ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরফান ও তার বডিগার্ড রিমান্ড শেষে কারাগারে

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২০
  • / ১১৪৩ বার পড়া হয়েছে

নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বহিষ্কৃত কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম মো. জিয়াউর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে একই মামলায় দুদিনের রিমান্ড শেষে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই মবিনুল হক তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন খারিজ করে রফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত ১ নভেম্বর তাদের দুজনের দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর আগে একই মামলায় গত ২৮ অক্টোবর আদালত তাদের দুজনকে ৩ দিন করে রিমান্ডে দিয়েছিলেন।

গত ২৬ অক্টোবর সকালে সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিম, তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর, রোববার রাতে এমপি হাজী সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে এ ঘটনা ঘটে। রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোরে হাজী সেলিমের ছেলে ইরফানসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরে দুপুরে ইরফানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

এদিকে অবৈধ ওয়াকিটকি রাখার দায়ে ছয় মাস ও বিদেশি মাদক রাখার দায়ে ছয় মাস করে মোট এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে। নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর এবং বাড়ি তল্লাশির পর র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত একবছরের কারাদণ্ড দেয়ায় ইরফানকে কাউন্সিলরের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

ইরফান ও তার বডিগার্ড রিমান্ড শেষে কারাগারে

আপডেট সময় : ০৭:০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২০

নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বহিষ্কৃত কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম মো. জিয়াউর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে একই মামলায় দুদিনের রিমান্ড শেষে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই মবিনুল হক তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন খারিজ করে রফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত ১ নভেম্বর তাদের দুজনের দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর আগে একই মামলায় গত ২৮ অক্টোবর আদালত তাদের দুজনকে ৩ দিন করে রিমান্ডে দিয়েছিলেন।

গত ২৬ অক্টোবর সকালে সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিম, তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর, রোববার রাতে এমপি হাজী সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে এ ঘটনা ঘটে। রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোরে হাজী সেলিমের ছেলে ইরফানসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরে দুপুরে ইরফানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

এদিকে অবৈধ ওয়াকিটকি রাখার দায়ে ছয় মাস ও বিদেশি মাদক রাখার দায়ে ছয় মাস করে মোট এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে। নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর এবং বাড়ি তল্লাশির পর র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত একবছরের কারাদণ্ড দেয়ায় ইরফানকে কাউন্সিলরের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।