ঢাকা ১২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলপিজির দামে চলছে নৈরাজ্য

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১০১১ বার পড়া হয়েছে

কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলপিজির দামে চলছে নৈরাজ্য

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

১২ কেজির সিলিন্ডারে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি গুনতে হচ্ছে ৮শ থেকে ১ হাজার টাকা। কোথাও আবার বাড়তি দরেও না পাওয়ার দাবি ভোক্তাদের। তাদের অভিযোগ, সিন্ডিকেট করে জিম্মি করা হচ্ছে গ্রাহকদের।

যদিও বিক্রেতাদের দাবি, বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলেই সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি করা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় মন্ত্রী জানালেন সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। দাম বেশি নিলে নেয়া হবে ব্যবস্থা।

সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি। কিন্তু রাজধানীর অধিকাংশ দোকানেই তা বিক্রি হচ্ছিল ২ হাজারের আশপাশে। কিন্তু কয়েকদিন ধরে সেই দাম আরও বেড়ে ২৩শ থেকে ২৫শ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ বাড়তি গুনতে হচ্ছে ৭শ থেকে ১ হাজার টাকা।

শুধু গৃহস্থালি ব্যবহারকারী নয়, বাড়তি দামে চাপে পড়েছেন ছোট ব্যবসায়ীরাও। ভোক্তার অভিযোগ, সংকটের কথা বলে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা।

তবে দাম বেশি রাখার কারণ হিসেবে পরিবেশক ও ডিলারদের দিকে আঙ্গুল তুলছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলেই বিক্রি করা যাচ্ছে না সরকার নির্ধারিত দামে।

এ অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের এক সভায় জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েন, দেশে এলপি গ্যাসের সরবরাহে ঘাটতি নেই। কৃত্রিম সংকট তৈরি যারা বেশি দামে বিক্রি করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, দেশের বাজারে ৯৮ শতাংশ এলপিজি আমদানি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। যার ৮০ শতাংশই ব্যবহৃত হয় বাসাবাড়িতে।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলপিজির দামে চলছে নৈরাজ্য

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলপিজির দামে চলছে নৈরাজ্য

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

১২ কেজির সিলিন্ডারে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি গুনতে হচ্ছে ৮শ থেকে ১ হাজার টাকা। কোথাও আবার বাড়তি দরেও না পাওয়ার দাবি ভোক্তাদের। তাদের অভিযোগ, সিন্ডিকেট করে জিম্মি করা হচ্ছে গ্রাহকদের।

যদিও বিক্রেতাদের দাবি, বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলেই সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি করা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় মন্ত্রী জানালেন সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। দাম বেশি নিলে নেয়া হবে ব্যবস্থা।

সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি। কিন্তু রাজধানীর অধিকাংশ দোকানেই তা বিক্রি হচ্ছিল ২ হাজারের আশপাশে। কিন্তু কয়েকদিন ধরে সেই দাম আরও বেড়ে ২৩শ থেকে ২৫শ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ বাড়তি গুনতে হচ্ছে ৭শ থেকে ১ হাজার টাকা।

শুধু গৃহস্থালি ব্যবহারকারী নয়, বাড়তি দামে চাপে পড়েছেন ছোট ব্যবসায়ীরাও। ভোক্তার অভিযোগ, সংকটের কথা বলে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা।

তবে দাম বেশি রাখার কারণ হিসেবে পরিবেশক ও ডিলারদের দিকে আঙ্গুল তুলছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলেই বিক্রি করা যাচ্ছে না সরকার নির্ধারিত দামে।

এ অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের এক সভায় জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েন, দেশে এলপি গ্যাসের সরবরাহে ঘাটতি নেই। কৃত্রিম সংকট তৈরি যারা বেশি দামে বিক্রি করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, দেশের বাজারে ৯৮ শতাংশ এলপিজি আমদানি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। যার ৮০ শতাংশই ব্যবহৃত হয় বাসাবাড়িতে।

আস্থা/এমএইচ