ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিতে পুলিশ অবরুদ্ধ

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৬:৪২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / ১০০৬ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিতে পুলিশ অবরুদ্ধ

রানা সাত্তারঃ

চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরি থানার হাজিপাড়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকায় ৭ বছর বয়সী এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশও উত্তেজিত জনতার হাতে প্রায় দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, শিশুটির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

ডবলমুরিং থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে দুপুরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তবে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, “আমরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু বাকলিয়া এলাকার ঘটনার মতো এখানেও উত্তেজিত জনতা আমাদের ঘিরে ফেলে। প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আমরা অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে বের হতে সক্ষম হই।

ওসি আরও বলেন, পরে পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিতে পুলিশ অবরুদ্ধ

আপডেট সময় : ০৬:৪২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিতে পুলিশ অবরুদ্ধ

রানা সাত্তারঃ

চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরি থানার হাজিপাড়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকায় ৭ বছর বয়সী এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশও উত্তেজিত জনতার হাতে প্রায় দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, শিশুটির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

ডবলমুরিং থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে দুপুরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তবে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, “আমরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু বাকলিয়া এলাকার ঘটনার মতো এখানেও উত্তেজিত জনতা আমাদের ঘিরে ফেলে। প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আমরা অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে বের হতে সক্ষম হই।

ওসি আরও বলেন, পরে পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ