ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা ও মেয়ের মৃত্যু

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:০১:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৮৩৫ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা ও মেয়ের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নারায়ণগ‌ঞ্জ জেলার ফতুল্লায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৭ টার দিকে ফতুল্লা থানার শিয়াচর বড় বাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ফতুল্লা থানার শিয়াচর বড়বাড়ী এলাকার আমির হোসেনের স্ত্রী রোকছানা (৫০) ও মেয়ে লামিয়া (২২)।

স্থানীয়রা জানায়, বাড়ির পিছনে জমে থাকা পানি সেচের জন্য মোটর লাগা‌নো হ‌লে রাতে নিজ ঘরের বিদ্যুৎ দিয়ে সেই মোটর চালু করতে যায় রোকছানা বেগম। এ সময় মোটরে হাত দেয়া মাত্র বিদ্যুতায়িত হন তিনি।

বিষয়টি বুজতে পেরে মাকে বাচাঁতে এগিয়ে আসে মেয়ে লামিয়া। তখন সেও বিদ্যুতায়িত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে শহরের খানপুর ৩০০ শয‌্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মা-মেয়ের মরদেহ খানপুর হাসপাতালে রয়েছে।

ট্যাগস :

নারায়ণগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা ও মেয়ের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১০:০১:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

নারায়ণগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা ও মেয়ের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নারায়ণগ‌ঞ্জ জেলার ফতুল্লায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৭ টার দিকে ফতুল্লা থানার শিয়াচর বড় বাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ফতুল্লা থানার শিয়াচর বড়বাড়ী এলাকার আমির হোসেনের স্ত্রী রোকছানা (৫০) ও মেয়ে লামিয়া (২২)।

স্থানীয়রা জানায়, বাড়ির পিছনে জমে থাকা পানি সেচের জন্য মোটর লাগা‌নো হ‌লে রাতে নিজ ঘরের বিদ্যুৎ দিয়ে সেই মোটর চালু করতে যায় রোকছানা বেগম। এ সময় মোটরে হাত দেয়া মাত্র বিদ্যুতায়িত হন তিনি।

বিষয়টি বুজতে পেরে মাকে বাচাঁতে এগিয়ে আসে মেয়ে লামিয়া। তখন সেও বিদ্যুতায়িত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে শহরের খানপুর ৩০০ শয‌্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মা-মেয়ের মরদেহ খানপুর হাসপাতালে রয়েছে।