ঢাকা ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে স্বস্তি ফিরেছে কাঁচা মরিচে

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০১:২৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০২৩
  • / ১০৯৬ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ে স্বস্তি ফিরেছে কাঁচা মরিচে

 

আব্দুল্লাহ আজাদ/ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে মরিচ আমদানির খবরে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম কমেছে ১৮০-২০০ টাকা। গত দুদিন আগেও যা ২৮০-৩০ দরে বিক্রি হয়েছে।

আরতদ্বাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আমদানি কম থাকায় হঠাৎ করেই কাঁচামরিচের দাম বেড়ে যায়। তবে এখন আমদানি শুরু হওয়াতে দাম কমতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (৪ জুলাই) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজারের আরতগুলো ঘুরে দেখা যায় দেশীয় কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গতকাল যা ১২০-১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা মন্দির পাড়া কাঁচা মরিচের বাজারে সাগর ইসলামের সাথে কথা বলে জানা যায়, হঠাৎ করে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরা সাধারণ মানুষেরা বিপাকে পড়েছি।

মরিচ বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, যে মরিচ দুই দিন আগেও ৩০০ টাকা ছিলো এখন তা কমে ১০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তারা আরও জানায়, এখানে আমাদের কিছুই করার থাকে না আমরা যখন কম দামে কিনি তখন কম দামে বিক্রি করি আর যখন দাম বেশি হয় তখন আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।

ট্যাগস :

ঠাকুরগাঁওয়ে স্বস্তি ফিরেছে কাঁচা মরিচে

আপডেট সময় : ০১:২৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০২৩

ঠাকুরগাঁওয়ে স্বস্তি ফিরেছে কাঁচা মরিচে

 

আব্দুল্লাহ আজাদ/ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে মরিচ আমদানির খবরে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম কমেছে ১৮০-২০০ টাকা। গত দুদিন আগেও যা ২৮০-৩০ দরে বিক্রি হয়েছে।

আরতদ্বাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আমদানি কম থাকায় হঠাৎ করেই কাঁচামরিচের দাম বেড়ে যায়। তবে এখন আমদানি শুরু হওয়াতে দাম কমতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (৪ জুলাই) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজারের আরতগুলো ঘুরে দেখা যায় দেশীয় কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গতকাল যা ১২০-১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা মন্দির পাড়া কাঁচা মরিচের বাজারে সাগর ইসলামের সাথে কথা বলে জানা যায়, হঠাৎ করে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরা সাধারণ মানুষেরা বিপাকে পড়েছি।

মরিচ বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, যে মরিচ দুই দিন আগেও ৩০০ টাকা ছিলো এখন তা কমে ১০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তারা আরও জানায়, এখানে আমাদের কিছুই করার থাকে না আমরা যখন কম দামে কিনি তখন কম দামে বিক্রি করি আর যখন দাম বেশি হয় তখন আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।