ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধার কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের অনিয়ম নিয়ে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৯:২৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১
  • / ১১৮৮ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এটিএম রাশেদুজ্জামান রোকনের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) সকাল ১১টায় গাইবান্ধা-বালাসীঘাট সড়কের একাডেমী বাজার এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নবাসী আয়োজিত এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ, ফুলছড়ি উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেদোয়ান আশরাফ পলাশ, কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন সার্বিক উন্নয়ন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান বাবু প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এটিএম রাশেদুজ্জামান রোকন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন। তিনি কলেজকে দলীয় কার্যালয়ের মতো ব্যবহার করেন। তারা বলেন, বিগত সময়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাখলেও শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ করা হয়নি। সম্প্রতি উক্ত বিজ্ঞপ্তিসমূহের আলোকে কলেজের অধ্যক্ষ আবারও গোপনে নিয়োগ বাণিজ্যের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

অপরদিকে একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টায় কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এটিএম রাশেদুজ্জামান রোকনের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে গাইবান্ধা-বালাসীঘাট সড়কের কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন কলেজের গভর্ণিং বডির সদস্য, শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক জহুরুল ইসলাম, প্রভাষক কানিজ আফছানা, প্রভাষক সুলতানা পারভিন, গভর্ণিং বডির সদস্য শহিদুল ইসলাম ভুট্টো, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রকি প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে কোন প্রকার অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হয়নি। সকল প্রকার নিয়ম ও বিধি মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এ

কটি চিহ্নিত মহল কলেজের সুনাম ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে কলেজের নামে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। মিথ্যা অভিযোগকারীরা কলেজের উন্নয়ন চায়না, তাদের জনগণ প্রতিহত করবে।

ট্যাগস :

গাইবান্ধার কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের অনিয়ম নিয়ে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৯:২৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১

জেলা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এটিএম রাশেদুজ্জামান রোকনের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) সকাল ১১টায় গাইবান্ধা-বালাসীঘাট সড়কের একাডেমী বাজার এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নবাসী আয়োজিত এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ, ফুলছড়ি উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেদোয়ান আশরাফ পলাশ, কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন সার্বিক উন্নয়ন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান বাবু প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এটিএম রাশেদুজ্জামান রোকন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন। তিনি কলেজকে দলীয় কার্যালয়ের মতো ব্যবহার করেন। তারা বলেন, বিগত সময়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাখলেও শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ করা হয়নি। সম্প্রতি উক্ত বিজ্ঞপ্তিসমূহের আলোকে কলেজের অধ্যক্ষ আবারও গোপনে নিয়োগ বাণিজ্যের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

অপরদিকে একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টায় কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এটিএম রাশেদুজ্জামান রোকনের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে গাইবান্ধা-বালাসীঘাট সড়কের কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন কলেজের গভর্ণিং বডির সদস্য, শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কঞ্চিপাড়া ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক জহুরুল ইসলাম, প্রভাষক কানিজ আফছানা, প্রভাষক সুলতানা পারভিন, গভর্ণিং বডির সদস্য শহিদুল ইসলাম ভুট্টো, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান রকি প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে কোন প্রকার অনিয়মের আশ্রয় নেয়া হয়নি। সকল প্রকার নিয়ম ও বিধি মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এ

কটি চিহ্নিত মহল কলেজের সুনাম ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে কলেজের নামে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। মিথ্যা অভিযোগকারীরা কলেজের উন্নয়ন চায়না, তাদের জনগণ প্রতিহত করবে।