ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫ অগাস্টের পর মুক্তি পাওয়া কে এই বোমারু মামুন? তিন

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১২:০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৯৯৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

তবে ভাড়া নেওয়ার পর ছয় দিনে তাকে দিনের বেলায় তেমন দেখা যায়নি। অনেকটা গোপনে তিনি বড় জেরিক্যান ভর্তি করে এসিটোন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইডসহ আরও কিছু রাসায়নিক বাসায় জমা করে ছিলেন। যেগুলো দিয়ে টিএটিপি (ট্রাই এসিটোন ট্রাই পারঅক্সাইড) নামে এক ধরনের বিস্ফোরক বানানো হইতেছিল।

সিটিটিসির একজন কর্মকর্তা বলেন, “গত ডিসেম্বরে কেরানীগঞ্জের মাদ্রসায় বিস্ফোরণের পর আমরা একইরকম টিএটিপি পেয়েছিলাম। এক্সপ্লোসিভ হিসেবে টিএটিপি খুবই ফ্রেজাইল (অনিরাপদ)। এটা উচ্চ চাপ, তাপ কীংবা শব্দেও বিস্ফোরিত হয়–এমন নজির রয়েছে।”

হোটেল ওলিও’ মামলায় খালাস যেভাবে:-

হোটেল ওলিও মামলায় ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর উত্তরা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে সময় বলা হয়েছিল তিনি নব্য জেএমবির ‘শুরা সদস্য’।

এর আগে ২০১৭ সালের ১৫ অগাস্ট সকালে পান্থপথের হোটেল ওলিওতে একটি ‘জঙ্গিবিরোধী অভিযানের’ তথ্য জানায় ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিটিসি)। তখন বলা হয়েছিল, ১৫ অগাস্ট শোক দিবসের অনুষ্ঠানে নাশকতার জন্য ধানমণ্ডি ৩২ থেকে কিলোমিটারখানেক দূরে হোটেল ওলিওতে বোমা নিয়ে অবস্থান করছেন একজন ‘জঙ্গি’।

তাকে ধরতে অভিযান চালানোর সময় তিনি সেই বোমার আত্মঘাতি বিস্ফোরণ ঘটান। তাতে ওই ‘উগ্রবাদী’ তরুণ নিহত হন।

সাভারের শ্যামপুরে অভিযান চালিয়ে এই পাইপ বোমা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

বিস্ফোরণের হোটেল ভবনের দেওয়াল ধসে পড়ে। পরে পুলিশ জানায়, নিহত ওই তরুণের নাম সাইফুল ইসলাম।

এই ঘটনায় কলাবাগান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা করে পুলিশ। দুই বছর তদন্ত শেষে পুলিশ ১৩ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

আদালতে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে ৯ জন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

পরে গত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল হালিম এ মামলার ১১ আসামিকেই খালাস দেন।

তারা হলেন- নাজমুল হাসান মামুন, তাজরিম খানম, নও মুসলিম আবদুল্লাহ, মোঃ কামরুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আইচান, আকরাম হোসেন খান, তারেক মোহাম্মদ আদনান, তানভীর ইয়াছির করিম, সাদিয়া হোসনা, আবুল কাশেম ফকির, হুমায়রা জাকির নাবিলা।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

৫ অগাস্টের পর মুক্তি পাওয়া কে এই বোমারু মামুন? তিন

আপডেট সময় : ১২:০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ

তবে ভাড়া নেওয়ার পর ছয় দিনে তাকে দিনের বেলায় তেমন দেখা যায়নি। অনেকটা গোপনে তিনি বড় জেরিক্যান ভর্তি করে এসিটোন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইডসহ আরও কিছু রাসায়নিক বাসায় জমা করে ছিলেন। যেগুলো দিয়ে টিএটিপি (ট্রাই এসিটোন ট্রাই পারঅক্সাইড) নামে এক ধরনের বিস্ফোরক বানানো হইতেছিল।

সিটিটিসির একজন কর্মকর্তা বলেন, “গত ডিসেম্বরে কেরানীগঞ্জের মাদ্রসায় বিস্ফোরণের পর আমরা একইরকম টিএটিপি পেয়েছিলাম। এক্সপ্লোসিভ হিসেবে টিএটিপি খুবই ফ্রেজাইল (অনিরাপদ)। এটা উচ্চ চাপ, তাপ কীংবা শব্দেও বিস্ফোরিত হয়–এমন নজির রয়েছে।”

হোটেল ওলিও’ মামলায় খালাস যেভাবে:-

হোটেল ওলিও মামলায় ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর উত্তরা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে সময় বলা হয়েছিল তিনি নব্য জেএমবির ‘শুরা সদস্য’।

এর আগে ২০১৭ সালের ১৫ অগাস্ট সকালে পান্থপথের হোটেল ওলিওতে একটি ‘জঙ্গিবিরোধী অভিযানের’ তথ্য জানায় ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিটিসি)। তখন বলা হয়েছিল, ১৫ অগাস্ট শোক দিবসের অনুষ্ঠানে নাশকতার জন্য ধানমণ্ডি ৩২ থেকে কিলোমিটারখানেক দূরে হোটেল ওলিওতে বোমা নিয়ে অবস্থান করছেন একজন ‘জঙ্গি’।

তাকে ধরতে অভিযান চালানোর সময় তিনি সেই বোমার আত্মঘাতি বিস্ফোরণ ঘটান। তাতে ওই ‘উগ্রবাদী’ তরুণ নিহত হন।

সাভারের শ্যামপুরে অভিযান চালিয়ে এই পাইপ বোমা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

বিস্ফোরণের হোটেল ভবনের দেওয়াল ধসে পড়ে। পরে পুলিশ জানায়, নিহত ওই তরুণের নাম সাইফুল ইসলাম।

এই ঘটনায় কলাবাগান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা করে পুলিশ। দুই বছর তদন্ত শেষে পুলিশ ১৩ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

আদালতে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে ৯ জন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

পরে গত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল হালিম এ মামলার ১১ আসামিকেই খালাস দেন।

তারা হলেন- নাজমুল হাসান মামুন, তাজরিম খানম, নও মুসলিম আবদুল্লাহ, মোঃ কামরুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আইচান, আকরাম হোসেন খান, তারেক মোহাম্মদ আদনান, তানভীর ইয়াছির করিম, সাদিয়া হোসনা, আবুল কাশেম ফকির, হুমায়রা জাকির নাবিলা।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ