ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫ অগাস্টের পর মুক্তি পাওয়া কে এই বোমারু মামুন? চার

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১২:০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১০০০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মামলা তদন্তের সময় পুলিশ বলেছিল, এরা সবাই আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসপন্থি উগ্রবাদী। তখনকার পুলিশ কর্মকর্তারা এ সংগঠনকে বলতেন ‘নব্য জেএমবি’।

মামলার অভিযোগপত্রেও তাদের নিষিদ্ধ সংগঠন নব্য জেএমবির সদস্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল।

তবে তাদের খালাসের রায়ে বলা হয়, “আসামিপক্ষের আইনজীবী ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ২৬৫ (এইচ) ধারায় একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। মামলার শুনানিতে তিনি বলেন যে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে রাজনৈতিক কারণে অহেতুক মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত অভিযান চালায় পুলিশ।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দেখা যায়, সরকারবিরোধী কর্মসূচি আহ্বান ও পালনে ক্ষমতাসীনেরা বাধা দেয় এবং মামলা দিয়ে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে চায়। আলোচ্য মামলার ক্ষেত্রে এমনটি হয়েছে বলে আদালত দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।

“আসামিপক্ষের বক্তব্য এবং সার্বিক বিবেচনায় মামলা হতে ১১ আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হল।”

পুলিশ বলছে, সাভার থেকে সোমবার আটক আরিফও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জঙ্গি মামলায় আটক হয়ে কাশিমপুর হাই ‍সিকিউরিটি কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের অগাস্টের পট পরিবর্তনের পর সেপ্টেম্বর মাসে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

আরিফের আস্তানা:-

সিটিটিসির কর্মকর্তারা বলছেন, আশুলিয়ার চারাবাগ এলাকায় মামুন-আরিফদের একটি আস্তানা ছিল। চারাবাগের একটি চায়ের দোকানে গত ৩০ জুলাই রাতে প্রেশার কুকার বোমা ফেলে যাওয়ার পর তাদের নতুন আস্তানার প্রয়োজন হয়।

এরপর তারা সাভারের শ্যামপুরের ওই বাসা ভাড়া নিয়ে বোমা তৈরির সরঞ্জামগুলো সরিয়ে নিয়ে যায়।

আশুলিয়ার চারাবাগ ও সাভারের শ্যামপুর পোশাক শিল্প অধ্যুষিত এলাকা। পোশাক শ্রমিকদের এসব আবাসিক এলাকায় জঙ্গিদের আস্তানা গড়ার প্রবণতার কথা এর আগেও জানিয়েছিল পুলিশ।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

৫ অগাস্টের পর মুক্তি পাওয়া কে এই বোমারু মামুন? চার

আপডেট সময় : ১২:০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মামলা তদন্তের সময় পুলিশ বলেছিল, এরা সবাই আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসপন্থি উগ্রবাদী। তখনকার পুলিশ কর্মকর্তারা এ সংগঠনকে বলতেন ‘নব্য জেএমবি’।

মামলার অভিযোগপত্রেও তাদের নিষিদ্ধ সংগঠন নব্য জেএমবির সদস্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল।

তবে তাদের খালাসের রায়ে বলা হয়, “আসামিপক্ষের আইনজীবী ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ২৬৫ (এইচ) ধারায় একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। মামলার শুনানিতে তিনি বলেন যে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে রাজনৈতিক কারণে অহেতুক মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত অভিযান চালায় পুলিশ।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দেখা যায়, সরকারবিরোধী কর্মসূচি আহ্বান ও পালনে ক্ষমতাসীনেরা বাধা দেয় এবং মামলা দিয়ে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে চায়। আলোচ্য মামলার ক্ষেত্রে এমনটি হয়েছে বলে আদালত দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।

“আসামিপক্ষের বক্তব্য এবং সার্বিক বিবেচনায় মামলা হতে ১১ আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হল।”

পুলিশ বলছে, সাভার থেকে সোমবার আটক আরিফও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জঙ্গি মামলায় আটক হয়ে কাশিমপুর হাই ‍সিকিউরিটি কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের অগাস্টের পট পরিবর্তনের পর সেপ্টেম্বর মাসে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

আরিফের আস্তানা:-

সিটিটিসির কর্মকর্তারা বলছেন, আশুলিয়ার চারাবাগ এলাকায় মামুন-আরিফদের একটি আস্তানা ছিল। চারাবাগের একটি চায়ের দোকানে গত ৩০ জুলাই রাতে প্রেশার কুকার বোমা ফেলে যাওয়ার পর তাদের নতুন আস্তানার প্রয়োজন হয়।

এরপর তারা সাভারের শ্যামপুরের ওই বাসা ভাড়া নিয়ে বোমা তৈরির সরঞ্জামগুলো সরিয়ে নিয়ে যায়।

আশুলিয়ার চারাবাগ ও সাভারের শ্যামপুর পোশাক শিল্প অধ্যুষিত এলাকা। পোশাক শ্রমিকদের এসব আবাসিক এলাকায় জঙ্গিদের আস্তানা গড়ার প্রবণতার কথা এর আগেও জানিয়েছিল পুলিশ।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ