ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবমেরিন ড্রোনটি আটক স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১১:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১০০৩ বার পড়া হয়েছে

সাবমেরিন ড্রোনটি আটক স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে ইরানের হাতে আটক মার্কিন সাবমেরিন ড্রোনটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিকল হয়ে পড়েছিল বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, ড্রোনটি পুরোনো মডেলের এবং এতে সংবেদনশীল কোনো তথ্য বা গোপন সামরিক সরঞ্জামও ছিল না।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, এর আগে হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে মার্কিন চালকবিহীন ওই সাবমেরিন ড্রোনটি আটক করার কথা জানায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তারা মার্কিন সাবমেরিন ড্রোনটিকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত দাবি করে ছবিও প্রকাশ করে। এই ঘটনাটি সামরিক অভিযানে পানির নিচে চালকবিহীন ডুবোযান ব্যবহারের বিরল চিত্রও সামনে এনেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আটককৃত মার্কিন সাবমেরিন ড্রোনটি ‘ডাইভ-এলডি’ মডেলের। এটি ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিলের তৈরি একটি বড় আকারের স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান। ১৯ ফুট (৫ দশমিক ৮ মিটার) দীর্ঘ এই সাবমেরিন ড্রোনটি মাইন শনাক্ত ও অপসারণ, সমুদ্রের তলদেশের মানচিত্র তৈরি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং পানির নিচের কেবল ও পাইপলাইনের মতো অবকাঠামো পরিদর্শনসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক মুখপাত্র বলেছেন, (যুক্তরাষ্ট্রের) একটি চালকবিহীন ডুবোযান এক দিনেরও বেশি সময় আগে বিকল হয়ে পড়েছিল। তিনি বলেন, ‘চলমান অভিযানের সহায়তায় এটি ওই অঞ্চলের জলসীমা পর্যবেক্ষণ করছিল। বিকল হয়ে যাওয়া ডুবোযানটি পুরোনো মডেলের। এতে সংবেদনশীল কোনো তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা নেই এবং এতে সংবেদনশীল কোনো তথ্য ও সোনার বা রাডার সরঞ্জামও ছিল না।’

ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিলও তাদের একটি ডুবোযান হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি ঘটনাটিকে ছোটখাটো বিষয় হিসেবে দেখিয়েছে।

রয়টার্স বলছে, নাবিকদের ঝুঁকিতে না ফেলে সমুদ্রের বিশাল এলাকা পর্যবেক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং শত্রুপক্ষের জাহাজ ও সাবমেরিনের গতিবিধি শনাক্তের তুলনামূলক কম খরচের উপায় হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী পানির নিচে ও পানির ওপর চলাচলকারী চালকবিহীন নৌযানসহ বিভিন্ন ধরনের চালকবিহীন নৌব্যবস্থায় ব্যাপক বিনিয়োগ করছে।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

সাবমেরিন ড্রোনটি আটক স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ১১:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাবমেরিন ড্রোনটি আটক স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে ইরানের হাতে আটক মার্কিন সাবমেরিন ড্রোনটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিকল হয়ে পড়েছিল বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, ড্রোনটি পুরোনো মডেলের এবং এতে সংবেদনশীল কোনো তথ্য বা গোপন সামরিক সরঞ্জামও ছিল না।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, এর আগে হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে মার্কিন চালকবিহীন ওই সাবমেরিন ড্রোনটি আটক করার কথা জানায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তারা মার্কিন সাবমেরিন ড্রোনটিকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত দাবি করে ছবিও প্রকাশ করে। এই ঘটনাটি সামরিক অভিযানে পানির নিচে চালকবিহীন ডুবোযান ব্যবহারের বিরল চিত্রও সামনে এনেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আটককৃত মার্কিন সাবমেরিন ড্রোনটি ‘ডাইভ-এলডি’ মডেলের। এটি ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিলের তৈরি একটি বড় আকারের স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান। ১৯ ফুট (৫ দশমিক ৮ মিটার) দীর্ঘ এই সাবমেরিন ড্রোনটি মাইন শনাক্ত ও অপসারণ, সমুদ্রের তলদেশের মানচিত্র তৈরি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং পানির নিচের কেবল ও পাইপলাইনের মতো অবকাঠামো পরিদর্শনসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক মুখপাত্র বলেছেন, (যুক্তরাষ্ট্রের) একটি চালকবিহীন ডুবোযান এক দিনেরও বেশি সময় আগে বিকল হয়ে পড়েছিল। তিনি বলেন, ‘চলমান অভিযানের সহায়তায় এটি ওই অঞ্চলের জলসীমা পর্যবেক্ষণ করছিল। বিকল হয়ে যাওয়া ডুবোযানটি পুরোনো মডেলের। এতে সংবেদনশীল কোনো তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা নেই এবং এতে সংবেদনশীল কোনো তথ্য ও সোনার বা রাডার সরঞ্জামও ছিল না।’

ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিলও তাদের একটি ডুবোযান হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি ঘটনাটিকে ছোটখাটো বিষয় হিসেবে দেখিয়েছে।

রয়টার্স বলছে, নাবিকদের ঝুঁকিতে না ফেলে সমুদ্রের বিশাল এলাকা পর্যবেক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং শত্রুপক্ষের জাহাজ ও সাবমেরিনের গতিবিধি শনাক্তের তুলনামূলক কম খরচের উপায় হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী পানির নিচে ও পানির ওপর চলাচলকারী চালকবিহীন নৌযানসহ বিভিন্ন ধরনের চালকবিহীন নৌব্যবস্থায় ব্যাপক বিনিয়োগ করছে।

আস্থা/এমএইচ