ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo দুর্নীতির অভিযোগে শীর্ষে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ Logo চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে’ টাকা আয়ের হাতিয়ার করেছিল তাজুল ইসলাম Logo ডক্টর ইউনূসের বিরুদ্ধে হচ্ছে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা Logo নড়াইলের সিঙ্গাশোলপুরে আধিপত্য বিস্তারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-৪ Logo রাজধানীতে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ Logo ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে, যা যা লাগবে Logo মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে শেরপুরে ছাত্রদলের মানববন্ধন Logo সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সম্পাদক প্রার্থী সুমন Logo হাজারের বেশি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন Logo সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে জনসচেতনতার লক্ষে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন

টিকা নিয়ে সংকটের মুখে বাংলাদেশ

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ মার্চ ২০২১
  • / ১০৯৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইন ডেস্কঃ

আগামী ৮ এপ্রিল থেকে করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরুর কথা থাকলেও নতুন করে টিকা পাওয়া নিয়ে সংকটের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ।

এমনকি প্রথম ডোজ পাওয়া সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত টিকাও এ মুহূর্তে স্বাস্থ্য বিভাগের হাতে নেই বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে বিবিসি।

এতে বলা হয়, ভারতে তৈরি অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশটি সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারির পর এ নিয়ে আশঙ্কা আরও তীব্রতর হয়েছে।

জানুয়ারি থেকে গত তিন মাসে বাংলাদেশের কেনা টিকার মধ্যে দেড় কোটি ডোজ আসার কথা থাকলেও স্বাস্থ্য বিভাগের হিসেবেই এখন পর্যন্ত সে টিকা থেকে বাংলাদেশে পেয়েছে অর্ধেকেরও কম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে যথাসময়ে টিকা না এলে তারা ‘অন্য পরিকল্পনা’ করবেন। তবে বাস্তবতা হলো সেরাম ছাড়া অন্য কোনো সূত্র থেকে টিকা আনার জন্য আনুষ্ঠানিক কোনো চুক্তি এখন পর্যন্ত করতে পারেনি বাংলাদেশ।

এমন পরিস্থিতিতে সেরাম চুক্তি অনুযায়ী টিকা দিতে ব্যর্থ হলে করোনার টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগ গভীর সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যদিও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, টিকা নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে এবং আশা করছেন চাহিদা মতো টিকা সময়মতোই পেয়ে যাবেন তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘টিকা নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। কাজ চলছে। সময়মতোই টিকা পাবে বাংলাদেশ। তাই কোনো সংকট হবে না।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক বেনজির আহমেদ বলেছেন, ‘একদিকে টিকা যথাসময়ে না পাওয়ায় এবং অন্যদিকে পাওয়া টিকা সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা না করতে পারায় সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, তিন মাসে ৫০ লাখ মানুষেরও দুই ডোজ টিকা প্রদান শেষ করা যায়নি, অথচ এখনই টিকার সংস্থান হুমকির মুখে।

বেনজির আহমেদ বলেন, ‘টিকা নিয়ে এমন অবস্থা তৈরি হওয়ায়, টিকাদানের মাধ্যমে সংক্রমণ মোকাবিলা করার যে সম্ভাবনা ছিল তা হুমকির মুখে পড়বে।’

ট্যাগস :

টিকা নিয়ে সংকটের মুখে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ মার্চ ২০২১
অনলাইন ডেস্কঃ

আগামী ৮ এপ্রিল থেকে করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরুর কথা থাকলেও নতুন করে টিকা পাওয়া নিয়ে সংকটের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ।

এমনকি প্রথম ডোজ পাওয়া সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত টিকাও এ মুহূর্তে স্বাস্থ্য বিভাগের হাতে নেই বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে বিবিসি।

এতে বলা হয়, ভারতে তৈরি অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশটি সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারির পর এ নিয়ে আশঙ্কা আরও তীব্রতর হয়েছে।

জানুয়ারি থেকে গত তিন মাসে বাংলাদেশের কেনা টিকার মধ্যে দেড় কোটি ডোজ আসার কথা থাকলেও স্বাস্থ্য বিভাগের হিসেবেই এখন পর্যন্ত সে টিকা থেকে বাংলাদেশে পেয়েছে অর্ধেকেরও কম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে যথাসময়ে টিকা না এলে তারা ‘অন্য পরিকল্পনা’ করবেন। তবে বাস্তবতা হলো সেরাম ছাড়া অন্য কোনো সূত্র থেকে টিকা আনার জন্য আনুষ্ঠানিক কোনো চুক্তি এখন পর্যন্ত করতে পারেনি বাংলাদেশ।

এমন পরিস্থিতিতে সেরাম চুক্তি অনুযায়ী টিকা দিতে ব্যর্থ হলে করোনার টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগ গভীর সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যদিও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, টিকা নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে এবং আশা করছেন চাহিদা মতো টিকা সময়মতোই পেয়ে যাবেন তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘টিকা নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। কাজ চলছে। সময়মতোই টিকা পাবে বাংলাদেশ। তাই কোনো সংকট হবে না।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক বেনজির আহমেদ বলেছেন, ‘একদিকে টিকা যথাসময়ে না পাওয়ায় এবং অন্যদিকে পাওয়া টিকা সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা না করতে পারায় সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, তিন মাসে ৫০ লাখ মানুষেরও দুই ডোজ টিকা প্রদান শেষ করা যায়নি, অথচ এখনই টিকার সংস্থান হুমকির মুখে।

বেনজির আহমেদ বলেন, ‘টিকা নিয়ে এমন অবস্থা তৈরি হওয়ায়, টিকাদানের মাধ্যমে সংক্রমণ মোকাবিলা করার যে সম্ভাবনা ছিল তা হুমকির মুখে পড়বে।’