ঢাকা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুদাম ভেঙ্গে সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্দ কৃষকরা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৪:০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১০১৯ বার পড়া হয়েছে

গুদাম ভেঙ্গে সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্দ কৃষকরা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার না পেয়ে কৃষকেরা জোট বেধে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙ্গে ১শ ৯৭ বস্তায় সার নিয়ে গেছে।

আজ রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্স এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের দিতে গড়িমশি করেন। তার মোট বরাদ্দ ছিলো ১শ ৩শ ২০ বস্তা সার।

এ দিন সকাল থেকে তার ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য জড়ো হন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে ১শ ৯০ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যেতে থাকে।

পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বাকী সার রক্ষা করে।

ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১শ ৩শ ২০ বস্তা। উত্তোলন আরও কম ছিল। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে থামিয়েছে। এরমধ্যে ১শ ৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ বলেন, আমি সারাদিন জেলা মিটিং-এ ছিলাম। ফলে বিষয়ে আমি অবগত নই।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

গুদাম ভেঙ্গে সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্দ কৃষকরা

আপডেট সময় : ০৪:০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

গুদাম ভেঙ্গে সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্দ কৃষকরা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার না পেয়ে কৃষকেরা জোট বেধে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙ্গে ১শ ৯৭ বস্তায় সার নিয়ে গেছে।

আজ রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্স এর মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের দিতে গড়িমশি করেন। তার মোট বরাদ্দ ছিলো ১শ ৩শ ২০ বস্তা সার।

এ দিন সকাল থেকে তার ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য জড়ো হন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে ১শ ৯০ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যেতে থাকে।

পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বাকী সার রক্ষা করে।

ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১শ ৩শ ২০ বস্তা। উত্তোলন আরও কম ছিল। ফলে কৃষকরা সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে থামিয়েছে। এরমধ্যে ১শ ৯৭ বস্তা সার কৃষকরা নিয়ে গেছে। পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন ৩৩ বস্তা ফেরত দিয়ে গেছে। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ বলেন, আমি সারাদিন জেলা মিটিং-এ ছিলাম। ফলে বিষয়ে আমি অবগত নই।

আস্থা/এমএইচ