ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুর দুই বছর পরের ঘটনায় বিস্ফোরক মামলার আসামি যুবলীগ নেতা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১১:৪৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৯৯৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিস্ফোরক ও সহিংসতার অভিযোগে করা মামলায় ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে প্রায় দুই বছর আগে মারা যাওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি শামীম মাহবুবকেও আসামি করা হয়েছে। মামলায় ৬৪ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১শ ৮০ থেকে ২শ জনকে আসামি করে এই মামলা করা হয়েছে।

মামলায় তার নাম থাকায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। মৃত শামীম মাহবুব উপজেলার তারাব পৌরসভার রূপসীবাগ এলাকার হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার ছেলে।

পরিবারের দাবি, তিনি ২০২৪ সালের ১৫ নভেম্বর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। অথচ গত ১৮ সেপ্টেম্বরের একটি ঘটনায় করা মামলায় তাকে ৬০ নম্বর আসামি করা হয়েছে।রূপগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এতে নাম উল্লেখ করে ৬৪ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১শ ৮০ থেকে ২শ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রূপগঞ্জ থানার গুতিয়াব এলাকার ৩শ ফুট এক্সপ্রেসওয়ের হইয়া ব্রিজের সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ককটেল বিস্ফোরণসহ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় রায়হান, মোবারক হোসেন, সিয়াম আহমেদসহ ৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়।

পুলিশ জানায়, এ মামলায় এখন পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ২০ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। তবে মামলায় মৃত ব্যক্তিকে আসামি করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে মামলার বাদী এসআই হারুনুর রশিদ বলেন, ‘কম্পিউটারে টাইপিং মিস্টেকের কারণে নামটা ভুল এসেছে। আমরা পরে সংশোধন করেছি।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, পুলিশ মামলা নিয়েছে লোকজনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে। বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের পরে বলতে পারব।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

মৃত্যুর দুই বছর পরের ঘটনায় বিস্ফোরক মামলার আসামি যুবলীগ নেতা

আপডেট সময় : ১১:৪৭:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিস্ফোরক ও সহিংসতার অভিযোগে করা মামলায় ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে প্রায় দুই বছর আগে মারা যাওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি শামীম মাহবুবকেও আসামি করা হয়েছে। মামলায় ৬৪ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১শ ৮০ থেকে ২শ জনকে আসামি করে এই মামলা করা হয়েছে।

মামলায় তার নাম থাকায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। মৃত শামীম মাহবুব উপজেলার তারাব পৌরসভার রূপসীবাগ এলাকার হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার ছেলে।

পরিবারের দাবি, তিনি ২০২৪ সালের ১৫ নভেম্বর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। অথচ গত ১৮ সেপ্টেম্বরের একটি ঘটনায় করা মামলায় তাকে ৬০ নম্বর আসামি করা হয়েছে।রূপগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এতে নাম উল্লেখ করে ৬৪ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১শ ৮০ থেকে ২শ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রূপগঞ্জ থানার গুতিয়াব এলাকার ৩শ ফুট এক্সপ্রেসওয়ের হইয়া ব্রিজের সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ককটেল বিস্ফোরণসহ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় রায়হান, মোবারক হোসেন, সিয়াম আহমেদসহ ৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়।

পুলিশ জানায়, এ মামলায় এখন পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ২০ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। তবে মামলায় মৃত ব্যক্তিকে আসামি করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে মামলার বাদী এসআই হারুনুর রশিদ বলেন, ‘কম্পিউটারে টাইপিং মিস্টেকের কারণে নামটা ভুল এসেছে। আমরা পরে সংশোধন করেছি।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, পুলিশ মামলা নিয়েছে লোকজনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে। বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের পরে বলতে পারব।

আস্থা/এমএইচ