ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:

চট্টগ্রামে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, এ পর্যন্ত নিহত ১১

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০১:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • / ১০০৭ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

চট্টগ্রামে বন্যা সার্বিক পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।  এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ১১জন আর  আহত হয়েছেন ১২জন। প্রশাসনের সাথে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় বন্যাদুর্গত বিভিন্ন উপজেলায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে  সেনাবাহিনীও।

প্রশাসন ও ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন বলেছে, প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় তৈরী বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে বৃষ্টি কমার কারণে কোথাও কোথাও কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

এবারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ উপজেলা। এর মধ্যে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় প্রায় ৫০ শতাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ। একই সাথে কৃষির, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-রিচালক আপ্রু মারমা জানিয়েছেন, এবারের বন্যায় আউশ নষ্ট হয়েছে ৯,০৪৩ হেক্টর, আমন বীজতলা ৯৬০ হেক্টর এবং গ্রীষ্মকালীন সবজি নষ্ট হয়েছে ৫,৯০৭ হেক্টর।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মাসুদুল আলম জানান, ১৭৬ ইউনিয়নের ৭ লাখ ৫৯ হাজার লোক পানিবন্দি। এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ১১ জন এবং আহত হয়েছেন ১২জন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, ১৫ উপজেলায় ৪০কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলমগীর জানালেন, প্রায় ২৮কোটি টাকার প্রাণী সম্পদ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

এদিকে সাঙ্গু ও ডলুনদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার অনেক রাস্তা–ঘাট এখন পানির নিচে তলিয়ে আছে।

 

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

চট্টগ্রামে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, এ পর্যন্ত নিহত ১১

আপডেট সময় : ০১:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ

চট্টগ্রামে বন্যা সার্বিক পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।  এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ১১জন আর  আহত হয়েছেন ১২জন। প্রশাসনের সাথে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় বন্যাদুর্গত বিভিন্ন উপজেলায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে  সেনাবাহিনীও।

প্রশাসন ও ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন বলেছে, প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় তৈরী বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে বৃষ্টি কমার কারণে কোথাও কোথাও কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

এবারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ উপজেলা। এর মধ্যে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় প্রায় ৫০ শতাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ। একই সাথে কৃষির, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-রিচালক আপ্রু মারমা জানিয়েছেন, এবারের বন্যায় আউশ নষ্ট হয়েছে ৯,০৪৩ হেক্টর, আমন বীজতলা ৯৬০ হেক্টর এবং গ্রীষ্মকালীন সবজি নষ্ট হয়েছে ৫,৯০৭ হেক্টর।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মাসুদুল আলম জানান, ১৭৬ ইউনিয়নের ৭ লাখ ৫৯ হাজার লোক পানিবন্দি। এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ১১ জন এবং আহত হয়েছেন ১২জন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, ১৫ উপজেলায় ৪০কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলমগীর জানালেন, প্রায় ২৮কোটি টাকার প্রাণী সম্পদ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

এদিকে সাঙ্গু ও ডলুনদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার অনেক রাস্তা–ঘাট এখন পানির নিচে তলিয়ে আছে।

 

দৈনিক আস্থা/এমএইচ