ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo রাঙামাটিতে ব্রাশ ফায়ারে ইউপিডিএফ নেতা নিহত: ২ বোন গুলিবিদ্ধ Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু

তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মার্চ ২০২১
  • / ১০৯৬ বার পড়া হয়েছে

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

তিস্তাসহ অভিন্ন ৫৪ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের দাবিতে আজ ২০ মার্চ ২০২১ শনিবার সকাল ১১ টায় “তিস্তা বাঁচাও আন্দোলন” এর উদ্যোগে রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ হয়েছে।

স্থানীয় প্রেসক্লাব চত্বরে তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনের আহবায়ক সাবেক ছাত্রনেতা পলাশ কান্তি নাগ এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন অধ্যাপক আব্দুস সোবহান, শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের সদস্য সবুজ রায়,নিপীড়ণ বিরোধী নারীমঞ্চের সদস্য সুলতানা আক্তার,শ্রমিক নেতা সালাউদ্দিন আহম্মেদ বাবু,সাংস্কৃতিক কর্মী নাসির সুমন প্রমুখ।

সমাবেশের সভাপতি পলাশ কান্তি নাগ বলেন,ভারত আন্তর্জাতিক নদী আইন লংঘন করে তিস্তাসহ অভিন্ন ৫৪ নদীতে বাঁধ-ব্যারেজ নির্মান করে একতরফভাবে পানি প্রত্যাহার করছে। ভারতের পানি আগ্রাসনের কারণে বাংলাদেশের কৃষি-পরিবেশ-প্রকৃতি বিপন্ন দশায় পতিত হচ্ছে।

স্বাধীনতা পরবর্ত্তী সময়ে ক্ষমতাসীন সকল শাসকগোষ্ঠীর ভারতের প্রতি নতজানু নীতির কারণে আমরা পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে ব্যর্থ হয়েছি। ভারত বাংলাদেশকে পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করে সুন্দরবনে প্রাণ-প্রকৃতি বিধ্বংসী রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানসহ নানা অন্যায্য সুযোগ-সুবিধা আদায়ে তৎপর রয়েছে।

বক্তারা বলেন,তিস্তাসহ অভিন্ন ৫৪ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে সরকারের আলোচনা উত্থাপন করা উচিত। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উৎসবের পূর্বেই তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকারকে সব ধরণের তৎপরতা অব্যাহত রাখতে হবে।

উত্তরবঙ্গ তথা বাংলাদেশকে মরুকরণের বিপদ থেকে রক্ষা করতে তিস্তাসহ অভিন্ন ৫৪ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের বিকল্প নেই। সমাবেশ থেকে সুনামগঞ্জের শাল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলার নিন্দা ও দোষীদের বিচারের দাবি জানানো হয়।

সেইসাথে ভারতের পানি আগ্রাসন নীতির বিরুদ্ধে সর্বস্তরের দেশপ্রেমিক জনগণকে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানান।

ট্যাগস :

তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ

আপডেট সময় : ০১:৪৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মার্চ ২০২১

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

তিস্তাসহ অভিন্ন ৫৪ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের দাবিতে আজ ২০ মার্চ ২০২১ শনিবার সকাল ১১ টায় “তিস্তা বাঁচাও আন্দোলন” এর উদ্যোগে রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ হয়েছে।

স্থানীয় প্রেসক্লাব চত্বরে তিস্তা বাঁচাও আন্দোলনের আহবায়ক সাবেক ছাত্রনেতা পলাশ কান্তি নাগ এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন অধ্যাপক আব্দুস সোবহান, শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের সদস্য সবুজ রায়,নিপীড়ণ বিরোধী নারীমঞ্চের সদস্য সুলতানা আক্তার,শ্রমিক নেতা সালাউদ্দিন আহম্মেদ বাবু,সাংস্কৃতিক কর্মী নাসির সুমন প্রমুখ।

সমাবেশের সভাপতি পলাশ কান্তি নাগ বলেন,ভারত আন্তর্জাতিক নদী আইন লংঘন করে তিস্তাসহ অভিন্ন ৫৪ নদীতে বাঁধ-ব্যারেজ নির্মান করে একতরফভাবে পানি প্রত্যাহার করছে। ভারতের পানি আগ্রাসনের কারণে বাংলাদেশের কৃষি-পরিবেশ-প্রকৃতি বিপন্ন দশায় পতিত হচ্ছে।

স্বাধীনতা পরবর্ত্তী সময়ে ক্ষমতাসীন সকল শাসকগোষ্ঠীর ভারতের প্রতি নতজানু নীতির কারণে আমরা পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে ব্যর্থ হয়েছি। ভারত বাংলাদেশকে পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করে সুন্দরবনে প্রাণ-প্রকৃতি বিধ্বংসী রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মানসহ নানা অন্যায্য সুযোগ-সুবিধা আদায়ে তৎপর রয়েছে।

বক্তারা বলেন,তিস্তাসহ অভিন্ন ৫৪ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে সরকারের আলোচনা উত্থাপন করা উচিত। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উৎসবের পূর্বেই তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সরকারকে সব ধরণের তৎপরতা অব্যাহত রাখতে হবে।

উত্তরবঙ্গ তথা বাংলাদেশকে মরুকরণের বিপদ থেকে রক্ষা করতে তিস্তাসহ অভিন্ন ৫৪ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের বিকল্প নেই। সমাবেশ থেকে সুনামগঞ্জের শাল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলার নিন্দা ও দোষীদের বিচারের দাবি জানানো হয়।

সেইসাথে ভারতের পানি আগ্রাসন নীতির বিরুদ্ধে সর্বস্তরের দেশপ্রেমিক জনগণকে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানান।