ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৪২০ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর পাইকারি বাজারে ডিমের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে প্রতি ডজনে ৫ টাকা বেড়েছে। তবে ফার্মের মুরগির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। সবজির বাজারও নিয়ন্ত্রণের বাইরে, অধিকাংশ তরিতরকারির দাম ৮০ টাকার ওপরে।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, সেনপাড়া, শ্যাওড়াপাড়া, মালিবাগ ও টাউনহল বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

সবজির বাজার

বাজারে প্রতি কেজি ৮০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র দু-তিন ধরনের সবজি। এর মধ্যে পটোল, চিচিঙ্গা ও কচুরমুখী মিলছে ৬০ টাকায়। অন্যদিকে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০–১৬০ টাকা, শিম ১৮০–২০০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৮০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, টমেটো ১০০–১২০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, দেশি শসা ৮০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০–১০০ টাকা এবং বরবটি ৮০–১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কলার হালি ৪০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা এবং বড় লাউ ৭০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫–৩০ টাকা কেজি, আর চায়না গাজর ১০০ টাকা কেজি।

শাকের মধ্যে লাল শাক ২০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিম ও মুরগির বাজার

লাল ফার্মের ডিম এক ডজন ১৪৫ টাকা, সাদা ফার্মের ১৪০ টাকা, হাঁসের ডিম এক ডজন ২২০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম হালি ১১০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০–১৯০ টাকা, সোনালি কক ৩২০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ২৯০ টাকা, লাল লেয়ার ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৯০–৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার

বাজারে এক কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২,৫০০ টাকায়। ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১,৫০০–১,৮০০ টাকা, আর ৪০০–৫০০ গ্রামের ইলিশ ৮০০–১,০০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। চাষের চিংড়ি বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭৫০–৮০০ টাকা কেজি, নদীর চিংড়ি ১,০০০–১,২০০ টাকায়। অন্য সময়ের তুলনায় এসবের দাম কেজিতে ৫০–২০০ টাকা বেশি।

এছাড়া দেশি শিং মাছ ৬০০–৭০০ টাকা, চাষের শিং মাছ ৪০০–৪৫০ টাকা কেজি। চাষের রুই, কাতলা ৩৫০–৪২০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০–২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২০০–২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা আগের চেয়ে ২০–৫০ টাকা বেশি।

মাংসের বাজার

গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৮০–৮০০ টাকা, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০–৪০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১,২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আলু-পেঁয়াজ-মসলা

ক্রস জাতের পেঁয়াজ আকারভেদে ৭০–৭৫ টাকা, ছোট পেঁয়াজ ৬০ টাকা, বড় পেঁয়াজ ৭০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৭০–৮০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। লাল আলু ২৫ টাকা, সাদা আলু ২০ টাকা এবং বগুড়ার আলু ৩৫–৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেশি রসুন ১০০–১২০ টাকা, চায়না রসুন ১৪০–১৫০ টাকা, চায়না আদা ২০০ টাকা এবং ভারতীয় আদা ১৬০–১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার

প্রতি কেজি স্বর্ণা ও পাইজাম পাইকারিতে ৫৫–৬০ টাকা, ব্রি-২৮ চাল ৬০–৬৫ টাকা। মিনি কাটার চাল ৮৫–৯২ টাকা, নাজিরশাইল ৮৪–৯০ টাকা এবং পোলাও চাল ১৩০–১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা

আপডেট সময় : ১১:২৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজধানীর পাইকারি বাজারে ডিমের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে প্রতি ডজনে ৫ টাকা বেড়েছে। তবে ফার্মের মুরগির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। সবজির বাজারও নিয়ন্ত্রণের বাইরে, অধিকাংশ তরিতরকারির দাম ৮০ টাকার ওপরে।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, সেনপাড়া, শ্যাওড়াপাড়া, মালিবাগ ও টাউনহল বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

সবজির বাজার

বাজারে প্রতি কেজি ৮০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র দু-তিন ধরনের সবজি। এর মধ্যে পটোল, চিচিঙ্গা ও কচুরমুখী মিলছে ৬০ টাকায়। অন্যদিকে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০–১৬০ টাকা, শিম ১৮০–২০০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৮০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, টমেটো ১০০–১২০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, দেশি শসা ৮০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০–১০০ টাকা এবং বরবটি ৮০–১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কলার হালি ৪০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা এবং বড় লাউ ৭০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫–৩০ টাকা কেজি, আর চায়না গাজর ১০০ টাকা কেজি।

শাকের মধ্যে লাল শাক ২০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিম ও মুরগির বাজার

লাল ফার্মের ডিম এক ডজন ১৪৫ টাকা, সাদা ফার্মের ১৪০ টাকা, হাঁসের ডিম এক ডজন ২২০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম হালি ১১০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০–১৯০ টাকা, সোনালি কক ৩২০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ২৯০ টাকা, লাল লেয়ার ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৯০–৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার

বাজারে এক কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২,৫০০ টাকায়। ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১,৫০০–১,৮০০ টাকা, আর ৪০০–৫০০ গ্রামের ইলিশ ৮০০–১,০০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। চাষের চিংড়ি বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭৫০–৮০০ টাকা কেজি, নদীর চিংড়ি ১,০০০–১,২০০ টাকায়। অন্য সময়ের তুলনায় এসবের দাম কেজিতে ৫০–২০০ টাকা বেশি।

এছাড়া দেশি শিং মাছ ৬০০–৭০০ টাকা, চাষের শিং মাছ ৪০০–৪৫০ টাকা কেজি। চাষের রুই, কাতলা ৩৫০–৪২০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০–২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২০০–২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা আগের চেয়ে ২০–৫০ টাকা বেশি।

মাংসের বাজার

গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৮০–৮০০ টাকা, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০–৪০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১,২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আলু-পেঁয়াজ-মসলা

ক্রস জাতের পেঁয়াজ আকারভেদে ৭০–৭৫ টাকা, ছোট পেঁয়াজ ৬০ টাকা, বড় পেঁয়াজ ৭০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৭০–৮০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। লাল আলু ২৫ টাকা, সাদা আলু ২০ টাকা এবং বগুড়ার আলু ৩৫–৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেশি রসুন ১০০–১২০ টাকা, চায়না রসুন ১৪০–১৫০ টাকা, চায়না আদা ২০০ টাকা এবং ভারতীয় আদা ১৬০–১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার

প্রতি কেজি স্বর্ণা ও পাইজাম পাইকারিতে ৫৫–৬০ টাকা, ব্রি-২৮ চাল ৬০–৬৫ টাকা। মিনি কাটার চাল ৮৫–৯২ টাকা, নাজিরশাইল ৮৪–৯০ টাকা এবং পোলাও চাল ১৩০–১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।