আটকের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
- আপডেট সময় : ০২:৪৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৯৯৮ বার পড়া হয়েছে
আটকের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
আস্থা ডেস্কঃ
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’র খসড়ায় ৫টি পরিবর্তন এনেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। যাচাই-বাছাই শেষে সংশোধিত আকারে বিলটি সংসদে পাসের সুপারিশ করেছে কমিটি।
আজ বুধবার (২ আগস্ট) জাতীয় সংসদে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বলা হয়েছে, কমিশন কর্তৃক তদন্তকালে কোনো আমলযোগ্য অপরাধের ঘটনা দেখতে পেলে এবং ওই ঘটনায় থানায় কোনো মামলা থাকলে আসামিকে আটক করে থানায় সোপর্দ করতে পারবে কমিশন। কমিশন চাইলে যেকোনো ঘটনার তদন্তও করতে পারবে। সেই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।
এ ছাড়া জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী প্রটোকলের আলোকে জাতীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাপনা ইউনিট (এনপিএম) প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই এনপিএম তার ইচ্ছেমতো যেকোনো স্থানে, বিশেষ করে আটককেন্দ্র, হাজতখানা ও সেইফ হোম পরিদর্শন করতে পারবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে না। খসড়া বিলে পূর্বানুমতির বিধান থাকায় তা নিয়ে সমালোচনা উঠেছিল।
এ ছাড়া সংসদীয় স্থায়ী কমিটি কমিশন নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন নারী ও একজন নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে রাখা বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে।
এর আগে, গত ২৭ আগস্ট আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ সংসদে উত্থাপন করেন। বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। ডেপুটি স্পিকার কমিটিকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ রহিত করে নতুন আইনি কাঠামো তৈরির উদ্দেশ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ আনা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য, নতুন আইনের মাধ্যমে কমিশনকে আরও কার্যকর ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ ও প্রতিকারের কাঠামো শক্তিশালী করা হবে।
আস্থা/এমএইচ












