ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চোরাই পথে আনা ভারতীয় মোটরসাইকেল আটক

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩
  • / ১০৭৩ বার পড়া হয়েছে

চোরাই পথে আনা ভারতীয় মোটরসাইকেল আটক

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে চোরাই পথে আনা ভারতীয় মোটরসাইকেল আটক করেছে জনতা। উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার বাংলাবাজার ইউনিয়নের ঝুমগাও সীমান্ত দিয়ে চোরাই পথে আনা ভারতীয় মোটরসাইকেল এর প্লেট নম্বর দেখে মোটরসাইকেলসহ ন্যান্স নায়েক হাফেজকে জনগণ আটক করে দোয়ারাবাজার থানা ও বাশতলা বিওপিকে অবগত করেন। বাশতলা বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা চৌধুরী পাড়া উপস্থিত হয়ে সুষ্ঠু বিচার ও মোটরসাইকেল চোরাকারবারের মুল হোতা ঝুমগাঁও গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মৃত মনির মিয়ার পুত্র মিছির আলীসহ জড়িতদের মামলা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চোরাই কৃত মোটরসাইকেলসহ ন্যান্স নায়েক হাফেজকে বাশতলা বিওপিতে নিয়ে যায়।

 

ন্যান্স নায়েক হাফেজ বলেন, আমি ১লাখ ৫০হাজার টাকা দিয়ে মিছির আলীর নিকট থেকে ক্রয় করেছি। আমার ভুল হয়েছে আমার চাকুরির ক্ষতি করবেন না।

বাশতলা বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার আব্দুস সাত্তার মুঠোফোনে বলেন, সে গাড়িটি নিজে আনেনি, অন্য একজনের কাছ থেকে কিনেছে। বিষয়টির সতত্যা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

চোরাই পথে আনা ভারতীয় মোটরসাইকেল আটক

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩

চোরাই পথে আনা ভারতীয় মোটরসাইকেল আটক

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে চোরাই পথে আনা ভারতীয় মোটরসাইকেল আটক করেছে জনতা। উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার বাংলাবাজার ইউনিয়নের ঝুমগাও সীমান্ত দিয়ে চোরাই পথে আনা ভারতীয় মোটরসাইকেল এর প্লেট নম্বর দেখে মোটরসাইকেলসহ ন্যান্স নায়েক হাফেজকে জনগণ আটক করে দোয়ারাবাজার থানা ও বাশতলা বিওপিকে অবগত করেন। বাশতলা বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা চৌধুরী পাড়া উপস্থিত হয়ে সুষ্ঠু বিচার ও মোটরসাইকেল চোরাকারবারের মুল হোতা ঝুমগাঁও গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মৃত মনির মিয়ার পুত্র মিছির আলীসহ জড়িতদের মামলা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চোরাই কৃত মোটরসাইকেলসহ ন্যান্স নায়েক হাফেজকে বাশতলা বিওপিতে নিয়ে যায়।

 

ন্যান্স নায়েক হাফেজ বলেন, আমি ১লাখ ৫০হাজার টাকা দিয়ে মিছির আলীর নিকট থেকে ক্রয় করেছি। আমার ভুল হয়েছে আমার চাকুরির ক্ষতি করবেন না।

বাশতলা বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার আব্দুস সাত্তার মুঠোফোনে বলেন, সে গাড়িটি নিজে আনেনি, অন্য একজনের কাছ থেকে কিনেছে। বিষয়টির সতত্যা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।