ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর মৌচাকে ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / ১০০৪ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মৌচাকে ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যা

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছ:

রাজধানীর মৌচাক এলাকাতে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যা করার খবর পাওয়া গেছে। আজ সোমবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে মৌচাক আনারকলি মার্কেটের সামনের গলি দিয়ে যাওয়ার সময় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত বিলাল হোসেন মালিবাগ বাগানবাড়ির ৫১২ নম্বর বাসার বাসিন্দা এবং মৃত ইউসুফ তালুকদারের ছেলে।

স্বজনরা জানান, রমনা থানা যুবদলের নেতা লুৎফুরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র দল তার পথরোধ করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে বুকের ডান পাশে আঘাত করে। বিলাল হোসেন মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর রাত ৯টা ২০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

​হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালের এএসআই শরিফুল ইসলাম বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত লুৎফুর ও তার সহযোগীরা পলাতক রয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের আটক করতে অভিযান চলছে।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

রাজধানীর মৌচাকে ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যা

আপডেট সময় : ১০:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

রাজধানীর মৌচাকে ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যা

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছ:

রাজধানীর মৌচাক এলাকাতে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যা করার খবর পাওয়া গেছে। আজ সোমবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে মৌচাক আনারকলি মার্কেটের সামনের গলি দিয়ে যাওয়ার সময় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত বিলাল হোসেন মালিবাগ বাগানবাড়ির ৫১২ নম্বর বাসার বাসিন্দা এবং মৃত ইউসুফ তালুকদারের ছেলে।

স্বজনরা জানান, রমনা থানা যুবদলের নেতা লুৎফুরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র দল তার পথরোধ করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে বুকের ডান পাশে আঘাত করে। বিলাল হোসেন মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর রাত ৯টা ২০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

​হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালের এএসআই শরিফুল ইসলাম বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত লুৎফুর ও তার সহযোগীরা পলাতক রয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের আটক করতে অভিযান চলছে।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ