার দক্ষিণ মরাকাটা গ্রামের কাছুয়া মামুদের পুত্র করিম মিয়ার সঙ্গে কাঠমিস্ত্রির কাজ করত একই এলাকার আবেদ আলীর পুত্র আদম আলী। ২০১১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আদম আলী করিমের কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে বচসার একপর্যায়ে বাটাল দিয়ে আদম আলীর পেটে ও কপালে আঘাত করে করিম মিয়া। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

ডিআইজি বজলুরের সম্পতি ক্রোক ও দুইটি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের নির্দেশ

এ ব্যাপারে নিহতের বাবা আবেদ আলী কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত মামলার একমাত্র আসামি করিম মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন ও আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন।

অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন জানান, অপরাধ করে কেউ পার পায় না। আইনের যথার্থ প্রয়োগে অপরাধীরা সাজার আওতায় আসে।

কাঠমিস্ত্রি হত্যা মামলায় যুবককে মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৬:২৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

কুড়িগ্রামে কাঠমিস্ত্রি হত্যা মামলায় করিম মিয়া (২৫) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ মো. আবদুল মান্নান এ রায় দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, কুড়িগ্রাম পৌরসভার ভেলাকোপার দক্ষিণ মরাকাটা গ্রামের কাছুয়া মামুদের পুত্র করিম মিয়ার সঙ্গে কাঠমিস্ত্রির কাজ করত একই এলাকার আবেদ আলীর পুত্র আদম আলী। ২০১১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আদম আলী করিমের কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে বচসার একপর্যায়ে বাটাল দিয়ে আদম আলীর পেটে ও কপালে আঘাত করে করিম মিয়া। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

ডিআইজি বজলুরের সম্পতি ক্রোক ও দুইটি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের নির্দেশ

এ ব্যাপারে নিহতের বাবা আবেদ আলী কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত মামলার একমাত্র আসামি করিম মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন ও আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন।

অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন জানান, অপরাধ করে কেউ পার পায় না। আইনের যথার্থ প্রয়োগে অপরাধীরা সাজার আওতায় আসে।