ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জুন ২০২৩
  • / ১১৩০ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ

মামুনুর রশীদ/ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে কিশোরী ধর্ষণের দায়ে মিলন খান (৩২) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি স্বপন পাল।

 

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ হাফিজুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি মিলন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে পুলিশ প্রহরায় জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের দৈবকনন্দনপুর গ্রামের বাসিন্দা।

এজাহার থেকে জানা গেছে, এক কিশোরীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন মিলন। কিশোরী নাবালিকা হওয়ায় বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দিলে মিলন কিশোরীকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন তার পরিবারকে। ২০১১ সালের ২ অক্টোবর সন্ধ্যায় ওই কিশোরী পুকুরে পানি আনতে গেলে মিলন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে অন্য জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন।

 

ওই ঘটনায় ২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর বোয়ালমারী থানায় মিলন খানসহ চারজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন কিশোরীর বাবা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক মোঃ আতিয়ার রহমান ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর মিলনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

ট্যাগস :

ফরিদপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ

আপডেট সময় : ০৯:২৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জুন ২০২৩

ফরিদপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ

মামুনুর রশীদ/ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে কিশোরী ধর্ষণের দায়ে মিলন খান (৩২) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি স্বপন পাল।

 

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ হাফিজুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি মিলন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে পুলিশ প্রহরায় জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের দৈবকনন্দনপুর গ্রামের বাসিন্দা।

এজাহার থেকে জানা গেছে, এক কিশোরীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন মিলন। কিশোরী নাবালিকা হওয়ায় বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দিলে মিলন কিশোরীকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন তার পরিবারকে। ২০১১ সালের ২ অক্টোবর সন্ধ্যায় ওই কিশোরী পুকুরে পানি আনতে গেলে মিলন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে অন্য জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন।

 

ওই ঘটনায় ২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর বোয়ালমারী থানায় মিলন খানসহ চারজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন কিশোরীর বাবা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক মোঃ আতিয়ার রহমান ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর মিলনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।