ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বাড়ছে হত্যা ও ধর্ষণ-জামাত আমীর Logo মসজিদ অবমাননা করে মসজিদে চেয়ার-টেবিল বসিয়ে জামায়াতের দলীয় সভা অনুষ্ঠিত Logo সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় মায়ের পায়ের রগ কাটার অভিযোগ, ছেলে গ্রেপ্তার Logo তিস্তার ৩০ পয়েন্টে ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি Logo কুড়িগ্রামে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: অভিযুক্তকে থানায় সোর্পদ Logo নারী-সংক্রান্ত অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত বিআইডব্লিউটি-এর বন্দর পরিচালক Logo ৩ দেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প, লাখের বেশি মৃত্যুর শঙ্কা Logo লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৩ জনকে গলাকেটে হত্যা Logo ফুলবাড়িয়ায় বজ্রপাতে শিক্ষার্থীসহ নিহত-২ Logo সাংবাদিকদের বাথরুম, টয়লেট পরিষ্কারের দায়িত্ব দেওয়া উচিত, উপ-পরিচালক, ভয়ে করলো ডিলেট

ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে অসদাচরণ করায় আইনজীবী আটক,ছাড়ালেন বারের নেতারা

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১৪০ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং বেঞ্চ সহকারীর সঙ্গে অসদাচরণ করায় আদালত পুলিশ এক আইনজীবী আটকে রাখার পর বারের নেতারা তাকে ছাড়িয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আদালত শুরু হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে।

চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মাহবুবুল আলম জানান, এ্যাড. আতিক মাহমুদ একটি মামলা করেন। সেই মামলার আদেশ কি হয়েছে জানতে চান তিনি। আমি বলি, স্যার এখনও আদেশের কপি দেননি। তাই কীভাবে দিব। এ নিয়ে হৈচৈ শুরু করেন এবং মারতে উদ্যত হন। তখন স্যার চলে এসে ঘটনা দেখেন। এর মাঝেই আদালতের পুলিশ এসে তাকে অবরুদ্ধ করে। পরে বার সমিতির নেতারা এসে সমঝোতা করে তাকে নিয়ে যান।

এ্যাড. আতিক মাহমুদ জানান, মামলার আদেশ দেখতে পেশকার ২০০-৩০০ টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে কথোপকথন হয়।

বগুড়া বারের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এ্যাড. আতিক মাহমুদ আগেও তিনবার আদালতে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। ভবিষ্যতে তিনি আর এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটাবেন না বলে আমরা বলে তাকে নিয়ে এসেছি। আর কিছু করলে আমরা যাব না।

জুডিশিয়াল আদালতের ওসি অশোক কুমার সিংহ জানান, ওই আইনজীবীর সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল। পরে আইনজীবী নেতারা সমঝোতা করেছেন।

ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে অসদাচরণ করায় আইনজীবী আটক,ছাড়ালেন বারের নেতারা

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

বগুড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং বেঞ্চ সহকারীর সঙ্গে অসদাচরণ করায় আদালত পুলিশ এক আইনজীবী আটকে রাখার পর বারের নেতারা তাকে ছাড়িয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আদালত শুরু হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে।

চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মাহবুবুল আলম জানান, এ্যাড. আতিক মাহমুদ একটি মামলা করেন। সেই মামলার আদেশ কি হয়েছে জানতে চান তিনি। আমি বলি, স্যার এখনও আদেশের কপি দেননি। তাই কীভাবে দিব। এ নিয়ে হৈচৈ শুরু করেন এবং মারতে উদ্যত হন। তখন স্যার চলে এসে ঘটনা দেখেন। এর মাঝেই আদালতের পুলিশ এসে তাকে অবরুদ্ধ করে। পরে বার সমিতির নেতারা এসে সমঝোতা করে তাকে নিয়ে যান।

এ্যাড. আতিক মাহমুদ জানান, মামলার আদেশ দেখতে পেশকার ২০০-৩০০ টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে কথোপকথন হয়।

বগুড়া বারের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এ্যাড. আতিক মাহমুদ আগেও তিনবার আদালতে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। ভবিষ্যতে তিনি আর এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটাবেন না বলে আমরা বলে তাকে নিয়ে এসেছি। আর কিছু করলে আমরা যাব না।

জুডিশিয়াল আদালতের ওসি অশোক কুমার সিংহ জানান, ওই আইনজীবীর সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল। পরে আইনজীবী নেতারা সমঝোতা করেছেন।