ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১৬৪ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিতাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত ৫ বখাটে। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

সোমবার সন্ধ্যায় গোপালপুর উপজেলায় স্থানীয় একটি বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন কলেজছাত্রী। পথে মোহনপুর ব্রিজ এলাকায় একা পেয়ে তাকে অপহরণ করে নৌকায় তুলে নেয় সাইফুল, এনামুল, খালেদ, জালাল ও আলতাফ নামে ৫ বখাটে। পরে চরের ভেতর একটি পরিত্যক্ত ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা।

ফকিরহাটে ২৪ ঘন্টার ব‍্যবধানে আবারও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোরে নির্যাতিতাকে নদীর তীরে ফেলে পালিয়ে যায় বখাটেরা। পরে অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটি বাড়িতে ফিরে আসলে, সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।

আরো পড়ুনঃ ধর্ষণের পর প্রেমিকাকে শর্ত, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করলেই বিয়ে

নির্যাতিতার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ইএমও ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের পক্ষেই বলেছে। শারীরিকভাবে আঙ্গুলে কিছু দাগ আছে।

পুলিশ বলছে, জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম বলেন, একেবারে সুনির্দিষ্টভাবে এই ব্যাপারে তদন্ত করা হবে। অভিযুক্তদের ধরা হবে। ঘটনার পর পলাতক রয়েছে অভিযুক্তরা।

টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিতাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত ৫ বখাটে। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

সোমবার সন্ধ্যায় গোপালপুর উপজেলায় স্থানীয় একটি বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন কলেজছাত্রী। পথে মোহনপুর ব্রিজ এলাকায় একা পেয়ে তাকে অপহরণ করে নৌকায় তুলে নেয় সাইফুল, এনামুল, খালেদ, জালাল ও আলতাফ নামে ৫ বখাটে। পরে চরের ভেতর একটি পরিত্যক্ত ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা।

ফকিরহাটে ২৪ ঘন্টার ব‍্যবধানে আবারও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোরে নির্যাতিতাকে নদীর তীরে ফেলে পালিয়ে যায় বখাটেরা। পরে অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটি বাড়িতে ফিরে আসলে, সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।

আরো পড়ুনঃ ধর্ষণের পর প্রেমিকাকে শর্ত, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করলেই বিয়ে

নির্যাতিতার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ইএমও ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের পক্ষেই বলেছে। শারীরিকভাবে আঙ্গুলে কিছু দাগ আছে।

পুলিশ বলছে, জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম বলেন, একেবারে সুনির্দিষ্টভাবে এই ব্যাপারে তদন্ত করা হবে। অভিযুক্তদের ধরা হবে। ঘটনার পর পলাতক রয়েছে অভিযুক্তরা।