ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরে ভুয়া চিকিৎসকের কারাদণ্ড

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০১:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১০০৪ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরে ভুয়া চিকিৎসকের কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টারঃ

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে অন্য চিকিৎসকের প্যাড ব্যবহার করে রোগীদের প্রেসক্রিপশন দেওয়ার অভিযোগে মনোয়ার ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার রানীরবন্দর নশরতপুর বালাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেহা তুজ জোহরার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এ দণ্ড দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত মনোয়ার ইসলাম খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ি গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নশরতপুর বালাপাড়ায় চেম্বার খুলে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগী দেখতেন মনোয়ার। রোগীদের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি প্রেসক্রিপশনও লিখে দিতেন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রেসক্রিপশন দিতে তিনি ডা. রবিউল ইসলামের প্যাড ব্যবহার করতেন। বিষয়টি জানতে পেরে ডা. রবিউল ইসলাম জানান, তার নাম ও প্যাড ব্যবহার করে প্রেসক্রিপশন দেওয়া হলেও কাউকে তিনি এ ধরনের অনুমতি দেননি।

পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মনোয়ারকে আটক করে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

দিনাজপুরে ভুয়া চিকিৎসকের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দিনাজপুরে ভুয়া চিকিৎসকের কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টারঃ

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে অন্য চিকিৎসকের প্যাড ব্যবহার করে রোগীদের প্রেসক্রিপশন দেওয়ার অভিযোগে মনোয়ার ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার রানীরবন্দর নশরতপুর বালাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেহা তুজ জোহরার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এ দণ্ড দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত মনোয়ার ইসলাম খানসামা উপজেলার আলোকঝাড়ি গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নশরতপুর বালাপাড়ায় চেম্বার খুলে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগী দেখতেন মনোয়ার। রোগীদের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি প্রেসক্রিপশনও লিখে দিতেন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রেসক্রিপশন দিতে তিনি ডা. রবিউল ইসলামের প্যাড ব্যবহার করতেন। বিষয়টি জানতে পেরে ডা. রবিউল ইসলাম জানান, তার নাম ও প্যাড ব্যবহার করে প্রেসক্রিপশন দেওয়া হলেও কাউকে তিনি এ ধরনের অনুমতি দেননি।

পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মনোয়ারকে আটক করে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

আস্থা/এমএইচ