ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

পদ্মা সেতুর কাঠামো দেখতে উপচেপড়া ভিড়

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২০
  • / ১১২৯ বার পড়া হয়েছে

পদ্মা সেতুতে সবকটি স্প্যান বসে যাওয়ায় শুক্রবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় জমেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় কনকনে শীত আর কুয়াশা জড়ানো আবহাওয়া উপেক্ষা করে ঢাকাসহ নানা এলাকার মানুষ ছুটে আসেন পদ্মাপাড়ে। 

স্থানীয়রা জানায়, দর্শনার্থীদের ভিড়ে মাওয়া চৌরাস্তা থেকে মাওয়া মৎস্য আড়ত হয়ে নদীর পাড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কে যানজট লেগে গেলে ট্রাফিক পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। অধিকাংশ দর্শনার্থী ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে চেপে পদ্মা সেতু দেখতে আসেন। শুক্রবার রাত সোয়া আটটায়ও মাওয়া প্রান্তে দর্শনার্থীদের আনাগোনা অব্যাহত ছিল। দর্শনার্থীরা পদ্মা সেতুর অদূরে থেকে মোবাইলে ছবি তুলে, ট্রলার, নৌকা ও স্পিডবোটে করে সেতুর খুঁটি ও স্প্যানের কাছাকাছি গিয়ে সময় কাটিয়েছেন। প্রায় সবাই এসেছেন দলবেঁধে, পরিবার নিয়ে। 

ঢাকার উত্তরা থেকে ব্যবসায়ী মো. নয়ন এসেছেন পাঁচ বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে। জুমার নামাজ পড়ে দুপুরে খেয়েদেয়ে তারা রওয়ানা দেন মাওয়ার উদ্দেশে। ছুটির দিন ও ঢাকা-মাওয়া সড়ক এক্সপ্রেসওয়েতে যানজট না থাকায় বিকেল তিনটার মধ্যেই পৌঁছে যান সেতুর কাছে।

নয়ন বলেন, আমাদের সবার বাড়ি উত্তর বঙ্গে। আমাদের দেশে এতবড় সেতু হচ্ছে তাই নিজের চোখে দেখতে এলাম। 

ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে তিন বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেলে চেপে আসা একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রবিন নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, পদ্মা সেতুর কথা এতদিন শুধু বন্ধুদের কাছে শুনেছি, ফেসবুক ও টিভিতে দেখেছি; এখন বাস্তবে দেখছি। বিশ্বাস করুন, আমার কাছে ঈদের খুশির চেয়েও বেশি মনে হচ্ছে। আমরা বাংলাদেশিরাও পারি, সেটা দেখিয়ে দিয়েছি।

পুলিশের এসবির এসআই মেহেদী হাসান মেহেদী স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে এসেছেন সেতু দেখতে। তিনি সেতুর পূর্ণাঙ্গ কাঠামো দেখে এতই আবেগাপ্লুত যে, ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তবু দম নিয়ে বললেন, আমার বাড়ি পটুয়াখালীতে। ফেরি দিয়ে পারাপারে আর ভালো লাগে না। আজ সেতুর স্ট্রাকচার দেখে হৃদয়-মন ভরে গেছে। বাংলাদেশি হিসেবে আমি গর্বিত। 

আরো পড়ুন

‘নতুন পেলে’ হওয়ার কথা ছিল যার সে হল ধর্ষক

ভাস্কর্য ভাঙার ‘দায় চাপিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টা’: হেফাজত

ভোট ডাকাতি থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতে বাসে আগুন:মির্জা ফখরুল

জনবিরোধী ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অর্থের উৎস খোঁজা হচ্ছে: কাদের

অপরাজনীতি থেকে ফিরে না এলে বিএনপির অপমৃত্যু ঘটবে: ওবায়দুল কাদের

পদ্মা সেতুর কাঠামো দেখতে উপচেপড়া ভিড়

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২০

পদ্মা সেতুতে সবকটি স্প্যান বসে যাওয়ায় শুক্রবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় জমেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় কনকনে শীত আর কুয়াশা জড়ানো আবহাওয়া উপেক্ষা করে ঢাকাসহ নানা এলাকার মানুষ ছুটে আসেন পদ্মাপাড়ে। 

স্থানীয়রা জানায়, দর্শনার্থীদের ভিড়ে মাওয়া চৌরাস্তা থেকে মাওয়া মৎস্য আড়ত হয়ে নদীর পাড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কে যানজট লেগে গেলে ট্রাফিক পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। অধিকাংশ দর্শনার্থী ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে চেপে পদ্মা সেতু দেখতে আসেন। শুক্রবার রাত সোয়া আটটায়ও মাওয়া প্রান্তে দর্শনার্থীদের আনাগোনা অব্যাহত ছিল। দর্শনার্থীরা পদ্মা সেতুর অদূরে থেকে মোবাইলে ছবি তুলে, ট্রলার, নৌকা ও স্পিডবোটে করে সেতুর খুঁটি ও স্প্যানের কাছাকাছি গিয়ে সময় কাটিয়েছেন। প্রায় সবাই এসেছেন দলবেঁধে, পরিবার নিয়ে। 

ঢাকার উত্তরা থেকে ব্যবসায়ী মো. নয়ন এসেছেন পাঁচ বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে। জুমার নামাজ পড়ে দুপুরে খেয়েদেয়ে তারা রওয়ানা দেন মাওয়ার উদ্দেশে। ছুটির দিন ও ঢাকা-মাওয়া সড়ক এক্সপ্রেসওয়েতে যানজট না থাকায় বিকেল তিনটার মধ্যেই পৌঁছে যান সেতুর কাছে।

নয়ন বলেন, আমাদের সবার বাড়ি উত্তর বঙ্গে। আমাদের দেশে এতবড় সেতু হচ্ছে তাই নিজের চোখে দেখতে এলাম। 

ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে তিন বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেলে চেপে আসা একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রবিন নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, পদ্মা সেতুর কথা এতদিন শুধু বন্ধুদের কাছে শুনেছি, ফেসবুক ও টিভিতে দেখেছি; এখন বাস্তবে দেখছি। বিশ্বাস করুন, আমার কাছে ঈদের খুশির চেয়েও বেশি মনে হচ্ছে। আমরা বাংলাদেশিরাও পারি, সেটা দেখিয়ে দিয়েছি।

পুলিশের এসবির এসআই মেহেদী হাসান মেহেদী স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে এসেছেন সেতু দেখতে। তিনি সেতুর পূর্ণাঙ্গ কাঠামো দেখে এতই আবেগাপ্লুত যে, ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তবু দম নিয়ে বললেন, আমার বাড়ি পটুয়াখালীতে। ফেরি দিয়ে পারাপারে আর ভালো লাগে না। আজ সেতুর স্ট্রাকচার দেখে হৃদয়-মন ভরে গেছে। বাংলাদেশি হিসেবে আমি গর্বিত। 

আরো পড়ুন

‘নতুন পেলে’ হওয়ার কথা ছিল যার সে হল ধর্ষক

ভাস্কর্য ভাঙার ‘দায় চাপিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টা’: হেফাজত

ভোট ডাকাতি থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতে বাসে আগুন:মির্জা ফখরুল

জনবিরোধী ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অর্থের উৎস খোঁজা হচ্ছে: কাদের

অপরাজনীতি থেকে ফিরে না এলে বিএনপির অপমৃত্যু ঘটবে: ওবায়দুল কাদের