৭ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা-ছেলে আটক
- আপডেট সময় : ১১:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
- / ১০০৮ বার পড়া হয়েছে
নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরের বড়াইগ্রামে ৭ম শ্রেণীর এক ছাত্রী (১৪) ৫ মাসের অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়েছে। পরে ধর্ষিতার বড় ভাই থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ আজ সোমবার (২৫ মে) বাবা ও ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত বাবা শামসুল হক গাজী (৬০) ও ছেলে রড় মেস্ত্রী আরিফুল ইসলাম (৩০)। তাদের বাড়ি উপজেলার বনপাড়া পৌর শহরের মালিপাড়া পশ্চিমাংশ এলাকায়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ভুক্তভোগীর বাড়ির পাশে শামসুল হক গাজীর চা-বিস্কুটের দোকান রয়েছে। বিভিন্ন সময় বিস্কুট কিনতে আসতো ওই ছাত্রী। এতে তার নজর পড়ে মেয়েটির ওপর। খেয়াল রাখতো কখন মেয়েটিকে বাড়িতে একা পাওয়া যাবে। এক পর্যায়ে ফাঁকা বাড়িতে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে জানালে গলা টিপে মেরে ফেলবে বলে ভয় দেখায়।
অপরদিকে বাবার অবর্তমানে মাঝে-মধ্যে ছেলে আরিফুল ইসলাম চা-বিস্কুটের দোকান চালাতো। সুযোগ বুঝে সেও ফাঁকা বাড়িতে মেয়েটিকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আর এভাবেই প্রায়ই বাবা ও ছেলের দ্বারা সে ধর্ষণের শিকার হতো। এক পর্যায়ে শরীরে পরিবর্তন দেখে মেয়েটির মা ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে জানতে পারে সে গর্ভবতী।
পরবর্তীতে বাড়িতে এসে বিস্তারিত বললে স্থানীয় গ্রাম প্রধানরা বৃহস্পতিবার রাতে শালিসে বসে ১০ লক্ষ টাকা কাবিননামা ও ৪ শতাংশ জমি লিখে দেওয়ার বিনিময়ে ছেলে আরিফুল ইসলামের সাথে ধর্ষণের শিকার অন্তঃস্বত্তা মেয়েটির বিয়ে দেয়। তবে এই বিয়ে শরিয়ত ও আইন মতে নয় বলে জানতে পেরে ভুক্তভোগীর বড়ভাই বাদী হয়ে শনিবার রাতে বড়াইগ্রাম থানায় বাবা-ছেলেকে আসামী করে মামলা দায়ের করে।
বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালাম বলেন, ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও অন্তঃস্বত্তার ঘটনায় মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্ত বাবা ও ছেলেকে আটক করে সোমবার নাটোর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়েছে।
দৈনিক আস্থা/এমএইচ



















