যুদ্ধের খরচ মেটাতে পর্নোগ্রাফিকে বৈধ হচ্ছে করা ইউক্রেনে
- আপডেট সময় : ০২:৩২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১০০৪ বার পড়া হয়েছে
যুদ্ধের খরচ মেটাতে পর্নোগ্রাফিকে বৈধ হচ্ছে করা ইউক্রেনে
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে অর্থের নতুন উৎস খুঁজছে ইউক্রেন। এরই অংশ হিসেবে দেশটিতে পর্নোগ্রাফিকে বৈধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সূত্র-ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনের দুর্বল অর্থনীতিকে চাঙা করার পাশাপাশি পর্নগ্রাফি থেকে কর আদায়ের মাধ্যমে যুদ্ধের তহবিল বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার। এ নিয়ে পার্লামেন্টে একটি বিলও তোলা হয়েছে।
ইউক্রেনে বর্তমানে পর্নোগ্রাফি তৈরি, সংরক্ষণ বা বিতরণ আইনত নিষিদ্ধ। এসব কর্মকাণ্ডের জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দেশটিতে প্রাপ্তবয়স্কদের বিনোদনভিত্তিক কনটেন্টের বাজার গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
পর্নোগ্রাফির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা অনেক সময় দুর্নীতিগ্রস্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চাপে থাকেন। এমনকি, সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক কনটেন্ট নির্মাতাদের কাছ থেকে কর দাবি করতে শুরু করেছে। কিন্তু কর পরিশোধ করলেই তারা কার্যত এমন একটি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করছেন, যা দেশটির আইনে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।
এই পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে ইউক্রেনের পার্লামেন্টের অর্থবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ও আইনপ্রণেতা ইয়ারোস্লাভ ঝেলেজনিয়াক পর্নোগ্রাফি বৈধ করার পক্ষে একটি বিল এনেছেন।
তার দাবি, পর্নোগ্রাফিকে বৈধ করা হলে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কর রাজস্ব পেতে পারে। তার হিসাব অনুযায়ী, এ খাত থেকে বছরে সর্বোচ্চ ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত কর আদায় সম্ভব। এই অর্থ দিয়ে ইউক্রেন প্রায় ৩০ হাজার ড্রোন কিনতে পারবে বলেও ধারণা করছেন তিনি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে ঝেলেজনিয়াক বলেন, বর্তমানে এর সঙ্গে যুক্ত নারীরা হয় কর ‘না’ দিয়ে ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হচ্ছেন, অথবা কর দিচ্ছেন এবং একই সঙ্গে পর্নোগ্রাফি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত হচ্ছেন।
তবে যুদ্ধের মধ্যে পর্নোগ্রাফি বৈধ করার উদ্যোগটি ইউক্রেনের সামাজিক-ধর্মীয়- রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আস্থা/এমএইচ





















