ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু Logo হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

চতুর্থ দফা বন্যায় পানির নিতে আমন ধান

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১২৬ বার পড়া হয়েছে

বোরহান উদ্দিন,দেওয়ানগঞ্জ  প্রতিনিধিঃ  জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চতুর্থ দফা বন্যায়  ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দফায় দফায় বন্যায় উপজেলায় বিলীন হয়ে গেছে ফসলি জমি। অধিকাংশ জমিই পানির নিচে।

বন্যার এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য কৃষকেরা বাহির থেকে চারা ক্রয় করে এবং বীজতলা তৈরী করে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। বন্যা পরবর্তী সময়ে জমিতে রোপা আমন ধানের চারা রোপণ করে আশার আলো দেখতে কৃষকেরা।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে  জিঞ্জিরাম ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সাথে সাথেই শত শত রোপা আমন ধানের জমি  পানির নিচে তলিয়ে গেছে। দফায় দফায় বন্যায়  পরও কৃষক  বাম্পার ফলনের আশা করছিল। কিন্তু চতুর্থ দফা বন্যা শুরু পর সে আসা ভেসে গেছে।

আরও পড়ুনঃস্থগিত হল বার কাউন্সিলের লিখিত পরীক্ষা

এ ব্যাপারে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবদুর রহমান নান্নু সাংবাদিকদের জানান, “যে অনুপাতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে পানির  স্থায়িত্ব যদি বেশি দিন থাকে তাহলে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। “

তিনি আরও বলেন, “বন্যা পরবর্তী রবি মৌসুমের ফসল গুলো সঠিকভাবে কৃষকদের চাষ করতে হবে। বন্যা পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা যাতে করে কৃষি পুনর্বাসন পায় সে জন্য সরকারের প্রতি সুদৃষ্টি কামনা করছি।”

ট্যাগস :

চতুর্থ দফা বন্যায় পানির নিতে আমন ধান

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

বোরহান উদ্দিন,দেওয়ানগঞ্জ  প্রতিনিধিঃ  জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চতুর্থ দফা বন্যায়  ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দফায় দফায় বন্যায় উপজেলায় বিলীন হয়ে গেছে ফসলি জমি। অধিকাংশ জমিই পানির নিচে।

বন্যার এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য কৃষকেরা বাহির থেকে চারা ক্রয় করে এবং বীজতলা তৈরী করে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। বন্যা পরবর্তী সময়ে জমিতে রোপা আমন ধানের চারা রোপণ করে আশার আলো দেখতে কৃষকেরা।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে  জিঞ্জিরাম ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সাথে সাথেই শত শত রোপা আমন ধানের জমি  পানির নিচে তলিয়ে গেছে। দফায় দফায় বন্যায়  পরও কৃষক  বাম্পার ফলনের আশা করছিল। কিন্তু চতুর্থ দফা বন্যা শুরু পর সে আসা ভেসে গেছে।

আরও পড়ুনঃস্থগিত হল বার কাউন্সিলের লিখিত পরীক্ষা

এ ব্যাপারে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবদুর রহমান নান্নু সাংবাদিকদের জানান, “যে অনুপাতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে পানির  স্থায়িত্ব যদি বেশি দিন থাকে তাহলে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। “

তিনি আরও বলেন, “বন্যা পরবর্তী রবি মৌসুমের ফসল গুলো সঠিকভাবে কৃষকদের চাষ করতে হবে। বন্যা পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা যাতে করে কৃষি পুনর্বাসন পায় সে জন্য সরকারের প্রতি সুদৃষ্টি কামনা করছি।”