ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জজ কোর্টের গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • / ১১৩১ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জে জজ কোর্টের প্রভাব কাটিয়ে সৎ বোনের জমি দখলের প্রতিবাদে জজ কোর্টের গাড়ির চালক মো. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

রবিবার (০৬ জুলাই) সকালে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়নের জনতা বাজার মায়াকানন পার্ক সংলগ্ন এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।মানববন্ধনে ভুক্তভোগী মোছা. ছালেহা বেগম, খায়রুল ইসলাম, আকলিমাসহ গ্রামবাসীরা বক্তব্য রাখেন।

এসময় বক্তারা এলাকার বাসিন্দা জজ কোর্টের গাড়ির ড্রাইভার সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সৎ বোনের জমাজমি দখল করে ভিটাচ্যুত করার অভিযোগসহ এলাকাবাসীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ করেন।

তারা আরও বলেন, ছালেহার বাবা মৃত্যুর পূর্বে একটি লিখিত ভাবে সকল ভাইবোনকে স্পষ্টভাবে জমির অংশীদারিত্ব নির্ধারণ করে দিয়ে গেছেন। কিন্তু সাইফুল ইসলাম সেই বন্টন না মেনে তার সৎ বোন ছালেহাকে ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে ও ভাগিনা মো. খায়রুল ইসলামকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়ে ১৪ শতাংশের জমি ও পুকুরটি দখল করেন এবং ছালেহা ও তার ছেলে মেয়েকে সেখানে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। এ নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার সামজিক কয়েকটি দরবারে করেও কোনো সমাধান পায়নি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।

ট্যাগস :

জজ কোর্টের গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১২:৫৭:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

কিশোরগঞ্জে জজ কোর্টের প্রভাব কাটিয়ে সৎ বোনের জমি দখলের প্রতিবাদে জজ কোর্টের গাড়ির চালক মো. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

রবিবার (০৬ জুলাই) সকালে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়নের জনতা বাজার মায়াকানন পার্ক সংলগ্ন এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।মানববন্ধনে ভুক্তভোগী মোছা. ছালেহা বেগম, খায়রুল ইসলাম, আকলিমাসহ গ্রামবাসীরা বক্তব্য রাখেন।

এসময় বক্তারা এলাকার বাসিন্দা জজ কোর্টের গাড়ির ড্রাইভার সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে সৎ বোনের জমাজমি দখল করে ভিটাচ্যুত করার অভিযোগসহ এলাকাবাসীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ করেন।

তারা আরও বলেন, ছালেহার বাবা মৃত্যুর পূর্বে একটি লিখিত ভাবে সকল ভাইবোনকে স্পষ্টভাবে জমির অংশীদারিত্ব নির্ধারণ করে দিয়ে গেছেন। কিন্তু সাইফুল ইসলাম সেই বন্টন না মেনে তার সৎ বোন ছালেহাকে ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে ও ভাগিনা মো. খায়রুল ইসলামকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়ে ১৪ শতাংশের জমি ও পুকুরটি দখল করেন এবং ছালেহা ও তার ছেলে মেয়েকে সেখানে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। এ নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার সামজিক কয়েকটি দরবারে করেও কোনো সমাধান পায়নি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।