ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে অবৈধ কাঠ আটক করেছে বিজিবি Logo পানছড়িতে সেনাবাহিনীর মতবিনিময়, উপহার ও চিকিৎসা সেবা প্রদান Logo কিশোরগঞ্জে রওজা মনি হত্যার বিচার দাবিতে গ্রামবাসীর মানববন্ধন Logo ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে রেজাউল করিম খান চুন্নুর সমর্থকদের গণমিছিল Logo পানছড়িতে শিক্ষার্থীর হাতে ওয়াদুদ ভূঁইয়া ফাউন্ডেশনের অনুদান তুলে দিলো স্বেচ্ছা সেবক দল Logo পানছড়িতে অসহায়, গরীব ও দুস্থের মাঝে ৩ বিজিবির মানবিক সহায়তা বিতরণ Logo সীমান্ত কার্যক্রম নিয়ে প্রেস বিফ্রিং করেছে পানছড়ি বিজিবি Logo শেখ হাসিনার প্লট দুর্নীতির মামলায় রায় ঘোষণা আজ Logo মধ্যরাতে বঙ্গোপসাগরে ভূমিকম্প, কাঁপল টেকনাফ Logo গিনি-বিসাউয়ে ক্ষমতা দখল করল সেনাবাহিনী, প্রেসিডেন্ট গ্রেপ্তার

প্রেসিডেন্টস কাপের শিরোপা জিতলেন মাহমুদউল্লাহরা

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১০০ বার পড়া হয়েছে

নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দলকে হারিয়ে প্রেসিডেন্টস কাপের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন একাদশ। নাজমুল-মুশফিকদের সহজেই হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছেন মাহমুদউল্লাহরা।

আজ রবিবার দুপুরে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ম্যাচের প্রথম ওভারেই রুবেলের বলে একটা বাউন্ডারি মারার পর আউট হয়ে বিদায় নেয় ওপেনার সাইফ হাসান। প্রথম উইকেট যাওয়ার পর মাঠে আসে ক্যাপ্টেন নাজমুল।

সৌম্য কে নিয়ে পার্টনারশিপ গড়ার চেষ্টা করেন তিনি।
কিন্তু চোখের সমস্যার কারনে খেলতে অসুবিধা হচ্ছিল তার, শেষ পর্যন্ত রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। পরে অবশ্য আবার ব্যাট করতে আসেন তিনি কিন্তু রান করতে পারেনি। সুমন খানের বলে আউট হয়ে বিদায় নেয়।

দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পরে যায় নাজমুল একাদশ।ফর্মে থাকা মুশফিকও এসেও দলের হাল ধরতে পারেনি। আফিফ কোন রান না করেই আউট হয়ে ফিরলে এক সময় স্কোর হয় ৫ উইকেটে ৬৫ রান।
সেখান থেকে তৌহিদ হৃদয় ও ইরফান শুক্কুর ভালো একটা পার্টনারশিপ করে।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালে শেষ পর্যন্ত তারা অল আউট হয়ে যায় ১৭৩ রানে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করে ইরফান শুক্কুর। মাহমুদুল্লাহ একাদশের হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট শিকার করে সুমন খান ও ২ উইকেট নেন রুবেল হোসেন।

১৭৪ রানে টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৮ রানে দলের প্রথম উইকেট হারায় মাহমুদুল্লাহ একাদশ। আল আমিনের বলে ৪ রান করে ফিরে আসেন মমিনুল হক। অপর প্রান্তে রান আসছিলো লিটন দাসের ব্যাট থেকে। নাসুম আহমেদের বলে ব্যক্তিগত ১৮ রান করে মাহমুদুল হাসান জয় ফিরলেও অপর প্রান্তে লিটনের ব্যাটে রানের ফোয়ারা ছুটছিল, তখন দলের রান ছিল ৬৬ রান।


মাহমুদুল্লাহ একাদশ তৃতীয় উইকেট হারায় দলীয় ১২৯ রানের সময়। ৬৯ বলে ৬৮ রান করে ফিরে আসে লিটন, যদিও দলের জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে আসেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত মাহমুদুল্লাহর ১১ বলে ২৩ ও ইমরুল কায়েসের ৫৫ বলে ৫৩ রানে ভর করে ৭ উইকেটে জিতে যায় মাহমুদুল্লাহ একাদশ।৫৩ রানের ইনিংসে ৬ টা ছয় মারেন ইমরুল কায়েস। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৮ রান করে ওপেনার লিটন দাস।

অসাধারণ বোলিং করা সুমন খান শেষ পর্যন্ত ম্যাচ সেরা পুরষ্কার পায় ও টুর্নামেন্ট সেরা পুরষ্কার পান মুশফিকুর রহিম।

হতাশায় খেলা ছেড়ে পাক ক্রিকেটে নতুন দায়িত্ব নিলেন সালমান বাট

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ফল: ৭ উইকেটে জয়ী মাহমুদউল্লাহ একাদশ। নাজমুল একাদশ:১৭৩ (৪৭.১ ওভার) (সাইফ হাসান ৪, সৌম্য ৫, শান্ত ৩২, মুশফিক ১২, আফিফ ০, হৃদয় ২৬, ইরফান ৭৫, নাঈম হাসান ৭, নাসুম ৩, তাসকিন ১, আল-আমিন ২*; রুবেল ২/২৭, সুমন ৫/৩৮, ইবাদত ১/১৮, মিরাজ ১/৩৯, আমিনুল ০/২১, মাহমুদল্লাহ ১/২৮)। মাহমুদউল্লাহ একাদশ:১৭৭/৩ (২৯.৪ ওভার) (লিটন ৬৮, মুমিনুল ৪, মাহমুদুল ১৮, ইমরুল ৫৩*, মাহমুদউল্লাহ ২৩*; তাসকিন ০/৪৫, আল-আমিন হোসেন ১/৩২, নাসুম ২/৪৮, আবু জায়েদ ০/৭, নাঈম হাসান ০/৪৪)। ম্যাচ সেরা: সুমন খান (মাহমুদউল্লাহ একাদশ)।

প্রেসিডেন্টস কাপের শিরোপা জিতলেন মাহমুদউল্লাহরা

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০

নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দলকে হারিয়ে প্রেসিডেন্টস কাপের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন একাদশ। নাজমুল-মুশফিকদের সহজেই হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছেন মাহমুদউল্লাহরা।

আজ রবিবার দুপুরে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ম্যাচের প্রথম ওভারেই রুবেলের বলে একটা বাউন্ডারি মারার পর আউট হয়ে বিদায় নেয় ওপেনার সাইফ হাসান। প্রথম উইকেট যাওয়ার পর মাঠে আসে ক্যাপ্টেন নাজমুল।

সৌম্য কে নিয়ে পার্টনারশিপ গড়ার চেষ্টা করেন তিনি।
কিন্তু চোখের সমস্যার কারনে খেলতে অসুবিধা হচ্ছিল তার, শেষ পর্যন্ত রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। পরে অবশ্য আবার ব্যাট করতে আসেন তিনি কিন্তু রান করতে পারেনি। সুমন খানের বলে আউট হয়ে বিদায় নেয়।

দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পরে যায় নাজমুল একাদশ।ফর্মে থাকা মুশফিকও এসেও দলের হাল ধরতে পারেনি। আফিফ কোন রান না করেই আউট হয়ে ফিরলে এক সময় স্কোর হয় ৫ উইকেটে ৬৫ রান।
সেখান থেকে তৌহিদ হৃদয় ও ইরফান শুক্কুর ভালো একটা পার্টনারশিপ করে।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালে শেষ পর্যন্ত তারা অল আউট হয়ে যায় ১৭৩ রানে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করে ইরফান শুক্কুর। মাহমুদুল্লাহ একাদশের হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট শিকার করে সুমন খান ও ২ উইকেট নেন রুবেল হোসেন।

১৭৪ রানে টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৮ রানে দলের প্রথম উইকেট হারায় মাহমুদুল্লাহ একাদশ। আল আমিনের বলে ৪ রান করে ফিরে আসেন মমিনুল হক। অপর প্রান্তে রান আসছিলো লিটন দাসের ব্যাট থেকে। নাসুম আহমেদের বলে ব্যক্তিগত ১৮ রান করে মাহমুদুল হাসান জয় ফিরলেও অপর প্রান্তে লিটনের ব্যাটে রানের ফোয়ারা ছুটছিল, তখন দলের রান ছিল ৬৬ রান।


মাহমুদুল্লাহ একাদশ তৃতীয় উইকেট হারায় দলীয় ১২৯ রানের সময়। ৬৯ বলে ৬৮ রান করে ফিরে আসে লিটন, যদিও দলের জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে আসেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত মাহমুদুল্লাহর ১১ বলে ২৩ ও ইমরুল কায়েসের ৫৫ বলে ৫৩ রানে ভর করে ৭ উইকেটে জিতে যায় মাহমুদুল্লাহ একাদশ।৫৩ রানের ইনিংসে ৬ টা ছয় মারেন ইমরুল কায়েস। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৮ রান করে ওপেনার লিটন দাস।

অসাধারণ বোলিং করা সুমন খান শেষ পর্যন্ত ম্যাচ সেরা পুরষ্কার পায় ও টুর্নামেন্ট সেরা পুরষ্কার পান মুশফিকুর রহিম।

হতাশায় খেলা ছেড়ে পাক ক্রিকেটে নতুন দায়িত্ব নিলেন সালমান বাট

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ফল: ৭ উইকেটে জয়ী মাহমুদউল্লাহ একাদশ। নাজমুল একাদশ:১৭৩ (৪৭.১ ওভার) (সাইফ হাসান ৪, সৌম্য ৫, শান্ত ৩২, মুশফিক ১২, আফিফ ০, হৃদয় ২৬, ইরফান ৭৫, নাঈম হাসান ৭, নাসুম ৩, তাসকিন ১, আল-আমিন ২*; রুবেল ২/২৭, সুমন ৫/৩৮, ইবাদত ১/১৮, মিরাজ ১/৩৯, আমিনুল ০/২১, মাহমুদল্লাহ ১/২৮)। মাহমুদউল্লাহ একাদশ:১৭৭/৩ (২৯.৪ ওভার) (লিটন ৬৮, মুমিনুল ৪, মাহমুদুল ১৮, ইমরুল ৫৩*, মাহমুদউল্লাহ ২৩*; তাসকিন ০/৪৫, আল-আমিন হোসেন ১/৩২, নাসুম ২/৪৮, আবু জায়েদ ০/৭, নাঈম হাসান ০/৪৪)। ম্যাচ সেরা: সুমন খান (মাহমুদউল্লাহ একাদশ)।