ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo সাংবাদিকদের বাথরুম, টয়লেট পরিষ্কারের দায়িত্ব দেওয়া উচিত, উপ-পরিচালক, ভয়ে করলো ডিলেট Logo ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে রেস্টুরেন্টে আগুন Logo রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর গোলাগুলি, নিহত-২, আহত-১ Logo চট্টগ্রামে আটকের একদিন পর যুবলীগ নেতার মৃত্যু Logo মুদি দোকান-বিউটি পার্লারসহ ১৬ ব্যবসায় বসছে কর Logo শার্শায় পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি Logo অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক Logo তারাগঞ্জে শিশু সানজিদা হত্যার রহস্য উন্মোচন, ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার Logo জেল বন্দি বিএনপি নেতা, ঢাকায় চালিয়েছেন গুলি: হয়ে গেলো মামলায় আসামী Logo গাজীপুরে বন্ধ হলো দুটি কারখানা: বেকার হলো ১৮০০ শ্রমিক

প্রাণনাশের হুমকি তে মুনিয়ার পরিবার

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৮৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে মামলার পর থেকে প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন নিহত কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার পরিবার। অজ্ঞাত নম্বর থেকে এসব হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুনিয়ার খালাতো ভাই ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে মোবাইল ফোনে ইকবাল হোসেন জাগরণ অনলাইনে জানান, মামলা করার পর গতকাল রাত থেকে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন দিয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রতিনিয়ত ফোন দিয়ে হুমকি দিচ্ছে, ‘কার বিরুদ্ধে মামলা করছেন’।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর গুলশানের নিজের ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে আসামি করে গুলশান থানায় মামলা করেন মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান।

[irp]

মামলার এজাহারে বাদী বলেন, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিরা। দুই বছর আগে মুনিরা এবং সায়েম সোবহান তানভীরের (৪২) মধ্যে পরিচয় হয়। এরপর থেকে তারা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় দেখা করতেন। তাদের প্রায় সময় মোবাইলে ফোনে কথা বলতে দেখা যেত। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এদিকে মুনিয়ার ফ্ল্যাট থেকে ছয়টি ডায়েরি, তার ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইস ও ওই ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটের সংগ্রহ করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডিএমপির গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নাজমুল হাসান ফিরোজ এ কথা জানিয়ে বলেন, “ওই ফ্ল্যাটে মেয়েটি একাই থাকতেন। দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে তার (মোসারাত জাহান মুনিয়া) সম্পর্ক ছিল। ওই ব্যবসায়ী মুনিয়ার ফ্ল্যাটে যাতায়াত করতেন বলেও আমরা জানতে পেরেছি। তবে আর কে কে সেখানে আসা-যাওয়া করতেন তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

 

ট্যাগস :

প্রাণনাশের হুমকি তে মুনিয়ার পরিবার

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ

বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে মামলার পর থেকে প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন নিহত কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার পরিবার। অজ্ঞাত নম্বর থেকে এসব হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুনিয়ার খালাতো ভাই ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে মোবাইল ফোনে ইকবাল হোসেন জাগরণ অনলাইনে জানান, মামলা করার পর গতকাল রাত থেকে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন দিয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রতিনিয়ত ফোন দিয়ে হুমকি দিচ্ছে, ‘কার বিরুদ্ধে মামলা করছেন’।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর গুলশানের নিজের ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে আসামি করে গুলশান থানায় মামলা করেন মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান।

[irp]

মামলার এজাহারে বাদী বলেন, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিরা। দুই বছর আগে মুনিরা এবং সায়েম সোবহান তানভীরের (৪২) মধ্যে পরিচয় হয়। এরপর থেকে তারা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় দেখা করতেন। তাদের প্রায় সময় মোবাইলে ফোনে কথা বলতে দেখা যেত। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এদিকে মুনিয়ার ফ্ল্যাট থেকে ছয়টি ডায়েরি, তার ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইস ও ওই ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটের সংগ্রহ করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডিএমপির গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নাজমুল হাসান ফিরোজ এ কথা জানিয়ে বলেন, “ওই ফ্ল্যাটে মেয়েটি একাই থাকতেন। দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে তার (মোসারাত জাহান মুনিয়া) সম্পর্ক ছিল। ওই ব্যবসায়ী মুনিয়ার ফ্ল্যাটে যাতায়াত করতেন বলেও আমরা জানতে পেরেছি। তবে আর কে কে সেখানে আসা-যাওয়া করতেন তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”