ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে চারজনকে হত্যার দায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১১:০০:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / ১০৮৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

কুড়িগ্রামে এক পরিবারের চারজনকে হত্যার দায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুল মান্নান এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- উপজেলার দিয়াডাঙ্গা গ্রামের মনতাজ উদ্দিন, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, আমির হোসেন, জাকির হোসেন, জালাল গাজি ও আজমত আলী শেখ।

রায় ঘোষণার সাথে সাথে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালত কক্ষের আসামিদের দাঁড়ানোর ডক ভংচুর করে এবং বিভিন্নজনকে উদ্দেশ্য করে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে দণ্ডপ্রাপ্তদের ভ্যানে তুলে জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর এসএম আব্রাহাম লিংকন বলেন, ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি মধ্যরাতে একদল সন্ত্রাসী দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘরে ঢুকে একই ঘরে অবস্থানরত সুলতান আলী মন্ডল, হাজেরা বেগম, কন্যা নীলিমা আক্তার মৌসুমি, নাতনী রোমানা আকতার এবং আনিকাকে এলোপাতাড়িভাবে কোপ দেয়। এতে সুলতান আলী মন্ডল, রোমানা আকতার আনিকা ঘটনাস্থলে আর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান হাজেরা বেগম। গুরুতর আহত হওয়ার পরও ভাগ্যক্রমে বেঁচে নীলিমা আক্তার মৌসুমি।

তিনি আরও জানান, মামলায় মোট ৬৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। মামলায় রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

মামলার বাদি হাফিজুর রহমান বলেন, মাত্র ১৭ বিঘা জমি নিজের দখলে নেওয়ার জন্য তার পিতার বড় ভাই মনতাজ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। মামলার রায়ে তিনি সন্তুষ্ট।

ট্যাগস :

কুড়িগ্রামে চারজনকে হত্যার দায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ১১:০০:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ

কুড়িগ্রামে এক পরিবারের চারজনকে হত্যার দায়ে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুল মান্নান এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- উপজেলার দিয়াডাঙ্গা গ্রামের মনতাজ উদ্দিন, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, আমির হোসেন, জাকির হোসেন, জালাল গাজি ও আজমত আলী শেখ।

রায় ঘোষণার সাথে সাথে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালত কক্ষের আসামিদের দাঁড়ানোর ডক ভংচুর করে এবং বিভিন্নজনকে উদ্দেশ্য করে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে দণ্ডপ্রাপ্তদের ভ্যানে তুলে জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর এসএম আব্রাহাম লিংকন বলেন, ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি মধ্যরাতে একদল সন্ত্রাসী দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘরে ঢুকে একই ঘরে অবস্থানরত সুলতান আলী মন্ডল, হাজেরা বেগম, কন্যা নীলিমা আক্তার মৌসুমি, নাতনী রোমানা আকতার এবং আনিকাকে এলোপাতাড়িভাবে কোপ দেয়। এতে সুলতান আলী মন্ডল, রোমানা আকতার আনিকা ঘটনাস্থলে আর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান হাজেরা বেগম। গুরুতর আহত হওয়ার পরও ভাগ্যক্রমে বেঁচে নীলিমা আক্তার মৌসুমি।

তিনি আরও জানান, মামলায় মোট ৬৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। মামলায় রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

মামলার বাদি হাফিজুর রহমান বলেন, মাত্র ১৭ বিঘা জমি নিজের দখলে নেওয়ার জন্য তার পিতার বড় ভাই মনতাজ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। মামলার রায়ে তিনি সন্তুষ্ট।