ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:

রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর গোলাগুলি, নিহত-২, আহত-১

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • / ১০৫৭ বার পড়া হয়েছে

রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর গোলাগুলি, নিহত-২, আহত-১

আতিকুর রহমান আতিকঃ

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার সেনাবাহিনীর সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর সদস্য ববিন ত্রিপুরা নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৪ জুন/২৬) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে রামগড় ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার সীমান্তবর্তী তৈকাথান (প্রেমতলা) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রবিন রামগড় উপজেলার মাজারা টিলা গ্রামের বাসিন্দা।

আহত ব্যক্তি সুনিল ত্রিপুরা রামগড় উপজেলার দাতারাম পাড়ার কমল বিকাশ ত্রিপুরা ও তিরবালা ত্রিপুরার ছেলে। আহত সুনিল ত্রিপুরা বর্তমানে সেনাবাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে সেনাবাহিনী একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করেছে বলেও জানা গেছে।

সংগঠনটির মুখপাত্র অংগ্য মারমা দাবি করেছেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে কোনো গোলাগুলি হয়নি, বরং তাদের কর্মীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।

রামগড় থানার ওসি মোঃ নাজির আলম নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফের গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল অভিযানে গেলে সশস্ত্র ব্যক্তিরা গুলি ছোড়ে, যা পরবর্তীতে গোলাগুলিতে রূপ নেয়। ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত দুর্গম এলাকায় হওয়ায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার, মর্গে পাঠানো এবং সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কাজ চলমান রয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেলসহ মংসানু মারমাকে আটক করা হয়েছে।

অপর দিকে আজ বুধবার (২৪ জুন/২৬) দুপুর ১টার দিকে দীঘিনালা উপজেলার তারাবুনিয়ার
বাবুছড়ার মুড়োপাড়া চৌমুহনী রাস্তার মোড় এলাকায় সুজন চাকমা (৪৮), নামে এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছে। তিনি সংগঠনের কালেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরীর বরাতে জানা যায়, সুজন চাকমা একটি দোকানে বসে ছিলেন, এ সময় ৫ থেকে ৭ জনের একটি সশস্ত্র দল মোটরসাইকেলে এসে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

ইউপিডিএফের সংগঠক অংগ মারমা এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জেএসএসকে দায়ী করে গোলাগুলি হিসেবে প্রচার করার বিষয়টিকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং একে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছে।

সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জেএসএস-এর দায়িত্বশীল কারো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

দৈনিক আস্থা/এসকে

ট্যাগস :

রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর গোলাগুলি, নিহত-২, আহত-১

আপডেট সময় : ০৭:১৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর গোলাগুলি, নিহত-২, আহত-১

আতিকুর রহমান আতিকঃ

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার সেনাবাহিনীর সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর সদস্য ববিন ত্রিপুরা নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৪ জুন/২৬) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে রামগড় ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার সীমান্তবর্তী তৈকাথান (প্রেমতলা) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রবিন রামগড় উপজেলার মাজারা টিলা গ্রামের বাসিন্দা।

আহত ব্যক্তি সুনিল ত্রিপুরা রামগড় উপজেলার দাতারাম পাড়ার কমল বিকাশ ত্রিপুরা ও তিরবালা ত্রিপুরার ছেলে। আহত সুনিল ত্রিপুরা বর্তমানে সেনাবাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে সেনাবাহিনী একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করেছে বলেও জানা গেছে।

সংগঠনটির মুখপাত্র অংগ্য মারমা দাবি করেছেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে কোনো গোলাগুলি হয়নি, বরং তাদের কর্মীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।

রামগড় থানার ওসি মোঃ নাজির আলম নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফের গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল অভিযানে গেলে সশস্ত্র ব্যক্তিরা গুলি ছোড়ে, যা পরবর্তীতে গোলাগুলিতে রূপ নেয়। ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত দুর্গম এলাকায় হওয়ায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার, মর্গে পাঠানো এবং সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কাজ চলমান রয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেলসহ মংসানু মারমাকে আটক করা হয়েছে।

অপর দিকে আজ বুধবার (২৪ জুন/২৬) দুপুর ১টার দিকে দীঘিনালা উপজেলার তারাবুনিয়ার
বাবুছড়ার মুড়োপাড়া চৌমুহনী রাস্তার মোড় এলাকায় সুজন চাকমা (৪৮), নামে এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছে। তিনি সংগঠনের কালেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরীর বরাতে জানা যায়, সুজন চাকমা একটি দোকানে বসে ছিলেন, এ সময় ৫ থেকে ৭ জনের একটি সশস্ত্র দল মোটরসাইকেলে এসে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

ইউপিডিএফের সংগঠক অংগ মারমা এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জেএসএসকে দায়ী করে গোলাগুলি হিসেবে প্রচার করার বিষয়টিকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং একে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছে।

সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জেএসএস-এর দায়িত্বশীল কারো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

দৈনিক আস্থা/এসকে