ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধ, সংঘর্ষে আহত ৮

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৮:৫১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৮৪ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে নির্মাণাধীন মসজিদের পিলার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় বাধা দিতে গেলে সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন আহত হন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামে। আহতদের শৈলকুপা ও কুষ্টিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।জানা গেছে, বড়ুরিয়া গ্রামের জামে মসজিদ গড়াই নদীর ভাঙনে পড়ে ভেঙে যায়। পরে গ্রামবাসী অন্যত্র মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত মোতাবেক বড়ুরিয়া গ্রামের খন্দকার রায়হান কবীর পলাশ ও রেহেনা খাতুনের দানকৃত জমিতে মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এদিকে দানকৃত জমির মালিকানা দাবি করে ওই গ্রামের তমাল নামের এক ব্যক্তি।

[irp]

এ নিয়ে বেশ কয়েকদিন যাবৎ জমির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার ভোরে নির্মাণাধীন মসজিদের দুটি পিলার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসময় বাধা দিতে গেলে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে আলাউদ্দিন, নজরুল, শরিফুল, আল্লেক, সোহান, জামাল, গোলাম মোস্তফাসহ অন্তত ৮ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে নজরুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।জমি দানকারী খন্দকার পলাশ জানান, তিনি মসজিদের জন্য ৬ শতক জমি স্বেচ্ছায় দান করেন।

দানকৃত জমিতে মসজিদ নির্মাণ কাজ চলছিল। বৃহস্পতিবার ভোরে তমাল ও বড়ুরিয়া গ্রামের মকলেছ বিশ^াসের নেতৃত্বে দুলাল বিশ^াস, মনোয়ার বিশ^াস, কায়েম শেখ, রইচ মোল্লাসহ ১৫-২০ জন মসজিদের নির্মাণাধীণ দুটি আরসিসি পিলার ভেঙে উপড়িয়ে ফেলে।তমাল জানান, ‘পলাশের দানকৃত জমিতে মসজিদ নির্মাণে কোনো বাধা নেই। কিন্তু রেহানা খাতুন যে দুই শতক জমি দান করেছে, তার মালিক আমরা।

আমাদের জমিতে মসজিদের যে দুটি পিলার করেছিল, তা তুলে দিয়েছি।’

শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান, বড়ুরিয়া গ্রামে পাশাপাশি দুটি মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ট্যাগস :

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধ, সংঘর্ষে আহত ৮

আপডেট সময় : ০৮:৫১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১

জেলা প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে নির্মাণাধীন মসজিদের পিলার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় বাধা দিতে গেলে সংঘর্ষে অন্তত ৮ জন আহত হন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামে। আহতদের শৈলকুপা ও কুষ্টিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।জানা গেছে, বড়ুরিয়া গ্রামের জামে মসজিদ গড়াই নদীর ভাঙনে পড়ে ভেঙে যায়। পরে গ্রামবাসী অন্যত্র মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত মোতাবেক বড়ুরিয়া গ্রামের খন্দকার রায়হান কবীর পলাশ ও রেহেনা খাতুনের দানকৃত জমিতে মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এদিকে দানকৃত জমির মালিকানা দাবি করে ওই গ্রামের তমাল নামের এক ব্যক্তি।

[irp]

এ নিয়ে বেশ কয়েকদিন যাবৎ জমির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার ভোরে নির্মাণাধীন মসজিদের দুটি পিলার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসময় বাধা দিতে গেলে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে আলাউদ্দিন, নজরুল, শরিফুল, আল্লেক, সোহান, জামাল, গোলাম মোস্তফাসহ অন্তত ৮ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে নজরুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।জমি দানকারী খন্দকার পলাশ জানান, তিনি মসজিদের জন্য ৬ শতক জমি স্বেচ্ছায় দান করেন।

দানকৃত জমিতে মসজিদ নির্মাণ কাজ চলছিল। বৃহস্পতিবার ভোরে তমাল ও বড়ুরিয়া গ্রামের মকলেছ বিশ^াসের নেতৃত্বে দুলাল বিশ^াস, মনোয়ার বিশ^াস, কায়েম শেখ, রইচ মোল্লাসহ ১৫-২০ জন মসজিদের নির্মাণাধীণ দুটি আরসিসি পিলার ভেঙে উপড়িয়ে ফেলে।তমাল জানান, ‘পলাশের দানকৃত জমিতে মসজিদ নির্মাণে কোনো বাধা নেই। কিন্তু রেহানা খাতুন যে দুই শতক জমি দান করেছে, তার মালিক আমরা।

আমাদের জমিতে মসজিদের যে দুটি পিলার করেছিল, তা তুলে দিয়েছি।’

শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান, বড়ুরিয়া গ্রামে পাশাপাশি দুটি মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।