ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইন্টারনেট বন্ধ, তবুও বিক্ষোভে উত্তাল মিয়ানমার

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৭:০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / ১০৭৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারে গত সোমবার দেশটির সরকার অং সান সু চিকে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা দখল করে নেয় সেনাবাহিনী। সেই সঙ্গে অনেক আইনপ্রণেতাসহ উচ্চপদস্থ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। দেশটিতে সামরিক সরকারের অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনে কয়েক হাজার মানুষ সমাবেশ করেছে। সামরিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটাই প্রথম কোনো বড় বিক্ষোভ।

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করে জনগণের সমাবেশ বন্ধের চেষ্টার পরও শনিবার জনগণের এই প্রতিবাদ থামানো যায়নি। এছাড়াও ইতোমধ্যে দেশটিতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে সামরিক সরকার।

শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানায়, ইয়াঙ্গুনের সড়কে বিক্ষোভকারীরা ‘সামরিক স্বৈরশাসকের পতন চাই, গণতন্ত্রের জয় চাই’-ধ্বনিতে স্লোগান দিচ্ছেন। বিক্ষোভে সামরিক সরকার দ্বারা আটক নেত্রী অং সান সু চির মুক্তির দাবি তোলা হয়। এসময় বিক্ষোভ সামলানোর জন্য শহরের মূল সড়কগুলো বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

গত সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের কয়েকদিন পরই সকল প্রকার সোশ্যাল মিডিয়া পরিষেবা বন্ধ করে। অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা রোধে গুরুত্বপূর্ণ শহরের রাস্তায় সেনাবাহিনী অবস্থান নেয়। এছাড়াও দেশজুড়ে আগামী এক বছরের জন্য ঘোষণা করা হয় ‘জরুরি অবস্থা’।

ট্যাগস :

ইন্টারনেট বন্ধ, তবুও বিক্ষোভে উত্তাল মিয়ানমার

আপডেট সময় : ০৭:০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারে গত সোমবার দেশটির সরকার অং সান সু চিকে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা দখল করে নেয় সেনাবাহিনী। সেই সঙ্গে অনেক আইনপ্রণেতাসহ উচ্চপদস্থ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। দেশটিতে সামরিক সরকারের অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনে কয়েক হাজার মানুষ সমাবেশ করেছে। সামরিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটাই প্রথম কোনো বড় বিক্ষোভ।

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করে জনগণের সমাবেশ বন্ধের চেষ্টার পরও শনিবার জনগণের এই প্রতিবাদ থামানো যায়নি। এছাড়াও ইতোমধ্যে দেশটিতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে সামরিক সরকার।

শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানায়, ইয়াঙ্গুনের সড়কে বিক্ষোভকারীরা ‘সামরিক স্বৈরশাসকের পতন চাই, গণতন্ত্রের জয় চাই’-ধ্বনিতে স্লোগান দিচ্ছেন। বিক্ষোভে সামরিক সরকার দ্বারা আটক নেত্রী অং সান সু চির মুক্তির দাবি তোলা হয়। এসময় বিক্ষোভ সামলানোর জন্য শহরের মূল সড়কগুলো বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

গত সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের কয়েকদিন পরই সকল প্রকার সোশ্যাল মিডিয়া পরিষেবা বন্ধ করে। অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা রোধে গুরুত্বপূর্ণ শহরের রাস্তায় সেনাবাহিনী অবস্থান নেয়। এছাড়াও দেশজুড়ে আগামী এক বছরের জন্য ঘোষণা করা হয় ‘জরুরি অবস্থা’।