ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo রাঙামাটিতে ব্রাশ ফায়ারে ইউপিডিএফ নেতা নিহত: ২ বোন গুলিবিদ্ধ Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু

বন্যায় প্লাবিত চার জেলা, চরম দুর্ভোগে মানুষ

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০১:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • / ১১০৮ বার পড়া হয়েছে

যমুনা, ধলেশ্বরীর পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে টাঙ্গাইল, গাইবান্ধা, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন অঞ্চল। পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগে দিন পার করছেন লাখ লাখ মানুষ। রয়েছে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার এবং বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট। এ অবস্থায় সরকারি সহয়তা চান বানভাসিরা।

টাঙ্গাইল সদরসহ ৬টি উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় হুহু করে লোকালয়ে ঢুকছে পানি। সড়ক ছাপিয়ে তলিয়ে গেছে ঘরবাড়িও। দেখে বোঝার উপায় নেই কোনটি রাস্তা আর কোনটি নদী। হাঁটু পানি মাড়িয়ে আর নৌকায় কোরে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ডুবে আছে ঘরবাড়ি আর ফসলি জমি। এ অবস্থায় ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন বন্যা দুর্গতরা।

বানভাসি এক ব্যক্তি বলেন, ফসলের মাঠ তো দূরে থাক, রাস্তাঘাটেও পানি উঠে গেছে। তলিয়ে গেছে বাড়ি। কামাই রোজগার নাই। খুব কষ্টে আছি।

অপর এক ব্যক্তি বলেন, আমরা আটকে গেছি। শহরের যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নাই। যেখানে যাচ্ছি সবখানে নৌকায়। সব কিছুতে খুব অসুবিধায় আছি।

যমুনার উপচে পড়া পানিতে দিশেহারা বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা এবং ধুনট উপজেলাবাসী। ঘরবাড়ি নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিচ্ছেন অনেকে। ভোগান্তির যেন শেষ নেই বানভাসিদের। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এসব উপজেলার ৯০ হাজার হেক্টর জমির মাশকালাই এবং রোপা আমনের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে।

বন্যার বানিতে বাড়ি ডুবে যাওয়া ব্যক্তি বলেন, গত ৮ দিন ধরে বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছি। কোনো কাজ নেই। আয়ও নেই। বাড়ি ডুবে গেছে, এবার না খেয়ে মরতে হবে।

এছাড়া সিরাজগঞ্জেও বন্যার পানিতে কোণঠাসা মানুষ। ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ায় গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে তারা। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় যাতায়াতের জন্য নৌকাই একমাত্র ভরসা এখন তাদের।
[irp]

বন্যায় প্লাবিত চার জেলা, চরম দুর্ভোগে মানুষ

আপডেট সময় : ০১:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২১

যমুনা, ধলেশ্বরীর পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে টাঙ্গাইল, গাইবান্ধা, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন অঞ্চল। পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগে দিন পার করছেন লাখ লাখ মানুষ। রয়েছে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার এবং বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট। এ অবস্থায় সরকারি সহয়তা চান বানভাসিরা।

টাঙ্গাইল সদরসহ ৬টি উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় হুহু করে লোকালয়ে ঢুকছে পানি। সড়ক ছাপিয়ে তলিয়ে গেছে ঘরবাড়িও। দেখে বোঝার উপায় নেই কোনটি রাস্তা আর কোনটি নদী। হাঁটু পানি মাড়িয়ে আর নৌকায় কোরে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ডুবে আছে ঘরবাড়ি আর ফসলি জমি। এ অবস্থায় ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন বন্যা দুর্গতরা।

বানভাসি এক ব্যক্তি বলেন, ফসলের মাঠ তো দূরে থাক, রাস্তাঘাটেও পানি উঠে গেছে। তলিয়ে গেছে বাড়ি। কামাই রোজগার নাই। খুব কষ্টে আছি।

অপর এক ব্যক্তি বলেন, আমরা আটকে গেছি। শহরের যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নাই। যেখানে যাচ্ছি সবখানে নৌকায়। সব কিছুতে খুব অসুবিধায় আছি।

যমুনার উপচে পড়া পানিতে দিশেহারা বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা এবং ধুনট উপজেলাবাসী। ঘরবাড়ি নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিচ্ছেন অনেকে। ভোগান্তির যেন শেষ নেই বানভাসিদের। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এসব উপজেলার ৯০ হাজার হেক্টর জমির মাশকালাই এবং রোপা আমনের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে।

বন্যার বানিতে বাড়ি ডুবে যাওয়া ব্যক্তি বলেন, গত ৮ দিন ধরে বাঁধের ওপর আশ্রয় নিয়েছি। কোনো কাজ নেই। আয়ও নেই। বাড়ি ডুবে গেছে, এবার না খেয়ে মরতে হবে।

এছাড়া সিরাজগঞ্জেও বন্যার পানিতে কোণঠাসা মানুষ। ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ায় গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে তারা। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় যাতায়াতের জন্য নৌকাই একমাত্র ভরসা এখন তাদের।
[irp]