ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ফুলবাড়িয়ায় বজ্রপাতে শিক্ষার্থীসহ নিহত-২ Logo সাংবাদিকদের বাথরুম, টয়লেট পরিষ্কারের দায়িত্ব দেওয়া উচিত, উপ-পরিচালক, ভয়ে করলো ডিলেট Logo ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে রেস্টুরেন্টে আগুন Logo রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর গোলাগুলি, নিহত-২, আহত-১ Logo চট্টগ্রামে আটকের একদিন পর যুবলীগ নেতার মৃত্যু Logo মুদি দোকান-বিউটি পার্লারসহ ১৬ ব্যবসায় বসছে কর Logo শার্শায় পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি Logo অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক Logo তারাগঞ্জে শিশু সানজিদা হত্যার রহস্য উন্মোচন, ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার Logo জেল বন্দি বিএনপি নেতা, ঢাকায় চালিয়েছেন গুলি: হয়ে গেলো মামলায় আসামী

কিশোরগঞ্জে ভাই-বোনকে হত্যা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩
  • / ১০৬৬ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জে ভাই-বোনকে হত্যা

 

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে জমির সীমানায় গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে আপন দুই ভাই-বোনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে চাচা ও চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার (১৩জুলাই) সকালে উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের পূর্ব কুড়িমারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাহমুদুল হাসান আলমগীর (৩০) ও নাদিরা খাতুন (২১) একই এলাকার শামসুল ইসলামের ছেলে।

 

এ ঘটনায় শামসুল ইসলামের স্ত্রী আছমা খাতুন (৫০), ছেলে হুমায়ুন কবির (২৮) ও মেয়ে সালমা (২০) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা বলেন, পূর্ব কুড়িমারা গ্রামের মৃত হোসেন আলীর দুই ছেলে শামসুল ইসলাম ও আব্দুল কাদিরের মধ্যে জমির সীমানায় গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। আলমগীর এমবিএ পাস করে সিলেট শহরে ব্যবসা করতেন। গত বুধবার রাতে আলমগীর সিলেট থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। আজ সকালে আলমগীর জমির সীমানায় গাছ লাগাতে যান। এ সময় আলমগীরের চাচা আব্দুল কাদির ও তাঁর চাচাতো ভাই আরমানসহ তাঁর অন্য ভাইয়েরা দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। এ সময় আলমগীরের মা, ভাই ও বোনেরা বাঁধা দিলে তাঁদের ওপরও হামলা চালান।

দা ও কুড়ালের কোপে আলমগীর ঘটনাস্থলেই মারা যান। আলমগীরের বাবা শামসুল ইসলাম তাঁর মেয়েকে ফিরিয়ে নেওয়ার সময় আরমান দা দিয়ে কোপ দেন। পরে শামসুল ইসলামের স্ত্রী আছমা খাতুন, মেয়ে নাদিরা, ছেলে হুমায়ুন কবির ও আরেক মেয়ে সালমাকে মমেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। মমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে নাদিরা খাতুন মারা যান।

 

নিহত আলমগীরের স্ত্রী ফাহিমা সুলতানা নীলা বলেন, ‘ঘাতকেরা আমার স্বামীকে খুন করেছে। আমার দেড় বছরের ছেলে আয়ানকে নিয়ে কীভাবে বাঁচব। আমি স্বামী হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।

 

আলমগীরে বাবা শামসুল ইসলাম বলেন, একসঙ্গে আমার দুটি সন্তানকে হত্যা করেছে ভাই আব্দুল কাদির ও তাঁর ছেলেরা। খুনিরা পরিকল্পিতভাবে আমার সাজানো সংসার ধ্বংস করে দিয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ বলেন, মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ছাড়া হত্যা মামলা দায়ার করা হয়েছে।

ট্যাগস :

কিশোরগঞ্জে ভাই-বোনকে হত্যা

আপডেট সময় : ০৭:১৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩

কিশোরগঞ্জে ভাই-বোনকে হত্যা

 

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে জমির সীমানায় গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে আপন দুই ভাই-বোনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে চাচা ও চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার (১৩জুলাই) সকালে উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের পূর্ব কুড়িমারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাহমুদুল হাসান আলমগীর (৩০) ও নাদিরা খাতুন (২১) একই এলাকার শামসুল ইসলামের ছেলে।

 

এ ঘটনায় শামসুল ইসলামের স্ত্রী আছমা খাতুন (৫০), ছেলে হুমায়ুন কবির (২৮) ও মেয়ে সালমা (২০) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা বলেন, পূর্ব কুড়িমারা গ্রামের মৃত হোসেন আলীর দুই ছেলে শামসুল ইসলাম ও আব্দুল কাদিরের মধ্যে জমির সীমানায় গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। আলমগীর এমবিএ পাস করে সিলেট শহরে ব্যবসা করতেন। গত বুধবার রাতে আলমগীর সিলেট থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। আজ সকালে আলমগীর জমির সীমানায় গাছ লাগাতে যান। এ সময় আলমগীরের চাচা আব্দুল কাদির ও তাঁর চাচাতো ভাই আরমানসহ তাঁর অন্য ভাইয়েরা দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। এ সময় আলমগীরের মা, ভাই ও বোনেরা বাঁধা দিলে তাঁদের ওপরও হামলা চালান।

দা ও কুড়ালের কোপে আলমগীর ঘটনাস্থলেই মারা যান। আলমগীরের বাবা শামসুল ইসলাম তাঁর মেয়েকে ফিরিয়ে নেওয়ার সময় আরমান দা দিয়ে কোপ দেন। পরে শামসুল ইসলামের স্ত্রী আছমা খাতুন, মেয়ে নাদিরা, ছেলে হুমায়ুন কবির ও আরেক মেয়ে সালমাকে মমেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। মমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে নাদিরা খাতুন মারা যান।

 

নিহত আলমগীরের স্ত্রী ফাহিমা সুলতানা নীলা বলেন, ‘ঘাতকেরা আমার স্বামীকে খুন করেছে। আমার দেড় বছরের ছেলে আয়ানকে নিয়ে কীভাবে বাঁচব। আমি স্বামী হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।

 

আলমগীরে বাবা শামসুল ইসলাম বলেন, একসঙ্গে আমার দুটি সন্তানকে হত্যা করেছে ভাই আব্দুল কাদির ও তাঁর ছেলেরা। খুনিরা পরিকল্পিতভাবে আমার সাজানো সংসার ধ্বংস করে দিয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ বলেন, মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ছাড়া হত্যা মামলা দায়ার করা হয়েছে।