আগামীকাল কাপ্তাইয়ে এসডিজি গ্রাম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ১০:৩১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
- / ১০১৮ বার পড়া হয়েছে
আগামীকাল কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি ‘এসডিজি ভিলেজ’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।উ দ্বোধন ঘিরে উৎসবের আমেজ মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামে; উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের আশায় স্থানীয়রা।
স্টাফ রিপোর্টারঃ
আগামীকাল সোমবার (১০ আগস্ট) রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ১ নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জানা গেছে, আগামীকাল সকাল ১১টায় চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সারাদেশের তিনটি গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি ছাড়াও খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রাম রয়েছে।
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে। এটিও ১ নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে অবস্থিত। অনুষ্ঠানকে ঘিরে সাজসজ্জা ও ইন্টারনেট সংযোগসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামের বাসিন্দা মোঃ নুর কবির, আব্দুল মতিন, সুইহ্লা প্রু মারমা, অংচেপ্রু মারমা ও কাকলি দাশ বলেন, ‘আমরা খুবই আনন্দিত। বাংলাদেশের মাত্র তিনটি গ্রামের মধ্যে আমাদের গ্রামকে এসডিজি ভিলেজ হিসেবে উদ্বোধনের জন্য নির্বাচিত করায় আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গ্রামের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আমরা আশা করছি।’
কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন বলেন, ‘সমগ্র বাংলাদেশের তিনটি গ্রামের মধ্যে কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামকে এসডিজি ভিলেজ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নির্বাচিত করা আমাদের জন্য গৌরবের বিষয়। আমরা ব্যক্তিগতভাবে এবং রাঙামাটি জেলা বিএনপি ও কাপ্তাই উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ হতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
এদিকে উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)-এর ১৭টি লক্ষ্যের আলোকে মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামে দারিদ্র্য হ্রাস, জলাবদ্ধতা নিরসন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানো, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন, নারীর ক্ষমতায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার, পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ, কৃষি ও জীবিকার উন্নয়ন এবং ডিজিটাল সেবা ও প্রযুক্তির ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে
দৈনিক আস্থা/এমএইচ



















