ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠিকাদারের গাফলতির কারনে রাস্তা ভেঁঙ্গে খালে

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মে ২০২১
  • / ১০৮১ বার পড়া হয়েছে

আমির হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের জীবনদাসকাঠি গ্রামের কদম আলী মেম্বার বাড়ির কবরস্থানের পাশ হতে নিমালা গ্রামের মাস্টার আনোয়ার বাড়ি পর্যন্ত ৯.৬৫মিটার সড়কটি নির্মাণের ১বছর না যেতেই পাইলিং এর অভাবে রাস্তা ভেঁঙ্গে খালে।

যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এ সড়কটির মাধ্যমে জীবনদাসকাঠি ও নিমহাওলা গ্রাম সহ আরো বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। সড়কটি দীর্ঘদিন যাবৎ বেহাল অবস্থায় পড়ে ছিলো। অবশেষে ১বছর আগে সড়কটি নির্মাণ করা হলেও রাস্তাটিতে খালের পাশে পাইলিং না দেওয়াতে রাস্তা ভেঁঙ্গে খালে পরেগেছে। এতে ওই সব এলাকার লোকজনের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রুততার সাথে এ সড়কটি সংস্কার ও পাইলিং করার উদ্যোগ নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

[irp]

গালুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি রিয়াজুল এবং ওই এলাকার বাসিন্দা কৃষক আব্দুল মোতালেব জানান, ভেঙে যাওয়ার পর রাস্তায় গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। কৃষপন্য বহনের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি।এলাকার রোগাক্রান্ত মানুষ কিংবা মুমূর্ষু রোগীরও যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এই সড়ক। মাতৃকল্যাণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পঞ্চগ্রাম আর্দশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জীবনদাসকাঠি দাখিল মাদ্রাসা, জীবনদাসকাঠি সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়, জালালসাহী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে। সড়কটি পূর্ণনির্মাণ ও খালের পাশে পাইলিং নির্মান না হলে
যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, আমার স্বজনকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার এম্বুলেন্স এসে ভাঙ্গা রাস্তার কারণে আসতে পারে নাই। রাস্তাটি’র বেহাল দশা থেকে আমরা যাতে মুক্তি পেতে পারি সে বিষয়ে কতৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।

[irp]

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তোফা জানান ঠিকাদারের গাফিলতিতে যেখানে পাইলিং প্রয়োজন ছিলো সেখানে না দেওয়ার কারনে রাস্তা ভেঁঙ্গে গেছে, জন সুবিধার্থে প্রথমিক ভাবে রাস্তার ভাঙ্গা স্থানে বাঁশ -খুটি দিয়ে পাইলিং দেবার প্রতিশ্রুতি দেন।

যেখানে পাইলিং প্রয়োজন সেখানে পাইলিং না দেওয়া কারণ জানতে চাইলে ঠিকাদার আনোয়ার হোসেন মৃধা জানান এ বিষয়ে আমার কোনো কিছু মনে নাই।

এ বিষয়ে উপজেলা এলজিডি প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা জানান, আমরা ইতিমধ্যে সড়কটি পরিদর্শন করেছি আমাদের নজরে আছে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা সড়ক মেরামত ও পাইলিং এর ব্যবস্থা করে দিবো।

[irp]

ট্যাগস :

ঠিকাদারের গাফলতির কারনে রাস্তা ভেঁঙ্গে খালে

আপডেট সময় : ১১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মে ২০২১

আমির হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের জীবনদাসকাঠি গ্রামের কদম আলী মেম্বার বাড়ির কবরস্থানের পাশ হতে নিমালা গ্রামের মাস্টার আনোয়ার বাড়ি পর্যন্ত ৯.৬৫মিটার সড়কটি নির্মাণের ১বছর না যেতেই পাইলিং এর অভাবে রাস্তা ভেঁঙ্গে খালে।

যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এ সড়কটির মাধ্যমে জীবনদাসকাঠি ও নিমহাওলা গ্রাম সহ আরো বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। সড়কটি দীর্ঘদিন যাবৎ বেহাল অবস্থায় পড়ে ছিলো। অবশেষে ১বছর আগে সড়কটি নির্মাণ করা হলেও রাস্তাটিতে খালের পাশে পাইলিং না দেওয়াতে রাস্তা ভেঁঙ্গে খালে পরেগেছে। এতে ওই সব এলাকার লোকজনের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রুততার সাথে এ সড়কটি সংস্কার ও পাইলিং করার উদ্যোগ নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

[irp]

গালুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি রিয়াজুল এবং ওই এলাকার বাসিন্দা কৃষক আব্দুল মোতালেব জানান, ভেঙে যাওয়ার পর রাস্তায় গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। কৃষপন্য বহনের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি।এলাকার রোগাক্রান্ত মানুষ কিংবা মুমূর্ষু রোগীরও যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এই সড়ক। মাতৃকল্যাণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পঞ্চগ্রাম আর্দশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জীবনদাসকাঠি দাখিল মাদ্রাসা, জীবনদাসকাঠি সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়, জালালসাহী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে। সড়কটি পূর্ণনির্মাণ ও খালের পাশে পাইলিং নির্মান না হলে
যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, আমার স্বজনকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার এম্বুলেন্স এসে ভাঙ্গা রাস্তার কারণে আসতে পারে নাই। রাস্তাটি’র বেহাল দশা থেকে আমরা যাতে মুক্তি পেতে পারি সে বিষয়ে কতৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।

[irp]

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তোফা জানান ঠিকাদারের গাফিলতিতে যেখানে পাইলিং প্রয়োজন ছিলো সেখানে না দেওয়ার কারনে রাস্তা ভেঁঙ্গে গেছে, জন সুবিধার্থে প্রথমিক ভাবে রাস্তার ভাঙ্গা স্থানে বাঁশ -খুটি দিয়ে পাইলিং দেবার প্রতিশ্রুতি দেন।

যেখানে পাইলিং প্রয়োজন সেখানে পাইলিং না দেওয়া কারণ জানতে চাইলে ঠিকাদার আনোয়ার হোসেন মৃধা জানান এ বিষয়ে আমার কোনো কিছু মনে নাই।

এ বিষয়ে উপজেলা এলজিডি প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা জানান, আমরা ইতিমধ্যে সড়কটি পরিদর্শন করেছি আমাদের নজরে আছে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা সড়ক মেরামত ও পাইলিং এর ব্যবস্থা করে দিবো।

[irp]