ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেলুচিস্তানে সেনা ঘাঁটিতে হামলা: নিহত ৬৪ সেনা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • / ১০৬৪ বার পড়া হয়েছে

বেলুচিস্তানে সেনা ঘাঁটিতে হামলা: নিহত ৬৪ সেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

বেলুচিস্তানের খোজদার জেলার জিদিতে চালানো এক অভিযানে ১৯ পাকিস্তানি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। বেলুচিস্তান পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০ জুলাই পরিচালিত ওই অভিযানে জিদি শহরের নিয়ন্ত্রণ কয়েক ঘণ্টার জন্য নিজেদের হাতে থাকার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে অভিযানে নিজেদের ছয় যোদ্ধা নিহতের তথ্যও স্বীকার করেছে তারা।

বিএলএর মুখপাত্র জিয়ান্দ বেলুচ এক বিবৃতিতে জানান, ১০ জুলাই সকাল আনুমানিক ৬টায় অপারেশন শুরু হয়। সে সময় তাঁদের যোদ্ধারা স্থানীয় থানা ও একাধিক সরকারি ভবন দখল করে নেয়। ভবনগুলো থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করার পর বিস্ফোরক দিয়ে থানাটি উড়িয়ে দেওয়া হয়। এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর বিএলএর বিভিন্ন ইউনিট প্রধান মহাসড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় শহরে প্রবেশের পথগুলোতে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়।

অপর দিকে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) আরেক হামলায় ৪৫ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। কোয়েটা-করাচি মহাসড়কের পাশে মাসতুং জেলার খাদকোচা এলাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বাসের একটি বহর লক্ষ্য করে এই হামলাটি চালায়।

বিএলএ জানায়, এ সময় পুলিশের এক ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্টের নেতৃত্বাধীন একটি সেনাবহর সরগাজের কাছে পৌঁছালে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় এবং বহরটি পিছু হটতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে সাঁজোয়া যান ও গানশিপ হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ভারী সংঘর্ষ চলে।

বিএলএর দাবি, এই লড়াইয়ে অন্তত ১৫ জন সেনা নিহত ও ডজনখানেক আহত হয়েছেন। পাশাপাশি একটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস এবং ভারী অস্ত্রের গুলিতে একটি হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত করার দাবিও করেছে তারা। পরে সন্ধ্যায় মহাসড়ক ধরে এগিয়ে আসা আরেকটি সামরিক বহরে আক্রমণ চালিয়ে একটি যান সরাসরি ধ্বংস করা হয়। এতে আরও ৪ জন সেনা নিহত হন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিএলএর এই দাবির বিষয়ে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

বেলুচিস্তানে সেনা ঘাঁটিতে হামলা: নিহত ৬৪ সেনা

আপডেট সময় : ১০:২৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বেলুচিস্তানে সেনা ঘাঁটিতে হামলা: নিহত ৬৪ সেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

বেলুচিস্তানের খোজদার জেলার জিদিতে চালানো এক অভিযানে ১৯ পাকিস্তানি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। বেলুচিস্তান পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০ জুলাই পরিচালিত ওই অভিযানে জিদি শহরের নিয়ন্ত্রণ কয়েক ঘণ্টার জন্য নিজেদের হাতে থাকার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে অভিযানে নিজেদের ছয় যোদ্ধা নিহতের তথ্যও স্বীকার করেছে তারা।

বিএলএর মুখপাত্র জিয়ান্দ বেলুচ এক বিবৃতিতে জানান, ১০ জুলাই সকাল আনুমানিক ৬টায় অপারেশন শুরু হয়। সে সময় তাঁদের যোদ্ধারা স্থানীয় থানা ও একাধিক সরকারি ভবন দখল করে নেয়। ভবনগুলো থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করার পর বিস্ফোরক দিয়ে থানাটি উড়িয়ে দেওয়া হয়। এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর বিএলএর বিভিন্ন ইউনিট প্রধান মহাসড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় শহরে প্রবেশের পথগুলোতে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়।

অপর দিকে ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) আরেক হামলায় ৪৫ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। কোয়েটা-করাচি মহাসড়কের পাশে মাসতুং জেলার খাদকোচা এলাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বাসের একটি বহর লক্ষ্য করে এই হামলাটি চালায়।

বিএলএ জানায়, এ সময় পুলিশের এক ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্টের নেতৃত্বাধীন একটি সেনাবহর সরগাজের কাছে পৌঁছালে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় এবং বহরটি পিছু হটতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে সাঁজোয়া যান ও গানশিপ হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ভারী সংঘর্ষ চলে।

বিএলএর দাবি, এই লড়াইয়ে অন্তত ১৫ জন সেনা নিহত ও ডজনখানেক আহত হয়েছেন। পাশাপাশি একটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস এবং ভারী অস্ত্রের গুলিতে একটি হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত করার দাবিও করেছে তারা। পরে সন্ধ্যায় মহাসড়ক ধরে এগিয়ে আসা আরেকটি সামরিক বহরে আক্রমণ চালিয়ে একটি যান সরাসরি ধ্বংস করা হয়। এতে আরও ৪ জন সেনা নিহত হন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিএলএর এই দাবির বিষয়ে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ