ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo সাভার-আশুলিয়ায় রণক্ষেত্র, সাংবাদিক-পুলিশসহ আহত ১০ Logo ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে হবে: কুপার Logo সাজেক চলছে ২ পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবরোধ কর্মসূচী Logo রিপাবলিকানদের হটিয়ে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা Logo বিনা মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার পাবে ১ কোটি ৮৯ লাখ পরিবার Logo আমি গরিবের ছেলে, লোভ সামলাতে পারিনি’, জবানবন্দিতে ‘সমন্বয়ক’ রিয়াদ Logo ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ পাকিস্তানের ক্ষতি ৪০ বিলিয়ন ডলার Logo পাটওয়ারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলে দেশে ছাগল ও ল্যাপটপ চুরি বেড়ে যাবে: রাশেদ খাঁন Logo খুলনায় ১২ দিনে ৭ হত্যাকান্ড! Logo আ.লীগ সরকারের পদক্ষেপের সঙ্গে এনসিপির মিল রয়েছে: ডেভিড বার্গম্যান

পদ্মা সেতুর কাঠামো দেখতে উপচেপড়া ভিড়

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২০
  • / ১২১০ বার পড়া হয়েছে

পদ্মা সেতুতে সবকটি স্প্যান বসে যাওয়ায় শুক্রবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় জমেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় কনকনে শীত আর কুয়াশা জড়ানো আবহাওয়া উপেক্ষা করে ঢাকাসহ নানা এলাকার মানুষ ছুটে আসেন পদ্মাপাড়ে। 

স্থানীয়রা জানায়, দর্শনার্থীদের ভিড়ে মাওয়া চৌরাস্তা থেকে মাওয়া মৎস্য আড়ত হয়ে নদীর পাড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কে যানজট লেগে গেলে ট্রাফিক পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। অধিকাংশ দর্শনার্থী ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে চেপে পদ্মা সেতু দেখতে আসেন। শুক্রবার রাত সোয়া আটটায়ও মাওয়া প্রান্তে দর্শনার্থীদের আনাগোনা অব্যাহত ছিল। দর্শনার্থীরা পদ্মা সেতুর অদূরে থেকে মোবাইলে ছবি তুলে, ট্রলার, নৌকা ও স্পিডবোটে করে সেতুর খুঁটি ও স্প্যানের কাছাকাছি গিয়ে সময় কাটিয়েছেন। প্রায় সবাই এসেছেন দলবেঁধে, পরিবার নিয়ে। 

ঢাকার উত্তরা থেকে ব্যবসায়ী মো. নয়ন এসেছেন পাঁচ বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে। জুমার নামাজ পড়ে দুপুরে খেয়েদেয়ে তারা রওয়ানা দেন মাওয়ার উদ্দেশে। ছুটির দিন ও ঢাকা-মাওয়া সড়ক এক্সপ্রেসওয়েতে যানজট না থাকায় বিকেল তিনটার মধ্যেই পৌঁছে যান সেতুর কাছে।

নয়ন বলেন, আমাদের সবার বাড়ি উত্তর বঙ্গে। আমাদের দেশে এতবড় সেতু হচ্ছে তাই নিজের চোখে দেখতে এলাম। 

ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে তিন বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেলে চেপে আসা একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রবিন নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, পদ্মা সেতুর কথা এতদিন শুধু বন্ধুদের কাছে শুনেছি, ফেসবুক ও টিভিতে দেখেছি; এখন বাস্তবে দেখছি। বিশ্বাস করুন, আমার কাছে ঈদের খুশির চেয়েও বেশি মনে হচ্ছে। আমরা বাংলাদেশিরাও পারি, সেটা দেখিয়ে দিয়েছি।

পুলিশের এসবির এসআই মেহেদী হাসান মেহেদী স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে এসেছেন সেতু দেখতে। তিনি সেতুর পূর্ণাঙ্গ কাঠামো দেখে এতই আবেগাপ্লুত যে, ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তবু দম নিয়ে বললেন, আমার বাড়ি পটুয়াখালীতে। ফেরি দিয়ে পারাপারে আর ভালো লাগে না। আজ সেতুর স্ট্রাকচার দেখে হৃদয়-মন ভরে গেছে। বাংলাদেশি হিসেবে আমি গর্বিত। 

আরো পড়ুন

‘নতুন পেলে’ হওয়ার কথা ছিল যার সে হল ধর্ষক

ভাস্কর্য ভাঙার ‘দায় চাপিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টা’: হেফাজত

ভোট ডাকাতি থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতে বাসে আগুন:মির্জা ফখরুল

জনবিরোধী ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অর্থের উৎস খোঁজা হচ্ছে: কাদের

অপরাজনীতি থেকে ফিরে না এলে বিএনপির অপমৃত্যু ঘটবে: ওবায়দুল কাদের

পদ্মা সেতুর কাঠামো দেখতে উপচেপড়া ভিড়

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২০

পদ্মা সেতুতে সবকটি স্প্যান বসে যাওয়ায় শুক্রবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় জমেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় কনকনে শীত আর কুয়াশা জড়ানো আবহাওয়া উপেক্ষা করে ঢাকাসহ নানা এলাকার মানুষ ছুটে আসেন পদ্মাপাড়ে। 

স্থানীয়রা জানায়, দর্শনার্থীদের ভিড়ে মাওয়া চৌরাস্তা থেকে মাওয়া মৎস্য আড়ত হয়ে নদীর পাড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কে যানজট লেগে গেলে ট্রাফিক পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। অধিকাংশ দর্শনার্থী ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে চেপে পদ্মা সেতু দেখতে আসেন। শুক্রবার রাত সোয়া আটটায়ও মাওয়া প্রান্তে দর্শনার্থীদের আনাগোনা অব্যাহত ছিল। দর্শনার্থীরা পদ্মা সেতুর অদূরে থেকে মোবাইলে ছবি তুলে, ট্রলার, নৌকা ও স্পিডবোটে করে সেতুর খুঁটি ও স্প্যানের কাছাকাছি গিয়ে সময় কাটিয়েছেন। প্রায় সবাই এসেছেন দলবেঁধে, পরিবার নিয়ে। 

ঢাকার উত্তরা থেকে ব্যবসায়ী মো. নয়ন এসেছেন পাঁচ বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে। জুমার নামাজ পড়ে দুপুরে খেয়েদেয়ে তারা রওয়ানা দেন মাওয়ার উদ্দেশে। ছুটির দিন ও ঢাকা-মাওয়া সড়ক এক্সপ্রেসওয়েতে যানজট না থাকায় বিকেল তিনটার মধ্যেই পৌঁছে যান সেতুর কাছে।

নয়ন বলেন, আমাদের সবার বাড়ি উত্তর বঙ্গে। আমাদের দেশে এতবড় সেতু হচ্ছে তাই নিজের চোখে দেখতে এলাম। 

ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে তিন বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেলে চেপে আসা একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রবিন নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, পদ্মা সেতুর কথা এতদিন শুধু বন্ধুদের কাছে শুনেছি, ফেসবুক ও টিভিতে দেখেছি; এখন বাস্তবে দেখছি। বিশ্বাস করুন, আমার কাছে ঈদের খুশির চেয়েও বেশি মনে হচ্ছে। আমরা বাংলাদেশিরাও পারি, সেটা দেখিয়ে দিয়েছি।

পুলিশের এসবির এসআই মেহেদী হাসান মেহেদী স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে এসেছেন সেতু দেখতে। তিনি সেতুর পূর্ণাঙ্গ কাঠামো দেখে এতই আবেগাপ্লুত যে, ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তবু দম নিয়ে বললেন, আমার বাড়ি পটুয়াখালীতে। ফেরি দিয়ে পারাপারে আর ভালো লাগে না। আজ সেতুর স্ট্রাকচার দেখে হৃদয়-মন ভরে গেছে। বাংলাদেশি হিসেবে আমি গর্বিত। 

আরো পড়ুন

‘নতুন পেলে’ হওয়ার কথা ছিল যার সে হল ধর্ষক

ভাস্কর্য ভাঙার ‘দায় চাপিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টা’: হেফাজত

ভোট ডাকাতি থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতে বাসে আগুন:মির্জা ফখরুল

জনবিরোধী ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অর্থের উৎস খোঁজা হচ্ছে: কাদের

অপরাজনীতি থেকে ফিরে না এলে বিএনপির অপমৃত্যু ঘটবে: ওবায়দুল কাদের