ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করার ক্ষমতাই নাই মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের! Logo ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo নির্বাচনের পর অনেকাংশ ক্ষেত্রেই মালিকানা ফিরে পেয়েছি: অর্থমন্ত্রী Logo দখলদারদের বিরুদ্ধে হামলা জোরদান করেছে ইরান Logo জ্বালানি ব্যয় মেটাতে ২ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিচ্ছে সরকার Logo এক জাহাজ থেকেই ২০ লাখ ডলার টোল আদায় করলো ইরান Logo বঙ্গভবনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি Logo জীবিত ছেলেকে মৃত দেখিয়ে মামলা: শেখ হাসিনা-কাদেরসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি Logo ইউনূসের মতো অযোগ্য ও বাটপার শাসক হাজার বছরেও আসেনি-আনিস আলমগীর Logo নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চায় আওয়ামী লীগ

ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে অসদাচরণ করায় আইনজীবী আটক,ছাড়ালেন বারের নেতারা

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১১১ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং বেঞ্চ সহকারীর সঙ্গে অসদাচরণ করায় আদালত পুলিশ এক আইনজীবী আটকে রাখার পর বারের নেতারা তাকে ছাড়িয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আদালত শুরু হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে।

চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মাহবুবুল আলম জানান, এ্যাড. আতিক মাহমুদ একটি মামলা করেন। সেই মামলার আদেশ কি হয়েছে জানতে চান তিনি। আমি বলি, স্যার এখনও আদেশের কপি দেননি। তাই কীভাবে দিব। এ নিয়ে হৈচৈ শুরু করেন এবং মারতে উদ্যত হন। তখন স্যার চলে এসে ঘটনা দেখেন। এর মাঝেই আদালতের পুলিশ এসে তাকে অবরুদ্ধ করে। পরে বার সমিতির নেতারা এসে সমঝোতা করে তাকে নিয়ে যান।

এ্যাড. আতিক মাহমুদ জানান, মামলার আদেশ দেখতে পেশকার ২০০-৩০০ টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে কথোপকথন হয়।

বগুড়া বারের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এ্যাড. আতিক মাহমুদ আগেও তিনবার আদালতে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। ভবিষ্যতে তিনি আর এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটাবেন না বলে আমরা বলে তাকে নিয়ে এসেছি। আর কিছু করলে আমরা যাব না।

জুডিশিয়াল আদালতের ওসি অশোক কুমার সিংহ জানান, ওই আইনজীবীর সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল। পরে আইনজীবী নেতারা সমঝোতা করেছেন।

ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে অসদাচরণ করায় আইনজীবী আটক,ছাড়ালেন বারের নেতারা

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

বগুড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং বেঞ্চ সহকারীর সঙ্গে অসদাচরণ করায় আদালত পুলিশ এক আইনজীবী আটকে রাখার পর বারের নেতারা তাকে ছাড়িয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আদালত শুরু হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে।

চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মাহবুবুল আলম জানান, এ্যাড. আতিক মাহমুদ একটি মামলা করেন। সেই মামলার আদেশ কি হয়েছে জানতে চান তিনি। আমি বলি, স্যার এখনও আদেশের কপি দেননি। তাই কীভাবে দিব। এ নিয়ে হৈচৈ শুরু করেন এবং মারতে উদ্যত হন। তখন স্যার চলে এসে ঘটনা দেখেন। এর মাঝেই আদালতের পুলিশ এসে তাকে অবরুদ্ধ করে। পরে বার সমিতির নেতারা এসে সমঝোতা করে তাকে নিয়ে যান।

এ্যাড. আতিক মাহমুদ জানান, মামলার আদেশ দেখতে পেশকার ২০০-৩০০ টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে কথোপকথন হয়।

বগুড়া বারের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এ্যাড. আতিক মাহমুদ আগেও তিনবার আদালতে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। ভবিষ্যতে তিনি আর এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটাবেন না বলে আমরা বলে তাকে নিয়ে এসেছি। আর কিছু করলে আমরা যাব না।

জুডিশিয়াল আদালতের ওসি অশোক কুমার সিংহ জানান, ওই আইনজীবীর সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল। পরে আইনজীবী নেতারা সমঝোতা করেছেন।