জাসদ কার্যালয় থেকে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি জানাল বাসদ
- আপডেট সময় : ০১:১৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৯৯৮ বার পড়া হয়েছে
জাসদ কার্যালয় থেকে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি জানাল বাসদ
আস্থা ডেস্কঃ
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কার্যালয় থেকে নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তাদের মুক্তি দাবি করেছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ এ দাবি জানান।
রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কার্যালয়ে দলীয় প্রতিনিধি সভা চলাকালে নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের এ ঘটনাকে মব সন্ত্রাস বলে আখ্যায়িত করে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি চান তিনি।
বিবৃতিতে ফিরোজ বলেন, মিছিল, মিটিং, সমাবেশ করা নাগরিকের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের মূল কথা হলো সহনশীলতা ও পরমত সহিষ্ণুতা। স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর এখন দেশে একটি নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, পতিত স্বৈরাচারী সরকার নানা ট্যাগ দিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সভা সমাবেশ পণ্ড করতো এবং গ্রেফতার করতো। কিন্তু বর্তমান সরকারের কাছে একই ধরনের আচরণ জনগণ প্রত্যাশা করে না।
তিনি বলেন, পূর্বনির্ধারিত প্রতিনিধি সভায় প্রথমে মব সন্ত্রাস, পরে পুলিশ এসে জাসদের নেতাকর্মীসহ উপস্থিত লোকজনকে আটক করে নিয়ে যায় বলে জাসদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। তারা আরও বলেছে, সেখানে কোনও গোপন বৈঠক হচ্ছিল না; বরং তারা পুলিশের অনুমতি ও নিরাপত্তার ব্যবস্থার আবেদন করেই তাদের প্রতিনিধি সভা করছিল।বিবৃতিতে বাসদ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাসদ কোনও নিষিদ্ধ সংগঠন না। ওই দলের কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা মামলা থাকলে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু মব সন্ত্রাস ও হামলা চালিয়ে কোনও রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে বাধা দেওয়া গণতন্ত্রের পরিপন্থি।
তিনি জাসদ অফিসে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন।
অপর এক বিবৃতিতে মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা-ভাঙচুরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
এতে বাসদের এই নেতা বলেন, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মুখোশ পরা অন্তত দুই শতাধিক ব্যক্তি নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, সরকারি টিকা, নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।
তিনি মিরপুরে টিকা সেন্টারে হামলা ও লুটের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে আটক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশি হস্তক্ষেপ আইন করে নিষিদ্ধের দাবি জানান।
আস্থা/এমএইচ



















