ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০২:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৪
  • / ১১৫২ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রাজধানীর মিরপুরে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা মামলায় স্বামী মোঃ মানিক মিয়া ব্যাপারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারী) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক মোঃ আখতারুজ্জামান এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আমামিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর আতাউর রহমান এসব তথ্য জানান।

আতাউর রহমান আরও জানান, বিয়ের পর থেকেই রিতার সঙ্গে মানিকের প্রায়ই কথা কাটাকাটি হত। অনেক সময় মানিক রিতাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন।

২০১৩ সালে ১২ জানুয়ারি মানিক রিতার মায়ের মোবাইলে ফোন করে জানান, রাগ করে রিতা দুই দিন যাবৎ বাসায় ফেরেননি। এর পর থেকে মানিকের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে রিতার মা ১৪ জানুয়ারি বাড়ি থেকে ঢাকায় রিতার বাসায় আসেন। বাসার দরজা তালা বন্ধ দেখে পাশের ফ্লাট থেকে তিনি জানতে পারেন, রিতা মানিকের সঙ্গে ঝগড়া করে ব্যাগ নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেছেন। তিনি এরপর বাড়িতে ফিরে যান।

পরে ১৭ জানুয়ারি পুলিশ রিতার বাবাকে জানায়, তার মেয়ে ঢাকার বাসায় মারা গেছেন। তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আছে।

এ ঘটনায় ১৭ জানুয়ারি রিতার বাবা বাদী হয়ে মিরপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার এসআই মোহাম্মদ সেলিম ওই বছরের ৫ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। ২০ এপ্রিল আদালত রিতার স্বামীর বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন। আজ ২৪ জানুয়ারি ১১ বছর পর এই মামলার রায় দেয়া হলো।

ট্যাগস :

রাজধানীতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০২:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৪

রাজধানীতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রাজধানীর মিরপুরে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা মামলায় স্বামী মোঃ মানিক মিয়া ব্যাপারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারী) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক মোঃ আখতারুজ্জামান এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আমামিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর আতাউর রহমান এসব তথ্য জানান।

আতাউর রহমান আরও জানান, বিয়ের পর থেকেই রিতার সঙ্গে মানিকের প্রায়ই কথা কাটাকাটি হত। অনেক সময় মানিক রিতাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন।

২০১৩ সালে ১২ জানুয়ারি মানিক রিতার মায়ের মোবাইলে ফোন করে জানান, রাগ করে রিতা দুই দিন যাবৎ বাসায় ফেরেননি। এর পর থেকে মানিকের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে রিতার মা ১৪ জানুয়ারি বাড়ি থেকে ঢাকায় রিতার বাসায় আসেন। বাসার দরজা তালা বন্ধ দেখে পাশের ফ্লাট থেকে তিনি জানতে পারেন, রিতা মানিকের সঙ্গে ঝগড়া করে ব্যাগ নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেছেন। তিনি এরপর বাড়িতে ফিরে যান।

পরে ১৭ জানুয়ারি পুলিশ রিতার বাবাকে জানায়, তার মেয়ে ঢাকার বাসায় মারা গেছেন। তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আছে।

এ ঘটনায় ১৭ জানুয়ারি রিতার বাবা বাদী হয়ে মিরপুর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার এসআই মোহাম্মদ সেলিম ওই বছরের ৫ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। ২০ এপ্রিল আদালত রিতার স্বামীর বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন। আজ ২৪ জানুয়ারি ১১ বছর পর এই মামলার রায় দেয়া হলো।