ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের গুলি বিনিময় Logo চীনে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প পুতিন ও শি Logo হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পক্ষেই যুক্তরাষ্ট্র: বোরহান কবীর Logo ফুলবাড়ীতে বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ Logo পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির সাক্ষাৎ Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচার ও জহিরুলের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে শ্রীপুরে মানববন্ধন Logo পুঠিয়ায় সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ মাদ্রাসার দুই ছাত্র Logo ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল Logo চার বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি হাইকোর্টের নির্দেশ Logo ইটের বদলে আসছে ব্লক

কুড়িগ্রামে টানা বৃষ্টিতে দ-নদীর পানি বৃদ্ধি; বন্যা আতংক

News Editor
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই ২০২১
  • / ১০৯৯ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামে টানা বৃষ্টিতে দ-নদীর পানি বৃদ্ধি; বন্যা আতংক

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ ভারি বৃষ্টিপাতে বিপর্যস্ত কুড়িগ্রামের জনজীবন। টানা বর্ষণে বিপাকে পড়েছেন খেটে-খাওয়া ও নিম্নআয়ের মানুষ। এদিকে এ বৃষ্টিপাতে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলাসহ প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিলুপ্ত সিটমহল দাসিয়ার ছড়া মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া গঙ্গা নদীর পানিও বেড়েই চলেছে। চলছে মাছ মারার ধুম।

নতুন পানিতে দেশি মাছ গুলো যেমন আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছে তেমনি ভাবে নতুন পানিতে মাছ ধরে মজা পাচ্ছেন এলাকাবাসী। রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অফিস সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত ৯৪ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জানা যায়, সোমবার (২৮ জুন) থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিপাত ভারি বর্ষণে রুপ নেয়, যা বুধবার পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

এছাড়া পানি জমেছে জেলা শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায়। সরেজমিন দেখা যায়, জেলাজুড়ে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। একদিকে চলমান সীমিত লকডাউনে যাত্রী সঙ্কট আর অন্যদিকে বৃষ্টিপাতে অসহায় হয়েছে পড়েছেন রিকশা ও ভ্যানচালকরা। জেলা সদরের পাঁচগাছি ইউনিয়নের রিকশাচালক মজিবর বলেন, দুদিন থেকে বৃষ্টির জন্য বের হতে পারছিলাম না। কিন্তু ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়ে আজ বৃষ্টি উপেক্ষা করেই বেড়িয়ে পড়েছি।

তবে লকডাউন ও ভারি বৃষ্টির ফলে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করে একটা যাত্রীরও দেখা পেলাম না। কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার ভ্যানচালক বৃদ্ধ বানছের আলী বলেন, ‘গতকাল থেকে অসুস্থ আমি। তবুও বৃষ্টির মধ্যে ভ্যান গাড়িতে মালামাল পরিবহন করছি। কাজ না করলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষ জানায়, ভারি বৃষ্টিপাতে বুধবার থেকে ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে ১৯ সে.মি. ও ব্রহ্মপুত্রের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ৩০ সে.মি. ও চিলমারী পয়েন্টে পানি ২৬ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়েছে।

[irp]

ট্যাগস :

কুড়িগ্রামে টানা বৃষ্টিতে দ-নদীর পানি বৃদ্ধি; বন্যা আতংক

আপডেট সময় : ১০:১৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই ২০২১

কুড়িগ্রামে টানা বৃষ্টিতে দ-নদীর পানি বৃদ্ধি; বন্যা আতংক

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ ভারি বৃষ্টিপাতে বিপর্যস্ত কুড়িগ্রামের জনজীবন। টানা বর্ষণে বিপাকে পড়েছেন খেটে-খাওয়া ও নিম্নআয়ের মানুষ। এদিকে এ বৃষ্টিপাতে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলাসহ প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিলুপ্ত সিটমহল দাসিয়ার ছড়া মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া গঙ্গা নদীর পানিও বেড়েই চলেছে। চলছে মাছ মারার ধুম।

নতুন পানিতে দেশি মাছ গুলো যেমন আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছে তেমনি ভাবে নতুন পানিতে মাছ ধরে মজা পাচ্ছেন এলাকাবাসী। রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অফিস সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত ৯৪ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জানা যায়, সোমবার (২৮ জুন) থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিপাত ভারি বর্ষণে রুপ নেয়, যা বুধবার পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

এছাড়া পানি জমেছে জেলা শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায়। সরেজমিন দেখা যায়, জেলাজুড়ে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। একদিকে চলমান সীমিত লকডাউনে যাত্রী সঙ্কট আর অন্যদিকে বৃষ্টিপাতে অসহায় হয়েছে পড়েছেন রিকশা ও ভ্যানচালকরা। জেলা সদরের পাঁচগাছি ইউনিয়নের রিকশাচালক মজিবর বলেন, দুদিন থেকে বৃষ্টির জন্য বের হতে পারছিলাম না। কিন্তু ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়ে আজ বৃষ্টি উপেক্ষা করেই বেড়িয়ে পড়েছি।

তবে লকডাউন ও ভারি বৃষ্টির ফলে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করে একটা যাত্রীরও দেখা পেলাম না। কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার ভ্যানচালক বৃদ্ধ বানছের আলী বলেন, ‘গতকাল থেকে অসুস্থ আমি। তবুও বৃষ্টির মধ্যে ভ্যান গাড়িতে মালামাল পরিবহন করছি। কাজ না করলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষ জানায়, ভারি বৃষ্টিপাতে বুধবার থেকে ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে ১৯ সে.মি. ও ব্রহ্মপুত্রের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ৩০ সে.মি. ও চিলমারী পয়েন্টে পানি ২৬ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়েছে।

[irp]