ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo গুইমারায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo খাগড়াছড়িতে অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের দাবিতে ৪ প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন Logo মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নিয়ে মিথ্যাচার কোনোভাবেই কাম্য নয়-মাহদী Logo ১৬ মাসে ৫৬০ হয়রানি, ১১৪৪ সাংবাদিক আক্রান্ত Logo ভোলায় প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ Logo উখিয়ায় বিএনপি ছেড়ে ৫শ নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান Logo প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে তারেক রহমান: দ্য ইকোনমিস্ট Logo খাগড়াছড়ি প্রার্থীদের সাথে খাগড়াছড়িতে সেনা বাহীনির মতবিনিময় Logo খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে ৬ প্রার্থীর বৈঠকের গুঞ্জন Logo খাগড়াছড়িতে ২০৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮৫টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ

বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, ইউপি সদস্য কারাগারে

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩
  • / ১০৫৩ বার পড়া হয়েছে

বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, ইউপি সদস্য কারাগারে

 

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ

বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগে করা মামলায় সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক ইউপি সদস্যকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ১৩ জুন) উপজেলার পশ্চিম পোড়াকাটলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

 

শহীদুল ইসলাম আবীর ওরফে আবিয়ার রহমান (৫০) উপজেলার পশ্চিম পোড়াকাটলা গ্রামের শফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য।

 

মামলার সূত্রে আরও জানা যায়, বাড়িতে যাতায়াতের সুযোগে স্থানীয় ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলাম তাঁর নাতনিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর রাতে ধর্ষণ করেন। গোপনে ধর্ষণের ভিডিও করে দাঁতিনাখালি গ্রামের হাসানুল ইসলাম ওরফে সামছুদ্দিন। পরে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শহীদুল ইসলাম তাঁর নাতনিকে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন। একইভাবে তাঁর সহযোগী হাসানুল ইসলামও তাঁর নাতনিকে ঘেরের ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন।

 

মামলার সূত্রে আরও জানা যায়, একপর্যায়ে তাঁর নাতনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। শহীদুল ইসলাম তাঁর নাতনিকে সদরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত ঘটান। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলামের কাছে নাতনির বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু আজ অবধি তিনি তাঁর নাতনিকে বিয়ে করেননি। তাই বাধ্য হয়ে তিনি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

 

শ্যামনগর থানার ওসি নুরুল ইসলাম বাদল বলেন, ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে স্কুলছাত্রীর নানি বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ও পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা করেছেন। মামলায় ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলাম, হাসানুল ও আবু নাঈমকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলামকে আটক করে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার শহীদুল ইসলামের কাছ থেকে নগ্ন ভিডিওসহ তাঁর মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

ট্যাগস :

বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, ইউপি সদস্য কারাগারে

আপডেট সময় : ১০:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩

বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, ইউপি সদস্য কারাগারে

 

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ

বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগে করা মামলায় সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এক ইউপি সদস্যকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ১৩ জুন) উপজেলার পশ্চিম পোড়াকাটলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

 

শহীদুল ইসলাম আবীর ওরফে আবিয়ার রহমান (৫০) উপজেলার পশ্চিম পোড়াকাটলা গ্রামের শফিকুল ইসলাম সরদারের ছেলে ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য।

 

মামলার সূত্রে আরও জানা যায়, বাড়িতে যাতায়াতের সুযোগে স্থানীয় ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলাম তাঁর নাতনিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর রাতে ধর্ষণ করেন। গোপনে ধর্ষণের ভিডিও করে দাঁতিনাখালি গ্রামের হাসানুল ইসলাম ওরফে সামছুদ্দিন। পরে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শহীদুল ইসলাম তাঁর নাতনিকে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন। একইভাবে তাঁর সহযোগী হাসানুল ইসলামও তাঁর নাতনিকে ঘেরের ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন।

 

মামলার সূত্রে আরও জানা যায়, একপর্যায়ে তাঁর নাতনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। শহীদুল ইসলাম তাঁর নাতনিকে সদরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত ঘটান। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলামের কাছে নাতনির বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু আজ অবধি তিনি তাঁর নাতনিকে বিয়ে করেননি। তাই বাধ্য হয়ে তিনি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

 

শ্যামনগর থানার ওসি নুরুল ইসলাম বাদল বলেন, ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে স্কুলছাত্রীর নানি বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ও পর্নোগ্রাফি আইনে একটি মামলা করেছেন। মামলায় ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলাম, হাসানুল ও আবু নাঈমকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলামকে আটক করে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার শহীদুল ইসলামের কাছ থেকে নগ্ন ভিডিওসহ তাঁর মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।