ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ২০১৮ সালের যুবলীগ নেতা হত্যা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি শেখ হাসিনা Logo আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া ছয় সমন্বয়ক মীর জাফর-মাসুদ কামাল Logo সুবর্ণচরে সাংবাদিকদের হত্যার হুমকি, থানায় জিডি Logo উত্তরের ৬ জেলার নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক Logo রাঙামাটিতে মায়ের দায়ের কোপে ছেলের মৃত্যু; বাবা-মা আটক Logo রিয়াদে এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের উদ্যোগে জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ Logo বাগেরহাটে ছুরিকাঘাতে আইনজীবী নিহত Logo নামাজ পড়ানোকে কেন্দ্র করে মসজিদের ভেতরে মারামারি সাথিয়া Logo ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে পরিবহন সংঘর্ষ; নিহত দুই ভাই Logo দশমিনায় সড়ক মেরামত করছে ইসলামী আন্দোলনের নেতা কর্মীরা

কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৬৬ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় তার অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এ অভিযোগ তুলেন ।

লাইভে এসে কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, পুলিশ আমার সাতজন কর্মীকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে। সকালের দিকে খবর পেয়ে আমি তাদের দেখতে যাই। তাদের অবস্থা ভালো ছিল না। ফেরার পথে আমাদের ওপর আক্রমণ করেন এডিশনাল এসপি।

তিনি আমার গায়ের হাত দিয়েছেন। দশবার করে বলেছি, আমি ডিএস মর্যাদার। তুমি আমার গায়ের ওপর হাত দিচ্ছো কেন? তিনি এরপরেও আমার গায়ে হাত দিয়েছে। এদিকে ওসি আমার সহকারী সাজুকে মারধর করেছে। তার মোবাইল কেড়ে নিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এরপর ফেরত আসার পথে এডিশনাল এসপি ওসিসহ পুলিশ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করেছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম আহমেদ এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দেন।

তিনি বলেন, কাদের মির্জা থানায় গিয়ে সরাসরি থানার হাজতের সামনে চলে যান। আমি শুধু তাকে বলেছি, আপনি ওসির রুমে আসেন। এছাড়া আর কোনো কথা হয়নি এবং কারো গায়ে হাত তোলাও হয়নি।

 

ট্যাগস :

কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় তার অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এ অভিযোগ তুলেন ।

লাইভে এসে কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, পুলিশ আমার সাতজন কর্মীকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে। সকালের দিকে খবর পেয়ে আমি তাদের দেখতে যাই। তাদের অবস্থা ভালো ছিল না। ফেরার পথে আমাদের ওপর আক্রমণ করেন এডিশনাল এসপি।

তিনি আমার গায়ের হাত দিয়েছেন। দশবার করে বলেছি, আমি ডিএস মর্যাদার। তুমি আমার গায়ের ওপর হাত দিচ্ছো কেন? তিনি এরপরেও আমার গায়ে হাত দিয়েছে। এদিকে ওসি আমার সহকারী সাজুকে মারধর করেছে। তার মোবাইল কেড়ে নিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এরপর ফেরত আসার পথে এডিশনাল এসপি ওসিসহ পুলিশ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করেছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম আহমেদ এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দেন।

তিনি বলেন, কাদের মির্জা থানায় গিয়ে সরাসরি থানার হাজতের সামনে চলে যান। আমি শুধু তাকে বলেছি, আপনি ওসির রুমে আসেন। এছাড়া আর কোনো কথা হয়নি এবং কারো গায়ে হাত তোলাও হয়নি।