পরিচয় মিলেছে তালাবদ্ধ ঘরে তিন লাশে
- আপডেট সময় : ০৩:৩৯:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১০০৪ বার পড়া হয়েছে
পরিচয় মিলেছে তালাবদ্ধ ঘরে তিন লাশে
স্টাফ রিপোর্টারঃ
সাভারের আশুলিয়ায় মধ্য জামগড়া এলাকায় হাজী হযরত আলীর চারতলা আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে স্বামী-স্ত্রী (পরিচয়) ও গর্ভের অপরিপক্ক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন, দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার পলাশবাড়ী এলাকার আলমগীর হোসেন ওরফে আলম (৪২) ও বড় মাগুড়া পাকপাড়া এলাকার আতি রহমানের মেয়ে নাজমা আক্তার (৩৩) ও গর্ভের ভ্রূণ (৫-৬ মাস বয়সী) শিশু।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত তিন দিন ধরে কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। শুক্রবার ওই কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করলে আশপাশের ভাড়াটিয়াদের সন্দেহ হয়।
পরে দুর্গন্ধের তীব্রতা বাড়তে থাকায় ভবনের মালিক ও কয়েকজন ভাড়াটিয়া মিলে কক্ষটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় খাটের ওপর স্বামী-স্ত্রী ও (৫-৬ মাস বয়সী গর্ভের ভ্রূণ) মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে।
নিহত নাজমা আক্তারের বোন শাপলা বেগম বলেন, ‘আমরা দুই বোন জামগড়ায় একই কারখানায় কাজ করি। গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় ছুটির পর বোনের সঙ্গে শেষ দেখা হয়। এরপর মোবাইলে কল করলে তা বন্ধ পাই।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার বোনকে নলি টিপে মেরে ফেলেছে। পেটের বাচ্চাসহ তাকে মারধর ও খোঁচানো হয়েছে। বাচ্চাটিও বের হয়ে গেছে। দুজনকেই হত্যা করা হয়েছে।’
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, গত মাসের ৯ তারিখে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওই নারী ও পুরুষ বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নাজমা আক্তার স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। আর আলমগীর হোসেন ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন এলাকায় সিগারেট বিক্রি করতেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার আগে, ঘটনার সময় অথবা ঘটনার পর যেকোনো সময় ওই নারীর গর্ভের ভ্রূণ প্রসব হয়ে গেছে। ঘটনাস্থলের বিভিন্ন আলামত ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আস্থা/এমএইচ

















