ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিবচরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ১০৬২ বার পড়া হয়েছে

শিবচরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের মফিতুল্লাহ হাওলাদার কান্দি এলাকায় পুরাতন পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত আমজাদ উকিল সেতুর নিচে আজ সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো, হামীম (৯) হুজায়ফা পাকের আলী মোল্লার ছেলে ও হুজায়ফা (৮) সুরুজ মুন্সী ছেলে।

জানা গেছে, দুপুরে ওই এলাকার ৭/৮ জন শিশু গোসল করতে যায়। এ সময় সবাই মিলে নদীতে সাঁতার দিয়ে সেতুর মাঝামাঝি পিলারের দিকে যায়। হুজায়ফা ও হামীম পানির নিচে ডুবে যায়। পরে অন্য শিশুরা স্থানীয় লোকজনকে খবর দিলে তারা প্রথমে হুজায়ফাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে নিকটস্থ পাঁচ্চর রয়েল হাসপাতালে নিয়ে যায়। এছাড়া প্রায় আধাঘণ্টা চেষ্টা করে হামীমকেও মুমূর্ষু অবস্থা উদ্ধার করে একই হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুজনকেই মৃত্যু ঘোষণা করেন।

নিহত হুজায়ফার বাবা সুরুজ মুন্সী বলেন, আমি বাবাকে মাদ্রাসায় পড়াবো নিয়ত করেছি। রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে ওর জন্য কাঁদতাম আল্লাহ যেন আমার বাবাকে মাদ্রাসায় পড়াতে তৌফিক দেয়। হাফেজ বানায়। কিন্তু তা আর হলো না।

শিবচর থানার ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন দূঘর্টনার সত্যতা স্বীকার করেছে।

ট্যাগস :

শিবচরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

শিবচরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের মফিতুল্লাহ হাওলাদার কান্দি এলাকায় পুরাতন পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত আমজাদ উকিল সেতুর নিচে আজ সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো, হামীম (৯) হুজায়ফা পাকের আলী মোল্লার ছেলে ও হুজায়ফা (৮) সুরুজ মুন্সী ছেলে।

জানা গেছে, দুপুরে ওই এলাকার ৭/৮ জন শিশু গোসল করতে যায়। এ সময় সবাই মিলে নদীতে সাঁতার দিয়ে সেতুর মাঝামাঝি পিলারের দিকে যায়। হুজায়ফা ও হামীম পানির নিচে ডুবে যায়। পরে অন্য শিশুরা স্থানীয় লোকজনকে খবর দিলে তারা প্রথমে হুজায়ফাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে নিকটস্থ পাঁচ্চর রয়েল হাসপাতালে নিয়ে যায়। এছাড়া প্রায় আধাঘণ্টা চেষ্টা করে হামীমকেও মুমূর্ষু অবস্থা উদ্ধার করে একই হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুজনকেই মৃত্যু ঘোষণা করেন।

নিহত হুজায়ফার বাবা সুরুজ মুন্সী বলেন, আমি বাবাকে মাদ্রাসায় পড়াবো নিয়ত করেছি। রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে ওর জন্য কাঁদতাম আল্লাহ যেন আমার বাবাকে মাদ্রাসায় পড়াতে তৌফিক দেয়। হাফেজ বানায়। কিন্তু তা আর হলো না।

শিবচর থানার ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন দূঘর্টনার সত্যতা স্বীকার করেছে।