ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo রাঙামাটিতে ব্রাশ ফায়ারে ইউপিডিএফ নেতা নিহত: ২ বোন গুলিবিদ্ধ Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু

ব্রিকস সম্মেলনে শেখ হাসিনা-মোদির বৈঠক অনিশ্চিত

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০২৩
  • / ১০৮৯ বার পড়া হয়েছে

ব্রিকস সম্মেলনে শেখ হাসিনা-মোদির বৈঠক অনিশ্চিত

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হবে কি না, আজ সোমবারেও তা স্পষ্ট হলো না। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় কোয়াত্রা সোমবার এ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে শুধু বলেছেন, জোহানেসবার্গে বহু রাষ্ট্রীয় নেতা আসছেন। তাঁদের কার কার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে, সেই সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তাই আগেভাগে কিছু বলা যাচ্ছে না।

শুধু শেখ হাসিনাই নন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গেও নরেন্দ্র মোদির বৈঠক নিয়ে প্রবল জল্পনা রয়েছে। পররাষ্ট্রসচিব সেটা নিয়েও কিছু বলেননি। প্রধানমন্ত্রী মোদি আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে জোহানেসবার্গের উদ্দেশে রওনা হবেন। ব্রিকস সম্মেলন শেষে তিনি গ্রিস সফরে যাবেন।

ব্রিকস সম্মেলন শেষ হওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে মোদির বিশেষ আমন্ত্রণে উপস্থিত থাকবেন শেখ হাসিনা। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দুবার বৈঠকের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান প্রশ্ন। বরং আনুষ্ঠানিক আলোচনা হবে ভারতেই।

বিনয় কোয়াত্রা সোমবার এড়িয়ে যান বাংলাদেশকে ব্রিকসের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবসংক্রান্ত এক প্রশ্নও। বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতির ঘোষণা ভারত কীভাবে দেখছে, তার জবাবও তিনি দেননি। বাংলাদেশের আসন্ন সংসদীয় নির্বাচন ঘিরে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ভারত ও বাংলাদেশে বিরাট আলোচনার।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাংশের ধারণা, বাংলাদেশকে ব্রিকসের সদস্য করাতে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ চীনের। সংগঠনে চীন এভাবে তার অনুগামী ও কাছের দেশগুলোকে কাছে টেনে দল ভারী করুক, এটা ভারত চাইছে না। তাই ব্রিকসের বহর বৃদ্ধি ও বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে ভারত সতর্ক পা ফেলছে।

 

মোদির সঙ্গে হাসিনার জোহানেসবার্গে বৈঠক হবে কি না, সে বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষেও স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। হাসিনার সম্ভাব্য বৈঠক নিয়েও নির্দিষ্টভাবে কিছু বলা হচ্ছে না। কোনো কোনো মহলের ধারণা, দক্ষিণ আফ্রিকায় শেখ হাসিনার বৈঠক হলে ভারসাম্য রক্ষায় কেউ কেউ সেখানে মোদি-হাসিনার বৈঠক দেখতে আগ্রহী।

 

ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশেরই জাতীয় সংসদীয় নির্বাচন আগামী বছর। এর আগে সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে দুই প্রধানমন্ত্রী শেষ বারের মতো আনুষ্ঠানিক বৈঠকে অংশ নেবেন। বাংলাদেশের ভোট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ আগ্রহ এবং দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই বিশ্বস্ত প্রতিবেশীর সম্পর্ক এই মুহূর্তে আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। সে কারণে বেড়ে গেছে চূড়ান্ত রাজনৈতিক তৎপরতা। অধির আগ্রহে বিশ্ব অপেক্ষা করছে ভারত ও বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে।

ট্যাগস :

ব্রিকস সম্মেলনে শেখ হাসিনা-মোদির বৈঠক অনিশ্চিত

আপডেট সময় : ১০:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০২৩

ব্রিকস সম্মেলনে শেখ হাসিনা-মোদির বৈঠক অনিশ্চিত

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হবে কি না, আজ সোমবারেও তা স্পষ্ট হলো না। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় কোয়াত্রা সোমবার এ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে শুধু বলেছেন, জোহানেসবার্গে বহু রাষ্ট্রীয় নেতা আসছেন। তাঁদের কার কার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে, সেই সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তাই আগেভাগে কিছু বলা যাচ্ছে না।

শুধু শেখ হাসিনাই নন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গেও নরেন্দ্র মোদির বৈঠক নিয়ে প্রবল জল্পনা রয়েছে। পররাষ্ট্রসচিব সেটা নিয়েও কিছু বলেননি। প্রধানমন্ত্রী মোদি আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে জোহানেসবার্গের উদ্দেশে রওনা হবেন। ব্রিকস সম্মেলন শেষে তিনি গ্রিস সফরে যাবেন।

ব্রিকস সম্মেলন শেষ হওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে মোদির বিশেষ আমন্ত্রণে উপস্থিত থাকবেন শেখ হাসিনা। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দুবার বৈঠকের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান প্রশ্ন। বরং আনুষ্ঠানিক আলোচনা হবে ভারতেই।

বিনয় কোয়াত্রা সোমবার এড়িয়ে যান বাংলাদেশকে ব্রিকসের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবসংক্রান্ত এক প্রশ্নও। বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতির ঘোষণা ভারত কীভাবে দেখছে, তার জবাবও তিনি দেননি। বাংলাদেশের আসন্ন সংসদীয় নির্বাচন ঘিরে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ভারত ও বাংলাদেশে বিরাট আলোচনার।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাংশের ধারণা, বাংলাদেশকে ব্রিকসের সদস্য করাতে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ চীনের। সংগঠনে চীন এভাবে তার অনুগামী ও কাছের দেশগুলোকে কাছে টেনে দল ভারী করুক, এটা ভারত চাইছে না। তাই ব্রিকসের বহর বৃদ্ধি ও বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে ভারত সতর্ক পা ফেলছে।

 

মোদির সঙ্গে হাসিনার জোহানেসবার্গে বৈঠক হবে কি না, সে বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষেও স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। হাসিনার সম্ভাব্য বৈঠক নিয়েও নির্দিষ্টভাবে কিছু বলা হচ্ছে না। কোনো কোনো মহলের ধারণা, দক্ষিণ আফ্রিকায় শেখ হাসিনার বৈঠক হলে ভারসাম্য রক্ষায় কেউ কেউ সেখানে মোদি-হাসিনার বৈঠক দেখতে আগ্রহী।

 

ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশেরই জাতীয় সংসদীয় নির্বাচন আগামী বছর। এর আগে সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে দুই প্রধানমন্ত্রী শেষ বারের মতো আনুষ্ঠানিক বৈঠকে অংশ নেবেন। বাংলাদেশের ভোট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ আগ্রহ এবং দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই বিশ্বস্ত প্রতিবেশীর সম্পর্ক এই মুহূর্তে আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। সে কারণে বেড়ে গেছে চূড়ান্ত রাজনৈতিক তৎপরতা। অধির আগ্রহে বিশ্ব অপেক্ষা করছে ভারত ও বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে।