ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিবি হেফাজতে সমন্বয়ক হাসনাত ও সারজিস

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুলাই ২০২৪
  • / ১১১২ বার পড়া হয়েছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরও দুই সমন্বয়ককে হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। ওই দুই সমন্বয়ক হলেন সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ।

শনিবার (২৭ জুলাই) রাতে এ তথ্য জানা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. জুনায়েদ আলম সরকার।

এর আগে শুক্রবার (২৬ জুলাই) বিকালে তিন সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও আবু বাকের মজুমদারকে ডিবি হেফাজতে নিয়ে যায় ডিবি। গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে তখন জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে।

গত ৫ জুন হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে সরকার কর্তৃক জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন। এরপরই কোটা পদ্ধতির সংস্কার নতুনভাবে আলোচনায় আসে। এতে পুনরায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে রাজপথে নামেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলন নিয়ে শিক্ষার্থী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে হতাহত হন অনেকে। এর জেরে ২১ জুলাই বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের দেয়া রায় বাতিল করে ও সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এরপর ২৩ জুলাই এই বিষয়ে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে।

ট্যাগস :

ডিবি হেফাজতে সমন্বয়ক হাসনাত ও সারজিস

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুলাই ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরও দুই সমন্বয়ককে হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। ওই দুই সমন্বয়ক হলেন সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ।

শনিবার (২৭ জুলাই) রাতে এ তথ্য জানা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. জুনায়েদ আলম সরকার।

এর আগে শুক্রবার (২৬ জুলাই) বিকালে তিন সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও আবু বাকের মজুমদারকে ডিবি হেফাজতে নিয়ে যায় ডিবি। গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে তখন জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে।

গত ৫ জুন হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে সরকার কর্তৃক জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন। এরপরই কোটা পদ্ধতির সংস্কার নতুনভাবে আলোচনায় আসে। এতে পুনরায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে রাজপথে নামেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলন নিয়ে শিক্ষার্থী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে হতাহত হন অনেকে। এর জেরে ২১ জুলাই বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের দেয়া রায় বাতিল করে ও সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এরপর ২৩ জুলাই এই বিষয়ে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে।