ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo রাঙামাটিতে ব্রাশ ফায়ারে ইউপিডিএফ নেতা নিহত: ২ বোন গুলিবিদ্ধ Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু

নাগোর্নো-কারাবাখ যুদ্ধে পাঁচ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে: পুতিন

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৯:৫২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১১৩ বার পড়া হয়েছে

বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে গত এক মাসের সংঘর্ষে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি শুক্রবার মস্কোয় এক বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন।  এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার পক্ষ থেকে যেসব তথ্য জানানো হয়েছে তার চেয়ে পুতিনের ঘোষিত এ সংখ্যা অনেক বেশি।  খবর বিবিসির।

পুতিন বলেন, উভয় দেশের বহু মানুষ এ সংঘর্ষে নিহত হয়েছে, প্রত্যেক দেশ থেকে দুই হাজারের বেশি করে মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। দুদেশে  পাঁচ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

পুতিনের এ ঘোষণার আগে নিহতের সংখ্যা কখনো এক হাজার অতিক্রম করেনি।  এর আগে আর্মেনিয়া জানিয়েছে, সংঘর্ষে তাদের ৮৭৪ জন সেনা ও ৩৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।

অন্যদিকে আজারবাইজান জানিয়েছে তাদের পক্ষে ৬১ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। তবে বাকু তাদের নিহত সেনা সংখ্যা ঘোষণা করেনি।

পুতিন বলেন, তিনি প্রতিদিন কয়েকবার দু’দেশের সঙ্গে সংঘাত বন্ধের উপায় নিয়ে কথা বলছেন এবং এ সংঘর্ষে কোনো পক্ষকে তার দেশ সমর্থন দেবে না।

দেশবাসীকে বার্তা দিলেন আত্মসমর্পণকারী আর্মেনীয় মেজর

আর্মেনিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার সামরিক চুক্তি থাকার পাশাপাশি দেশটিতে রাশিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। অন্যদিকে আজারবাইজানের সঙ্গেও রাশিয়া ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রক্ষা করে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই দেশ এ পর্যন্ত দুই বার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তা ভেঙে গেছে।

আন্তর্জাতিকভাবে অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু ১৯৯০ এর দশকে সেখানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে আর্মেনিয়া। দখলীকৃত এলাকা থেকে বহু আজারি নাগরিককে বিতাড়িত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

নাগোর্নো-কারাবাখ যুদ্ধে পাঁচ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে: পুতিন

আপডেট সময় : ০৯:৫২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০

বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে গত এক মাসের সংঘর্ষে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি শুক্রবার মস্কোয় এক বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন।  এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার পক্ষ থেকে যেসব তথ্য জানানো হয়েছে তার চেয়ে পুতিনের ঘোষিত এ সংখ্যা অনেক বেশি।  খবর বিবিসির।

পুতিন বলেন, উভয় দেশের বহু মানুষ এ সংঘর্ষে নিহত হয়েছে, প্রত্যেক দেশ থেকে দুই হাজারের বেশি করে মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। দুদেশে  পাঁচ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

পুতিনের এ ঘোষণার আগে নিহতের সংখ্যা কখনো এক হাজার অতিক্রম করেনি।  এর আগে আর্মেনিয়া জানিয়েছে, সংঘর্ষে তাদের ৮৭৪ জন সেনা ও ৩৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।

অন্যদিকে আজারবাইজান জানিয়েছে তাদের পক্ষে ৬১ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। তবে বাকু তাদের নিহত সেনা সংখ্যা ঘোষণা করেনি।

পুতিন বলেন, তিনি প্রতিদিন কয়েকবার দু’দেশের সঙ্গে সংঘাত বন্ধের উপায় নিয়ে কথা বলছেন এবং এ সংঘর্ষে কোনো পক্ষকে তার দেশ সমর্থন দেবে না।

দেশবাসীকে বার্তা দিলেন আত্মসমর্পণকারী আর্মেনীয় মেজর

আর্মেনিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার সামরিক চুক্তি থাকার পাশাপাশি দেশটিতে রাশিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। অন্যদিকে আজারবাইজানের সঙ্গেও রাশিয়া ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রক্ষা করে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই দেশ এ পর্যন্ত দুই বার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তা ভেঙে গেছে।

আন্তর্জাতিকভাবে অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু ১৯৯০ এর দশকে সেখানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে আর্মেনিয়া। দখলীকৃত এলাকা থেকে বহু আজারি নাগরিককে বিতাড়িত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।